টিকাকরণে নয়া মাইলফলক ছুঁলো ভারত, উচ্ছ্বসিত টুইট স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
টিকাকরণে নয়া মাইলফলক ছুঁলো ভারত, উচ্ছ্বসিত টুইট স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
৫ সেপ্টেম্বর শিক্ষক দিবসের আগে দেশের সমস্ত শিক্ষককে টিকাকরণের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে সরকার। এদিকে আগামী ডিসেম্বরের আগে দেশের সমস্ত প্রাপ্ত বয়স্ককে টিকা দিতে কোমড় বেঁধে মাঠে নেমেছে মোদী সরকার। যদিও বর্তমানে যে হারে করোনা টিকাকরণ চলছে তাতে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে কিনা তা নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয়। যদিও বুধবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত গোটা দেশে ৬০ কোটি করোনা টিকা ডোজ দেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

এদিকে এই মাইলস্টোন ছোঁয়ায় নতুন করে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা বার্তা জানাতে দেখা যায় নয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্যকে। এমনকী একটি উচ্ছ্বসিত টুইটও করতে দেখা যায় তাঁকে। এদিকে ভারতের প্রথম করোনা টিকাকরণ শুরু হয় চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি। প্রথমে স্বাস্থ্য কর্মী, পুলিশ সহ প্রথম শ্রেণির করোনা যোদ্ধাদের জন্য টিকাকরণের দরজা খোলা হলেও পরবর্তীতে বয়স্কদের দেওয়া হয় অগ্রাধিকার।
পরবর্তীতে গত কয়েকমাস আগেই সমস্ত আম-আদমির জন্যই খুলে দেওয়া হয় টিকাকরণের দরজা। এদিকে পরিসংখ্যান বলছে দশ কোটি টিকাকরমের মাইলস্টোন ছুঁতে ভারতের সময় লেগেছিল ৮৪ দিন। পরবর্তীতে ৩০ কোটি থেকে ৪০ কোটিতে পৌঁছাতে ভারতের সময় লেগেছিল আরও ২৪ দিন। পরবর্তীতে অগাস্টেই ৬ তারিখই ৫০ কোটি টিকাকরণের মাইলস্টোন ছুঁয়ে ফেলে ভারত। পরবর্তীতে আরও ১৯ দিনে ৬০ কোটির মাইলস্টোন ছুঁয়ে ফেলল দেশ। এমনটাই জানিয়েছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রী।
এদিকে মাঝে টিকাকরণের গতি শ্লথ হলে কেন্দ্রের দাবি বর্তমানে টিকাকরণে গতি বাড়িয়েছে তারা। এমনকী জোর দেওয়া হয়েছে ভ্যাকসিন প্রস্তুতিতেও। তাই ২০২১ সালের শেষার্ধের মধ্যে দেশের সমস্ত মানুষ করোনা টিকা পেয়ে যাবে বলে জোরালো দাবি করছেন খোদ স্বাস্থ্য মন্ত্রী। এদিকে পরিসংখ্যান এও বলছে এখনও পর্যন্ত করোনা টিকার একটি ডোজ পেয়েছেন দেশের ৩৪.৬ শতাংশ মানুষ। সেথানে করোনা টিকার দুটি ডোজই পেয়ে গিয়েছেন ১০ শতাংশ মানুষ। তবে এই হার কখন ১০০ শতাংশে গিয়ে ঠেকবে তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications