চলছে লকডাউন, সঙ্গে দোসর পেট্রোপণ্যের আগুনে দাম! ফের দেশে পাইকারি মুদ্রাস্ফীতির নয়া রেকর্ড
ফের দেশে পাইকারি মুদ্রাস্ফীতির নয়া রেকর্ড
চলছে লকডাউন, সঙ্গে দোসর পেট্রোপণ্যের লাগামছাড়া মূল্যবৃদ্ধি। এমনকী গত একমাসে প্রায় ২০ বারের বেশি বেড়েছে পেট্রোল ডিজেলের দাম। এমতাবস্থায় মধ্যবিত্তের কপালে চিন্তার ভাঁজ আরও চওড়া করে নয়া রেকর্ড করল মে পাইকারি বাজারে মুদ্রাস্ফীতির হার। বর্তমানে যা পৌঁছেছে ১২.৯৪ শতাংশে। এর আগে এপ্রিলে দেশের পাইকারি মুদ্রাস্ফীতি ছিল ১০.৪৯ শতাংশ। মার্চে মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল ৭.৩৯ শতাংশ। কিন্তু মে মাসের মুদ্রাস্ফীতির হার ভেঙে ফেলল অতীতের সমস্ত রেকর্ডই।

এদিকে নয়া রেকর্ডে নতুন করে মাথায় হাত আম জনতার। যদিও এর জন্য পেট্রোপণ্যের লাগাম ছাড়া মূল্যবৃদ্ধিকেই কাঠগড়ায় তুলছেন বিশেষজ্ঞরা। বর্তমানে দেশের বহু জায়গায় পেট্রোলের দাম ১০০-র গণ্ডি ছাড়িয়েছে। এমনকি ডিজেলও ইতিমধ্যেই ১০০-র গণ্ডি পার করেছে রাজস্থানে। বাকি বহু জায়গাতেই ডিজেল ১০০ ছুঁইছুঁই। আর তাতেই নাভিশ্বাস উঠছে আম দনতার।
এদিকে গত বছর মার্চে দেশে পাইকারি মূল্যসূচক দাঁড়িয়েছিল ০.৪২ শতাংশে। যা চলতি বছরে একলাফে ৭.৩৯ শতাংশে পৌঁছায়। অন্যদিকে গত বছরের এপ্রিলে এই হার ছিল – ১.৫৭ শতাংশ। যা এবারে একেবারে ১০.৪৯ শতাংশে। এদিকে অর্থনীতিবিদের মতে, মুদ্রাস্ফীতির অবশ্যম্ভাবী প্রভাব পড়বে পাইকারি বাজারে। যার জেরেই আকাশ ছোঁয়া হচ্ছে শাক-সব্জির দাম।
যদিও খাদ্য সামগ্রীর পাইকারি মূল্যের উপর মুদ্রাস্ফীতির হার তুলনামূলক ভাবে অনেকটাই কম। মে মাসে এই হার দাঁড়িয়েছে ৪.৩১ শতাংশে। এদিকে এর আগে ২০১২ সালে অক্টোবরে ৭.৪% শতাংশে পৌঁছেছিল পাইকারি বাজারে মুদ্রাস্ফীতির হার। কিন্তু বর্তমানে দেশের সঙ্কটময় পরিস্থিতিতে সেই রেকর্ড অনেক আগেই ভেঙেছে। এর জন্য অবশ্য দ্বিতীয় পর্বের করোনা লকডাউনকেও দুষছেন অনেকে।












Click it and Unblock the Notifications