'ইন্ডিয়া: দ্য মোদী কোশ্চেন': বিদেশমন্ত্রকের সমালোচনা! প্রধানমন্ত্রী মোদীর ওপরে বিবিসির সিরিজ সরাল ইউটিউব
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ওপরে বিবিসির দুই খণ্ডের সিরিজ সরিয়ে দিল ইউটিউব। এর আগে অবশ্য বিদেশমন্ত্রকের তরফে বিবিসির তৈরি 'ইন্ডিয়া: দ্য মোদী কোশ্চেন'কে প্রোপাগান্ডা পিস বলে অভিযোগ করেছিল। বিষয়টিকে অসম্মানজনক বলেও
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ওপরে বিবিসির দুই খণ্ডের সিরিজ সরিয়ে দিল ইউটিউব। এর আগে অবশ্য বিদেশমন্ত্রকের তরফে বিবিসির তৈরি 'ইন্ডিয়া: দ্য মোদী কোশ্চেন'কে প্রোপাগান্ডা পিস বলে অভিযোগ করেছিল।
বিষয়টিকে অসম্মানজনক বলেও বর্ণনা করে ভারতের বিদেশমন্ত্রক। এরপরেই গুগলের মালিকানাধীন ইউটিউব এই সংক্রান্ত ভিডিও-র অংশ সরিয়ে দেয়।

বিবিসির বর্ণনায় মোদী
বিবিসির দেওয়া বর্ণনায় 'ইন্ডিয়া: দ্য মোদী কোশ্চেন'-এ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং দেশের সংখ্যালঘুদের মধ্যে উত্তেজনার দিকটিকে তুলে ধরা হয়েছিল। সেখানে ২০০২ সালে গুজরাত দাঙ্গায় তাঁর ভূমিকার উল্লেখ করা হয়। যে ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। বিবিসির তৈরি এই ভিডিও প্রযোজনা করেছেন রিচার্ড কুকসন।
বিদেশমন্ত্রকের অবস্থান
ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি বলেছেন, ভারতে সেই ভিডিওর সম্প্রচার করা হয়নি। তবে বিষয়টিকে তিনি কুখ্যাত বিষয়কে নিয়ে পরিকল্পিত একটি প্রচারমূলক অংশ হিসেবে অভিহিত করেছেন। বিষয়টির মধ্যে পক্ষপাত, সঠিক তথ্যের অভাব এবং ঔপনিবেশিক মানসিকতা রয়েছে বলেও অভিযোগ করেছিলেন। এইকাজের উদ্দেশ ও অ্যাজেন্ডা আশ্চর্য করেছে বলেও তিনি বলেছেন।

ব্রিটেনেও সমালোচনার মুখে
হাউস অফ লর্ডসের সদস্য লর্ড রামি রেঞ্জার বিষয়টি নিয়ে বিবিসির নিন্দা করার পরে ওই ভিডিও ব্রিটেনেও সমালোচনা মুখে পড়ে। একটি টুইটে রামি বিবিসির বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবেদনের অভিযোগ করেন। সেখানে তিনি বলেন, এই প্রতিবেদন ১০০ কোটির বেশি ভারতীয়কে আঘাত করেছে। বিষয়টি গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী, ভারতীয় পুলিশ ও বিচারবিভাগকে অপমান করেছে। তিনি দাঙ্গা ও প্রাণহানির নিন্দা করার পাশাপাশি পক্ষপাতমূলক প্রতিবেদনেকও নিন্দা করেন।

বিশ্বের বৃহৎ গণতন্ত্রের অপমান
মোদীর বিরুদ্ধে এই প্রচার কর্মসূচিকে অসুস্থ চিন্তা ভাবনা বলেও অভিযোগ করে হাউস অফ লর্ডসের সদস্য লর্ড রামি রেঞ্জার বিষয়টিকে বিশ্বের বৃহৎ গণতন্ত্রের অপমান বলে চিহ্নিত করেন।
অন্যদিকে বেশ কিছু সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী বিবিসির এই সিরিজ নিয়ে বলেছেন, তাদের উচিক ১৯৪৩ সালে বাংলার দুর্ভিক্ষের ওপর একটি সিরিজ তৈরি করা। তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিলের অধীনে অপুষ্টিতে প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। কেউ কেউ বলেছেন, বিবিসির উচিত, 'ইউকে: দ্য চার্চিল কোশ্চেন' শুরু করা।












Click it and Unblock the Notifications