জেএনইউতে কীভাবে হামলা এবিভিপি ও বামেদের, সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্ট প্রকাশ্যে
৫ দিনে পুলিশ জেএনইউ-তে হামলার ঘটনায় কোনও গ্রেফতার করতে না পারলেও, এগোল সংবাদ মাধ্যম। ইন্ডিয়া টুডের তরফে দাবি করা হয়েছে, তারা হামলাকারীদের চিহ্নিত করেছে।
৫ দিনে পুলিশ জেএনইউ-তে হামলার ঘটনায় কোনও গ্রেফতার করতে না পারলেও, এগোল সংবাদ মাধ্যম। ইন্ডিয়া টুডের তরফে দাবি করা হয়েছে, তারা হামলাকারীদের চিহ্নিত করেছে। এই হামলা আর হিংসা পিছনে ডানপন্থী সংগঠনের সঙ্গে বামপন্থী সংগঠনও যে জড়িত তা স্পষ্ট করে দিয়েছে এই সংবাদ মাধ্যম।

ইন্ডিয়া টুডের তরফে দাবি করা হয়েছে, ৫ জানুয়ারি হিংসা নিয়ে সারা দেশে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার মধ্যেই এর হামলাকারীকে ক্যামেরার সামনে পেয়ে যায় তারা। সেই হামলাকারী স্বীকার করেছে ক্যাম্পাসের বাইরে থেকে ছাড়াও ভিতর থেকেও হামলার জন্য লোক জোগার করা হয়েছিল।
জেএনইউ-এর ফ্রেঞ্চ ডিগ্রি প্রোগ্রামের ছাত্র অক্ষত অবস্থী রবিবারের ফুটেজে নিজেকে চিহ্নিত করেছে বলে দাবি করেছে ইন্ডিয়া টুডে। নিজেকে এবিভিপির সক্রিয় কর্মী বলেও দাবি করেছে সে। সে ক্যাম্পাসে কাবেরি হস্টেলে থাকে।
হামলার সময় তার মুখ ছিল হেলমেটে ঢাকা। হাতে ছিল লাঠি। ভিডিও দেখিয়ে অবস্থী বলেছে, সেখানে হস্টেলের করিডরে দেখা গিয়েছে তাকে। সামনে যেই পড়েছে, তাকেই সে মেরেছে বলে দাবি করেছে। হাতে তার কি ছিল। প্রশ্নের উত্তরে জানিয়েছে, লাঠি। পেরিয়ার হস্টেলের কাছে একটা পতাকা থেকে সে লাঠিটা খুলে নিয়েছিল বলে জানিয়েছে। কাকে আঘাত করেছে সে। প্রশ্নেক উত্তরে জানিয়েছে, কাশ্মীরিদের মতো দেখতে একজনকে। তাকে মারার পর গেটও ভেঙেছে সে। বলেছে অভত অবস্থী। নিজের প্রসঙ্গে সে বলেছে, কানপুরের যে এলাকায় সে থাকে, সেখানে প্রতিটা রাস্তায় গুণ্ডাদের দেখা যায়। তাদের দেখেই সে শিখিছে। স্বীকারোক্তি তাঁর।
অবস্থী দাবি করেছে, ৫ জানুয়ারি দিনের শুরুতে বাম ছাত্ররা পেরিয়ার হস্টেলে হামলা চালিয়েছিল। তারই জেরে সন্ধের হামলা। কীভাবে কয়েকঘন্টার মধ্যেই লোক জোগার, প্রশ্নের উত্তরে সে এবিভিপির কর্মীদের নাম বলেছে। বাইরের অন্য ক্যাম্পাস থেকে তাদের আনা হয়েছিল। সবরমতী হস্টেলে বাম ছাত্রছাত্রী আর শিক্ষকরা বৈঠক করছিলেন। সেই সময় হামলা হওয়ায় তারা ভিতরেই আশ্রয় নেন। কীভাবে সবরমতী হস্টেলে ভাঙচুর করা হয়েছে সেকথাও জানিয়েছে সে। তাঁর আরও দাবি, সেখানে থাকা পুলিশ অফিসাররা বাম ছাত্রদের মারধরে উৎসাহিত করে।
অপর ছাত্র রোহিত শাহ জানিয়েছে, সে তার হেলমেট দিয়েছিল অবস্থীকে। রোহিত আরও বলেছে হামলাকারীদের সে বলে এটা এবিভিপির ঘর, তখন হামলাকারীরা চলে যায়। তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল রবিবারের ঘটনায় সে গর্বিত কিনা, রোহিত জানিয়েছে সে গর্বিত। রোহিত আরও দাবি করেছে, সেদিনের হামলায় জেএনইউ-এর ২০ জন এবিভিপির ছাত্র জড়িত ছিল।
কেন মুখোশ পরে হামলা, সেই প্রশ্নের উত্তরও দিয়েছে অক্ষত। তাঁর দাবি বাম ছাত্ররা ক্যাম্পাসে মুখোশ পরে হামলা চালিয়েছিল। তা দেখেই অনুসরণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে ইন্ডিয়া টুডের পক্ষ থেকে বামপন্থী ছাত্রী গীতা কুমারীর কথাও বলা হয়েছে। ইন্ডিয়া টুডের দাবি গীতা কুমারী তাদের জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্ভার রুম বন্ধ করার পিছনে সেও জড়িত ছিল।
যদিও এবিভিপির তরফে থেকে অক্ষত অবস্থী এবং রোহিত শাহকে তাদের সমর্থক মানতে অস্বীকার করেছে। সংগঠনের দাবি এবিভিপির কোনও পদেই নেই তারা। তদন্তে পুলিশকে পুরো সাহাষ্য করা হবে বলে জানিয়েছেন এবিভিপির সাধারণ সম্পাদক নিধি ত্রিপাঠী।
অন্যদিকে সিপিএম নেত্রী বৃন্দা কারাতের অভিযোগ জেএনইউতে হামলা পূর্বপরিকল্পিত।












Click it and Unblock the Notifications