জিনপিংয়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল সাংহাই, চিন সীমান্তে মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে যৌথ মহড়ায় ভারতীয় সেনা
জিনপিংয়ের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল সাংহাই, চিন সীমান্তে মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে যৌথ মহড়ায় কোন বার্তা ভারতের
জিনপিংয়ের অপসারণের দাবিতে উত্তাল চিন। আর সেই মাহেন্দ্রক্ষণেই এক প্রকার বলা চলে চিন সীমান্তে যৌথ মহড়া করল ভারতীয় এবং মার্কিন সেনা। উত্তরাখণ্ডের আউলিতে হল সেই যৌথ মহড়া। যুদ্ধ অভ্যাস নাম দিয়ে এই মহড়া করা হয়। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য বারত এবং আমেরিকা কারোর সঙ্গেই চিনের খুব একটা সুসম্পর্ক নেই। ভারত সীমান্তে একাধিকবার আস্ফালন করেছে চিন। লাদাখের গালওয়ান সংঘর্ষের ঘটনার পর থেকে ভারতের সঙ্গে চিনের খুব একটা সুসম্পর্ক নেই তার মাঝে এই যৌথ মহড়া যে লাল ফৌজের ঘুম ছোটাবে তাতে কোনও সন্দেহ নেই।

ভারত-মার্কিন যৌথ সেনা মহড়া
মোদী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে সেনাবাহিনীর আধুনিকীকরণে বিশেষ নজর দিয়েছে। একাধিক অত্যাধুনিক যুদ্ধ বিমান থেকে শুরু করে অত্যাধুনিক অস্ত্র ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যুক্ত হতে শুরু করেছে। এরই মাঝে আবার চিন সীমান্তে ভারতীয় এবং মার্কিন ফৌজের যৌথ মহড়া ভারতীয় সেনাকে আরও মজবুত করবে বলে মনে করা হচ্ছে। উত্তরাখণ্ডের আউলিতে এই যৌথ মহড়া হয়েছে। তাতে ভারতীয় সেনাবাহিনীরকে একাধি অত্যাধুনিক কৌশলে মহড়া দিতে পারবে। যৌথ মহড়ার এম-১৭ হেলিকম্পটার এবং এম-১৭ চপার ব্যবহার করা হচ্ছিল। রাশিয়ায় তৈরি এইগুলি।

ভারতের সঙ্গে চিনের চাপান উতোর
গত তিন বছর ধরে ভারতের সঙ্গে চিনের সুসম্পর্কে ফাটল ধরেছে। গালওয়ান উপত্যকায় চিনা ফৌজের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছিল গোটা দেশ। গালওয়ান উপত্যকার দখল দাবি করে চিনা ফৌজ নিয়ন্ত্রণ রেখার চুক্তি মানতে রাজি হচ্ছিল না। পাল্টা প্রতিঘাত করে ভারতীয় সেনাও। তাতে ভারতের প্রায় ৭০ জন জওয়ান শহিদ হয়েছিলেন। সেই ঘটনায় চিনেরও একাধিক ফৌজ প্রাণ হারায়। তারপর থেকেই ভারতের সঙ্গে চিনের সুসম্পর্কে ফাটল ধরেছে। সেই ফাটল এখনও তেমন ভাবে মেরামত হয়ে ওঠেনি।

উত্তাল বেজিং
ভারত-চিনের সম্পর্কের টানাপোড়েনের মাঝেই আবার চিনে অভ্যন্তরীন বিক্ষোভ বড় আকারে শুরু হয়েছে। জিনপিং সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছেন অসংখ্য মানুষ। সম্প্রতি চিনে নতুন করে করোনা সংক্রমণ মারাত্মক আকার নিয়েছে। দৈনিক এক থেকে দেড় লক্ষ মানুষ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হতে শুরু করেছেন। যার জেরে জিরো কোভিড নীতি নিয়েছে জিনপিং সরকার। আর তার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে চিনের জনগণ। তাঁরা রাস্তায় নেমে জিনপিংয়ের পদত্যাগ দাবি করেছেন। এই নিয়ে গত তিনদিন ধরে উত্তাল সাংহাই, বেজিং থেকে শুরু করে চিনের একাধিক প্রদেশ।

জিনপিংয়ের বিরুদ্ধে অসন্তোষ
চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের আগুনে পুড়ছে গোটা দেশ। এক নায়কতন্ত্রি জিনপিংয়ের অপসারণ দাবি করে সাংহাইয়ের রাস্তায় বিক্ষোভে নেমেছেন অসংখ্য মানুষ। তাঁরা স্লোগান তুলেছেন হয় স্বাধীনতা দাও নাহলে মৃত্যু দাও। এক কথায় জিনপিংয়ের শাসন মানতে নারাজ চিনের সাধারণ মানুষ। বিক্ষোভ মোকাবিলায় কড়া পদক্ষেপ করে চলেছে জিনপিংয়ের পুলিশ প্রশাসন।












Click it and Unblock the Notifications