ভ্যাকসিনের দু'টি ডোজ মিক্স করার পথে ভারত, ভেলোর CMC তে হবে ট্রায়াল
ভ্যাকসিনের দু'টি ডোজ মিক্স করার পথে ভারত, ভেলোর CMC তে হবে ট্রায়াল
ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার নানা পন্থা খুঁজছে বিশ্ব। বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে ভ্যকসিনের দু'টি ডোজের সুরক্ষা বলয়ও ভাঙছে কোভিডের ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট। এরপরই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নতুন করে গবেষণা শুরু হয়েছে ভ্যাকসিনকে কিভাবে কার্যকরী করা যায় সে নিয়ে। এই গবেষণারই একটি অংশ হল দু'টি আলাদা কোম্পানির ভ্যাকসিনের ডোজ মিশিয়ে মানুষের শরীরে সুরক্ষা বৃদ্ধির পরীক্ষা৷ সেটিই এবার শুরু করতে চলেছে ভারত।

কোভিশিল্ড এবং কোভ্যাক্সিন মিশিয়ে তার শংকর ডোজ প্রয়োগ করা হোক, এবার এমনটাই উপদেশ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। সাবজেক্ট এক্সপার্ট কমিটি এবং সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশনের বৈঠকে উঠে এল এমনই পরামর্শ৷ বৈঠক শেষে কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াইতে এমন পথেই হাঁটতে চাইলেন বিশেষজ্ঞরা।
একটি সর্বভারতীয় বৈদ্যুতিন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাবজেক্ট এক্সপার্ট কমিটি দুই ভ্যাকসিনের ডোজকে মিশিয়ে তা প্রয়োগের পক্ষে সওয়াল করেছে৷ ভেলোরের খ্রিস্টান মেডিক্যাল কলেজে শীঘ্রই এই শংকর ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরুর কথাও বলা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের আশা, এই দুই পৃথক ভ্যাকসিন একত্রে মিশিয়ে ব্যবহার করলে তার কার্যকারিতা বৃদ্ধি পাবে৷ যেহেতু করোনা ভাইরাসও মিউটেশনের মাধ্যমে নিজের চরিত্র বদল করছে ঘনঘন। ভ্যাকসিনের শংকরায়ন তার বিরুদ্ধে আরও বেশি কার্যকর হতেই পারে৷ ভেল্লরের খ্রিস্টান মেডিক্যাল কলেজই এই আবেদন করে৷ শেষমেশ এই আবেদন অনুসারে ভ্যাকসিন দু'টি মেশানো হলে এটিই হবে ভারতের প্রথম মিশ্রিত টিকা। বিশেষজ্ঞদের আশা, এরকম হলে মানবদেহে তুলনামূলকভাবে করোনা প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়তে পারে আগের থেকে৷
এর আগেও ভ্যাকসিনের সুরক্ষা কবজ শক্তিশালী করার জন্য একাধিক পরীক্ষা নিরীক্ষা চালিয়েছে সারা বিশ্বের গবেষকরা৷ কিছুদিন আগেই জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মর্কেল দুটি ভ্যাকসিনের ডোজ মিশিয়ে নিয়েছেন৷ ফাইজার ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক কোম্পানিও যে কোনও ভ্যাকসিনের সঙ্গে তাদের তৃতীয় বুস্টার ডোজ নেওয়ার কথা বলেছে৷
নতুন করে ভারত ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে৷ ভারতে দৈনিক সংক্রমণ ৪০ হাজারের গন্ডি পার করেছে৷ বেড়েছে মৃত্যু হারও৷ এসময় করোনার ডেল্টা স্ট্রেনের থেকে বাঁচার চেষ্টার কোন দিকই ছাড়তে রাজী নন গবেষকরা৷ ল্যানসেট পত্রিকায় প্রকাশিত একটি গবেষণায় উঠে এসেছে চমকপ্রদ তথ্য৷
ল্যানসেট জানিয়েছে অ্যাস্ট্রজেনকা এবং ফাইজারের দুটি ডোজ নেওয়ার ৬ সপ্তাহ পর থেকে মানুষের শরীরে তৈরি হওয়া অ্যান্টিবডি কমতে থাকে৷ ৮ সপ্তাহের মধ্যে কমে যায় ৫০ শতাংশ অ্যান্টিবডি৷












Click it and Unblock the Notifications