মোদী-জমানায় বাণিজ্য ক্ষেত্রে নয়া অধ্যায় শুরুর পথে! গোয়েলের চিঠি পৌঁছল ইউরোপে

মোদী-জমানায় বাণিজ্য ক্ষেত্রে নয়া অধ্যায় শুরুর পথে! গোয়েলের চিঠি পৌঁছল ইউরোপে

গত ৮ মে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ভারতের মধ্যে একটি সামিটে বিলগ্নীকরণ সংক্রান্ত একাধিক আলোচনা হয়। আলোচনয়া বহু বছর ধরে স্তব্ধ হয়ে থাকা ইইউ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত চুক্তি ফের একবার শুরু করার বিষয়টি উঠে আসে। এরপর এদিন বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হয়ে ভারতের তরফ থেকে নেওয়া হল প্রথম পদক্ষেপ। ভারতের বাণিজ্য বিষয়ক মন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের চিঠি গেল ইউরোপীয় কমিশনের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ভালদিস দোমব্রোভস্কিজের কাছে।

পীযূষ গোয়েলের চিঠি ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন

পীযূষ গোয়েলের চিঠি ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন

প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালে ভার- ইইউ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ চুক্তির কার্যকলাপ শুরু হয়। এরপর ২০১৩ সাল পর্যন্ত তা সাসপেনশনে ছিল। এই সময় বাণিজ্যের উন্মেষে এই পথ খোলা রাখতে ১৬ টি পর পর বৈঠক হয়। পরবর্তীকালে ৮ মে এই বিষয়টি খোলার রাস্তার রূপরেখা তৈরি হয়। পোর্তো সামিটে তা নিয়ে আলোচনা হয়। এরপরই কেন্দ্রীয় বাণিজ্য বিষয়ক মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল তাঁর ইউরোপীয় কাউন্টারপার্ট ভালদিস দোমব্রোভস্কিজকে চিঠি পাঠান। এই বিষয়ে যাতে আলোচনা শুরু হয় তার জন্য ভারত কার্যত উদ্যোগী হয় এই চিঠির মাধ্যমে।

মোদী জমানায় বাণিজ্যের নতুন দিশা!

মোদী জমানায় বাণিজ্যের নতুন দিশা!

প্রসঙ্গত, বহু বছর ধরে কার্যত স্তিমিত হয়ে থাকা এক ব্যবসায়িক সম্ভাবনা নতুন করে মোদী সরকারের হাত ধরে উজ্জীবিত হতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। এদিন ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতি পীযূষ গোয়েলের চিঠিকে সেরকমই একটি সম্ভাবনাময় দিক বলে মনে করা হচ্ছে। চিঠিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জোর দিয়েছেন 'ফ্রি ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট' ও বিনিয়োগের ওপর। এর হাত ধরে অবাধ ব্যবসায়িক পথ মোদী সরকার খুলতে পারে কি না, তা নিয়ে রয়েছে জল্পনা।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও বাণিজ্য

ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও বাণিজ্য

মূলত ইউরোপীয় ইউনিয়ন 'স্ট্যান্ড অ্যালোন এগ্রিমেন্ট' এর দিকেই চিরকাল ঝুঁকেছে। একপাক্ষিকতা থেকে সরে এসে যাতে দ্বিপাক্ষিক হিতেই এই ব্যবসায়িক উদ্যোগের সফর এগিয়ে যায়, সেদিকে বারবার জোর দিয়েছে পীযূষ গোয়েলের নেতৃত্বাধীন ভারতের বাণিজ্য বিষয়ক মন্ত্রকও। ফলে আলোচলা ফলপ্রসূ করার দিকে এগিয়েছে এই পদক্ষেপ।

 ইইউ ও কিছু বিশ্লেষণ

ইইউ ও কিছু বিশ্লেষণ

ইতিহাস বলছে , এর আগে বহুবার ইইউ ও ভারত এফটিএ দ্বারা সুবিধা পায়। প্রসঙ্গত, বিশ্লেষণ বলছে, ইউ ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তর রপ্তানীর বাজার। অন্যদিকে, ভারতও ইউইউর কাছে গুরুত্ব পেতে শুরু করেছে বাণিজ্য ও অর্থনীতির উন্নতির দিক থেকে, সেই জায়গা থেকে ২০২১ এ দাঁড়িয়ে পীযূষ গোয়েলের এই উদ্যোগ ফলপ্রসূ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

 অপেক্ষার কাউন্টডাউন

অপেক্ষার কাউন্টডাউন

আপাতত পীযূষ গোয়েলের হাত ধরে যে চিঠি ভারত ইউরোপীয় ইউনিয়নকে পাঠিয়েছে তার জবাব ভালদিস দোমব্রোভস্কিজের তরফে আসেনি। ইন্দো পেসিফিক বাণিজ্য ক্ষেত্রে এই দুই পক্ষ নতুন বাণিজ্যিক উদ্যোগের হাত ধরে যাতে সার্বিক উন্নয়নের পথে হাঁটতে পারে, সেই মর্মেই আশা সমস্ত মহলের।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+