রাশিয়ার মাটিতে তালিবানদের মুখোমুখি হচ্ছে ভারত! কোন পথে ভারত-আফগান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক?
প্রায় কয়েকমাস হয়ে গিয়েছে আফগানিস্তানের ক্ষমতা গিয়েছে তালিবানদের হাতে। ইতিমধ্যে সে দেশে সরকারও গঠন করেছে তাঁরা। তবে আফগানিস্তাণে তালিবানদের উত্থানে জঙ্গিদের একাংশ নতুন করে চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। আর তাতেই চিন্তার ভাঁজ পড়ছে বিশ্
প্রায় কয়েকমাস হয়ে গিয়েছে আফগানিস্তানের ক্ষমতা গিয়েছে তালিবানদের হাতে। ইতিমধ্যে সে দেশে সরকারও গঠন করেছে তাঁরা। তবে আফগানিস্তাণে তালিবানদের উত্থানে জঙ্গিদের একাংশ নতুন করে চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। আর তাতেই চিন্তার ভাঁজ পড়ছে বিশ্বের প্রথম সারির দেশ গুলিতে।

যদিও এই বিষয়ে সেভাবে মুখ খুলতে চায়না কোনও দেশই। উল্টে তালিবানদের সমর্থনই করেছে চিন, পাকিস্তান সহ একাধিক দেশ। সেই তালিকাতে যদিও রয়েছে রাশিয়াও। তবে এই অবস্থায় আফগানিস্তান ইস্যু নিয়ে আলোচনা চায় রাশিয়া। সেই মঞ্চে ভারতকেও পাশে চান পুতিন। আর সেই কারনে ভারতকে আমন্ত্রণও জানানো হয়েছে।
ইতিমধ্যে ভারত সেই আমন্ত্রণ স্বীকার করে নিয়েছে।
শুধু তাই নয়, তালিবানদের সঙ্গে হতে চলা এই আলোচনাতে ভারত অংশ নিচ্ছে বলে জানিয়েছে বিদেশমন্ত্রক। উল্লেখ্য, আন্তজার্তিক আলোচনা সভাতে ইতিমধ্যে তালিবানদের প্রতিনিধিদের উপস্থিত থাকার কথা জানিয়েছে রাশিয়া। চলতি মাস অর্থাৎ অক্টোবর ২০ তারিখ মস্কোতে এই সংক্রান্ত সম্মেলন বসার কথা রয়েছে।
এই সম্মেলনে চিন, আমেরিকা সহ একাধিক দেশের থাকার কথা রয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে যে, তাঁরা রাশিয়াতে হতে চলা এই সম্মেলনে অংশ নেবে। এখনও পর্যন্ত তালিবান ইস্যুতে কোনও মন্তব্য করেনি ভারত। সমর্থন ইস্যুতে কিছুই বলেনি মোদী সরকার। এই অবস্থায় যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে এই বৈঠক। শুধু তাই নয়, এই বৈঠকের পর তালিবান ইস্যুতে ভারত কোন পথে এগোবে সেদিকেই নজর আন্তজারতিক মহলের।
প্রসঙ্গত চলতি বছরের মার্চ মাসে মস্কো আফগানিস্তান নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করেছিল। এতে আমেরিকা ছাড়াও চিন ও পাকিস্তান অংশ নেয়। আলোচনা শেষে যৌথ বিবৃতিতে আলোচনা করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার কথা বলা হয়। যদিও এই আলোচনার পরেই আফগামিস্তান থেকে আমেরিকা সেনা সরানোর কথা বলে।
আর এরপরেই ২০ বছরের যুদ্ধ শেষে আফগানিস্তানের মাটি থেকে সেনা সরিয়ে নিয়েছে আমেরিকা। তবে আফগানিস্তানে ফের একবার তালিবানদের উত্থান নিয়ে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে মস্কোর কপালেও। নতুন করে সন্ত্রাসবাদ মাথা চাড়া দিতে পারে বলেও আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পরপরই রাশিয়া তাজিকিস্তানের সেনাবাহিনীর সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশ নেয়। তাজিকিস্তানে রাশিয়ার একাধিক সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। ফলে চিন্তা আরও বেড়েছে। তাজিকিস্তানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনাও হয়েছে। তবে আফগানিস্তান নিয়ে আরও আলোচনা চায় রাশিয়া। আর সেই কারনেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications