মোদীর নেতৃত্বাধীন ভারতের দিতে তাকিয়ে বিশ্ব! 'টিফিন পে চর্চা'য় বললেন যোগী আদিত্যনাথ
নরেন্দ্র মোদীর দূরদর্শী নেতৃত্ব আর অক্লান্ত পরিশ্রমের কারণে সারা বিশ্বে ভারতের মর্যাদা বেড়েছে। মোদী সরকারের নয় বছর পূর্তি উপলক্ষে মহা সম্পর্ক অভিযানের পাশাপাশি টিফিন পে চর্চায় এমনটাই মন্তব্য করলেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি এই কথা বলেন গোরক্ষপুরে।
যোগী আদিত্যনাথ বলেন, যখন আমরা নিজেদের বিশ্বাস অর্জনের কথা বলি, তখন এর অর্থ খুব বেশি হয় না। কিন্তু যখন বিশ্ব ভারতের কাজকে স্বীকৃতি দেয়, তখন এটি একটি সত্যিকারের সম্মান, বলেন যোগী আদিত্যনাথ। নরেন্দ্র মোদী সরকারের নয় বছর পূর্তিতে উত্তর প্রদেশে বিজেপি ১৪ ধরনের কর্মসূচি নিয়েছে। যোগী দলীয় কর্মীদের সেইসব কর্মসূচিতে যোগ দিতে আহ্বান করেছেন।

যোগী আদিত্যনাথ বলেছেন, গোরক্ষপুরের সার কারখানা, এইমস তৈরি এবং এনকেফেলাইটিস দূর করতে পেরেছে গোরক্ষপুর। সার কারখানাটি ১১০ শতাংশ সক্ষমতায় চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
যোগী আদিত্যনাথ বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদীক নয় বছরের শাসন, সুশাসন ও দরিদ্রদের কল্যাণে নিবেদিত ছিল। করোনার সময় থেকে দেশের ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে রেশন দেওয়া হয়েছে। উজ্জ্বলা প্রকল্পে বিনামূল্যে রান্নার গ্যাসের সংযোগ দেওয়া হয়েছে। ৩.৫ কোটি দরিদ্রকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় পাকা ঘর করে দেওয়া হয়েছে।
তিনি দাবি করেন, ২০১৪ সালের পরে মোদীর নেতৃত্বে দেশে ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটেছে। তিনি দাবি করেন বিশ্বে এখন ভারতীয় ও এনআরআইদের সম্মান বেশি। তিনি এব্যাপারে সম্পত্তি পাপুয়া নিউগিনি সফরে মোদীর পা ছুঁয়ে সেখানকার প্রধানমন্ত্রীর প্রণাম করার ঘটনার কথা উল্লেখ করেন।

যোগী আদিত্যনাথ বলেন, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী মোদীকে বস বলে সম্বোধন করেছেন। যোগী বলেন ২০১৪ সালের আগে কাশ্মীরের ব্যাপকভাাবে জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটত। কিন্তু এখন ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারে পরে সেখানে শান্তি, সম্প্রীতি এবং উন্নয়নের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বিজেপি শুধুমাত্র বিশ্বের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলই শুধু নয়, এটি মূল্যবোধ ও আদর্শের প্রতি নিবেদিত সাধারণ মানুষ ও কর্মীদের দল। দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার পরে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর টিফিন বক্স খুলে কর্মীদের সঙ্গে খাওয়া শুরু করেন।
তিনি বলেন, এক জেলা এক মেডিক্যাল কলেজ ধারণা বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রতিদিন ৩৫ কিমি মহাসড়ক তৈরি করা হচ্ছে। নতুন রেলপথ তৈরি হচ্ছে। পরিকাঠামো, বিমানবন্দর তৈরির মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রেও অভূতপূর্ণ উন্নয়ন হয়েছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিভঙ্গি হল স্লিপার পরা একজন নাগরিক যেন বিমানে ভ্রমণ করতে পারেন।












Click it and Unblock the Notifications