বিদেশীদের বিশেষ 'আয়ুষ ভিসা' দেবে ভারত ঘোষণা মোদীর
বিদেশীদের বিশেষ 'আয়ুষ ভিসা' দেবে ভারত ঘোষণা মোদীর
ভারতের প্রাচীন আয়ুর্বেদ চিকিৎসাকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরার একটি অভিনব প্রচেষ্টা শুরু করল মোদী সরকার৷ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বুধবার গুজরাতের গান্ধীনগরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডিজি ডঃ টেড্রোস আধানম ঘেব্রেয়াসুসের উপস্থিতিতে বিশ্ব আয়ুষ বিনিয়োগ ও উদ্ভাবন শীর্ষ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। এদিন তিনি বলেন যে ভারত বিদেশী নাগরিকদের জন্য একটি বিশেষ আয়ুষ ভিসা বিভাগ চালু করতে চলেছে, দেশের আয়ুর্বেদ চিকিৎসার সুযোগ নেওয়ার জন্য যারা দেশে আসতে চায় তাঁরা এই বিশেষ ভিসার সুযোগ নিতে পারবেন৷ এদিন তিনি ভারতের ঐতিহ্যগত চিকিৎসা সুবিধা নেওয়ার জন্য বিদেশীদের আমন্ত্রণও জানান।

ভারতের আয়ুর্বেদিক ওষুধের চাহিদা রয়েছে বিদেশে
ভারতের আয়ুর্বেদিক ওষুধের বিদেশী নাগরিকদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মোকাবিলার জন্য, প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেছেন, 'যারা আয়ুষ থেরাপির সুবিধা নিতে ভারতে আসতে চায় সেই সমস্ত বিদেশী নাগরিকদের জন্য একটি বিশেষ আয়ুষ ভিসা বিভাগ চালু করতে চলেছে সরকার।' এদিন তাঁর ভাষণে, প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন যে আয়ুষের ক্ষেত্রে বিনিয়োগ এবং উদ্ভাবনের সম্ভাবনা সীমাহীন। তিনি আরও যোগ করেন, 'আমরা ইতিমধ্যেই আয়ুষ ওষুধ, পুষ্টিপরিপূরক এবং প্রসাধনী উৎপাদনে একটি অভূতপূর্ব বৃদ্ধি প্রত্যক্ষ করছি। এবার আমরা একটি বিশেষ আয়ুষ হলমার্ক তৈরি করার পথে রয়েছি। এই হলমার্কটি ভারতে তৈরি সর্বোচ্চ মানের আয়ুষ পণ্যগুলিতে প্রয়োগ করা হবে।'

ঔষধি গাছের চাষ নিয়ে কী বললেন মোদী?
গান্ধীনগরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে ঔষধি গাছের চাষের সঙ্গে জড়িত কৃষকদের সহজেই বাজারের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুবিধা পাওয়া উচিত। এর জন্য, সরকার আয়ুষ ই-মার্কেটপ্লেসের আধুনিকীকরণ এবং সম্প্রসারণের জন্যও কাজ করছে। এখনও পর্যন্ত দেশের ১৪ টি নতুন স্টার্টআপ, ইউনিকর্ন ক্লাবে যোগ দিয়েছে বলেও জানিয়েছেন মোদী। এদিন তিনি বলেন, আমি আত্মবিশ্বাসী যে শীঘ্রই আয়ুষ নিয়ে কাজ করা স্টার্টআপও ইউনিকর্নের ক্লাবে যোগ দেবে ।

গান্ধীর দেশে আসতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছে বললেন WHO ডিজি
করোনা মহামারী সময় আয়ুষের অবদানের কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই প্রথম আয়ুষ সেক্টরের জন্য একটি বিনিয়োগ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আমি কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের সময় এরকম একটি উদ্যোগের কথা ভেবেছিলাম। ওউ সময়ে 'আয়ুষের কাড়হা' এবং অন্যান্য অনুরূপ পণ্যগুলি মানুষকে তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করেছে। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার ডিজি ছাড়াও মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী প্রবিন্দ কুমার জগনাউথ, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল এবং কেন্দ্রীয় আয়ুষ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডিজি টেড্রোস আধানম ঘেব্রেইসাস বলেছেন যে তিনি মহাত্মা গান্ধীর দেশে আসতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান বলে মনে করছেন।












Click it and Unblock the Notifications