সীমান্তে ড্রোন ঢুকলেই অ্যাকশন! আকাশ ও স্থল নজরদারিতে নতুন দায়িত্ব পেল ভারতীয় সেনা
শত্রুপক্ষের ড্রোন অনুপ্রবেশ ঠেকানোর জন্য এবার বড় সিদ্ধান্ত নিল ভারতীয় সেনা। এখন থেকে সীমান্তের ভিতরে ৩৫ কিলোমিটার এলাকা এবং আকাশে ৩ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত ড্রোন ও উড়ন্ত বস্তুর উপর নজরদারির দায়িত্ব সরাসরি সেনাবাহিনীর হাতে থাকবে।

অপারেশন সিন্ধুরের পর সেনার কৌশলগত মোতায়েনেও বড় ধরণের পরিবর্তন আনা হয়েছে। পশ্চিম এবং উত্তর সীমান্তে ড্রোনের হুমকি বেড়ে চলেছে। আর সেই কারণেই চীন ও পাকিস্তান সীমান্ত বরাবর নতুন এয়ার কমান্ড এবং কন্ট্রোল সেন্টারও গড়ে তোলা হচ্ছে। এই জায়গায় শুধু নজরদারিই নয়, প্রয়োজনে ড্রোন উড়ানো এবং শত্রু ড্রোন ধ্বংসের ব্যবস্থাও থাকবে।
সূত্রের খবর অনুসারে, পশ্চিম সীমান্তে প্রায় ১০,০০০ এবং লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (Line of Actual Control) বরাবর সেনা ২০,০০০-এর বেশি ড্রোন ব্যবহারের সক্ষমতা গড়ে তুলছে। সেনা এবং বায়ুসেনার মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার করা হচ্ছে।
অপারেশন সিন্ধুরের সময় পাকিস্তান তুরস্ক এবং চীনা ড্রোন ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছিল। অন্যদিকে আবার, চীনের পিএলএ-ও পূর্ব সীমান্তে নিয়মিত ড্রোন দিয়ে নজরদারি চালাচ্ছে।
এছাড়া, ইতিমধ্যেই সেনা রকেট ফোর্স ইউনিট, রুদ্র ব্রিগেড এবং ভৈরব ব্যাটালিয়ন মোতায়েন করেছে। সেইসঙ্গে আর্টিলারির পাল্লাও বাড়ানো হয়েছে, যাতে সীমান্তের ওপার পর্যন্ত আঘাত হানা যায়।
বিশেষ বাহিনীর কৌশলগত ব্যবহারের জন্যেও ভৈরব ব্যাটালিয়ন গঠন করা হয়েছে। যেখানে ড্রোন, লইটারিং মিউনিশন এবং আধুনিক নজরদারি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।
সমস্তটা মিলিয়ে, সীমান্তে ড্রোন যুদ্ধ এবং আধুনিক প্রযুক্তির মোকাবিলায় ভারতীয় সেনা আরও শক্ত অবস্থান নিচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications