আছড়ে পড়তে পারে করোনার তৃতীয় ঢেউ! সাপ্তাহিক লকডাউনে হবে না কাজ, আশঙ্কার কথা এইমস ডিরেক্টরের মুখে
ভয়ঙ্কর থেকে ভয়ঙ্করতম হচ্ছে দেশের করোনা পরিস্থিতি। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ফের সাড়ে তিন লক্ষের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। দেশে সবমিলিয়ে মোট আক্রান্ত ২ কোটি ছাড়িয়ে গিয়েছে। পাল্লা দিয়
ভয়ঙ্কর থেকে ভয়ঙ্করতম হচ্ছে দেশের করোনা পরিস্থিতি। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ফের সাড়ে তিন লক্ষের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন।

দেশে সবমিলিয়ে মোট আক্রান্ত ২ কোটি ছাড়িয়ে গিয়েছে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও।
অক্সিজেন থেকে অ্যাম্বুলেন্স দেশজুড়ে হাহাকার। মিলছে না হাসপাতালের বেডও। এই অবস্থায় করোনার ওষুধ নিয়েও শুরু হয়েছে কালোবাজারি। কয়েক হাজার টাকায় কিনতে হচ্ছে ওষুধ। কবে কাটবে এই সঙ্কট! উত্তর নেই।
আর এই আতংকের মধ্যেই আরও এক আশঙ্কার কথা শোনালেন 'অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস অর্থাৎ এইমসের ডিরেক্টর রণদীপ গুলেরিয়া।
একদিকে যখন করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের বিপর্যস্ত ভারতবাসী, সেই সময়ে তাঁর বার্তা, তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে দেশে। আর তা রুখতে এখন থেকেই সতর্ক হওয়ার বার্তা এইমসের ডিরেক্টরের।
দ্বিতীয় পর্যায়ের সংক্রমণ রুখতে ইতিমধ্যে কয়েকটি রাজ্য লকডাউন, আংশিক লকডাউন ঘোষণা করেছে। এমনকি রাতের কার্ফুও জারি করেছে। অন্য রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে যাওয়া আসার ব্যাপারেও সতর্কবার্তা নেওয়া হচ্ছে।
কিন্তু এইমসের ডিরেক্টর রণদীপ গুলেরিয়ার বার্তা, এই সব করে কোনও কিছুই হবে না। তাঁর মতে, মারণ করোনার সংক্রমণের চেন ভাঙতে দীর্ঘকালীন লকডাউনের পথে হাঁটতে হতে পারে।
কার্যত একই কথা বলছে আদালত। গত কয়েকদিন আগে আদালত বলে, অবিলম্বে কেন্দ্র এবং রাজ্যের উচিত লকডাউন করা।
কিন্তু এখনও এই বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি মোদী সরকার। অন্যদিকে সংক্রমণ রুখতে ৩ টি বিষয়ের উপর নজর দেওয়া উচিত বলে মনে করেন এইমসের ডিরেক্টর রণদীপ গুলেরিয়ার।
তাঁর মতে প্রথমত, হাসপাতালগুলির পরিকাঠামো উন্নয়নের দিকে জোর দিতে হবে।
দ্বিতীয়ত, সংক্রমণ ঠেকাতে অতিসক্রিয়তা দেখাতে হবে। তৃতীয়ত, টিকাকরণ কর্মসূচি চালিয়ে যেতে হবে। অক্সিজেন সরবরাহের মতো আপৎকালীন বিষয়গুলিতে আরও গুরুত্ব দেওয়ার কথাও বলেছেন তিনি। অন্যদিকে তৃতীয় ওয়েভের আশঙ্কায় মহারাষ্ট্র।
বিশেষজ্ঞদের ইঙ্গিত, এবার রেহাই পাবেন না শিশুরা। তাই সেই কথা মাথায় রেখেই প্রস্তুতি শুরু করেছে মুম্বই। মুম্বইয়ের বৃহন্মুমুম্বই কর্পোরেশন শিশুদের জন্য তৈর করছে পেডিয়াট্রিক কোভিড কেয়ার ফেসিলিটি।
সেই সঙ্গে যে সব শিশুদের বাবা-মায়েরা আক্রান্ত হচ্ছেন, তাদের জন্য বিশেষ ক্রেশ তৈরি করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, আগামী জুলাই মাসেই আসছে থার্ড ওয়েভ। আর তাতে শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে বেশি। আগামী দু'মাসের মধ্যে মুম্বইতে 'নেসকো জাম্বো কোভিড সেন্টার'-এ তৈরি করা হবে পেডিয়াট্রিক ওয়ার্ড। ১২ বছরের কম বয়স শিশুদের চিকিৎসার ব্যবস্থা থাকবে সেখানে।
ইস্ট গুরগাঁওতে তৈরি হবে সেই চিকিৎসা কেন্দ্র। সেখানে থাকবে ৭০০ বেড।
এ ছাড়া শিশুদের জন্য 'নিওনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট' ও 'পেডিয়াট্রিক ইনসটেনসিভ কেয়ার ইউনিট' তৈরি করা হবে, প্রত্যেকটিতে থাকবে ২৫টি করে বেড।
এছাড়াও আরও একগুচ্ছ ব্যবস্থা নিতে চলেছে মহারাষ্ট্র সরকার।












Click it and Unblock the Notifications