ভারত লকডাউন: কী কী খোলা থাকবে! স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের বড় ঘোষণা
ভারত লকডাউন: কী কী খোলা থাকবে! স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের বড় ঘোষণা
করোনা পরিস্থিতি ক্রমাগত দেশকে এক আশঙ্কাজনক দিকে নিয়ে যাচ্ছে। দেশে ৫১৯ জন মানুষ এই মুহূর্তে আক্রান্ত এই মারণ রোগে। আর তার জেরেই প্রধানমন্ত্রী ২৪ মার্চ মধ্যরাত থেকে ২১ দিনের সম্পূর্ণ ভারত লক ডাউন রাখার ঘোষণা করেন। এমন পরিস্থিতিতে কোন কোন অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা খোলা থাকবে তা নিয়ে বিক্ষপ্তি জারি করেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। দেখে নেওয়া যাক সেই তালিকা।

মিলবে গ্যাস সিলিন্ডার থেকে অত্যাবশ্যকীয় জিনিস
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছে, প্রতিরক্ষা, সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ, ট্রেজারি খোলা থাকবে। মিলবে গ্যাস সিলিন্ডার, পেট্রোলিয়াম জাত পদার্থ। বিদ্যুৎ পরিষেবা মিলবে। এছাড়াও আর্লি ওয়ার্নিং এজেন্সিস, ন্যাশনাল ইনফরমেটিক্স সেন্টার খোলা থাকবে। এগুলি বাদে, কেন্দ্রের আওতায় থাকা স্বায়াত্বশাসিত বা অধিনস্ত এবং পাবলিক কর্পোরেশনের অফিস বন্ধ থাকবে।

কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুবির ক্ষেত্রে কী নিয়ম?
কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির ক্ষেত্রে , পুলিশ,হোমগার্ড, দমকল, সিভিল ডিফেন্স, ইমার্জেন্সি পরিষেবা খোলা থাকবে। জেলা প্রশাসন ও ট্রেজারি খোলা থাকবে। বিদ্যুৎ, জল, স্যানিটাইজেশন সংক্রান্ত দফতর খোলা থাকবে। পুরসভার অত্যাবশ্যকীয় কাজ চালু থাকবে। বাকি সায়াত্ত্ব ও কর্পোরেশনের অফিসগুলি বন্ধ খাকবে।

যে অফিসগুলি চালু থাকবে তা নিয়ে বার্তা
কেন্দ্র জানিয়েছে যে অফিসগুলি চালু রাখার কথা বলা হয়েছে, সেগুলিতে যেন খুবই কম সংখ্যক কর্মী আসেন। প্রয়োজনে ওয়ার্ক ফ্রম হোম -এ কাজের বার্তা দেওয়া হয়েছে।

খেলা থাকবে হাসপাতাল
হাসপাতাল ও চিকিৎসা সংক্রান্ত সমস্ত কিছু খোলা থাকবে। ওষুধের দোকানও থাকবে খোলা। খোলা থাকবে ব্য়াঙ্ক, ইনশিওরেন্স অফিস , এটিএম। চালু থাকবে ইন্টারনেট, কোল্ড স্টোরেজ,টেলিকমিউনিকেশন দফতরের অফিস, সম্প্রচারের অফিস। চালু থাকবে গণমাধ্যম। তবে যতটা সম্ভব সংযোগ রক্ষাকারী দফতরের কর্মীরা ওয়ার্ক ফ্রম হোম যাতে করতে পারেন, তার বিষয়ে সচেষ্ট হওয়ার বার্তা দিয়েছে কেন্দ্র।

সবজি থেকে দুধ সবই পাওয়া যাবে
ব্যবসায়িক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও সবজি থেকে দুধের দোকান খোলা থাকবে। মুদি খানার সমস্ত জিনিস পাওয়া যাবে। দোকানও খোলা থাকবে। মাছ, মাংস মিলবে বাজারে। এক্ষেত্রে বাড়িতে পৌঁছে যায় খাবার এমন ব্যবস্থা যদি স্থানীয় প্রশাসন নেয়, তাহলে তাকে স্বাগত জানানো হয়েছে।

পরিবহন থেকে স্কুল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ
শিল্প ক্ষেত্রে কারখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে। সেক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের অনুমোদন প্রয়োজন। এছাড়াও সমস্ত পরিবহন বন্ধ থাকবে। শুধু অত্যাবশ্যকীয় জিনিস পরিবহনই একমাত্র চালু থাকবে। বন্ধ থাকবে ধর্মীয় স্থান, হোটেল থেকে হোমস্টে। রাজনৈতিক থেকে সামাজিক, ধার্মিক সমস্ত জামায়েত বন্ধ থাকবে।

হোম কোয়ারেন্টাইন নিয়ে বার্তা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছে, ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে যাঁরা ভারতে এসেছেন, তাঁরা যেন হোম কায়ারেন্টাইনে থাকেন। এবিষয়ে ভারত কড়া পদক্ষেপ নেবে। যদি তা না করা হয় তাহলে আইপিসি ১৮৮ ধারায় মামলা দায়ের হবে ও পদক্ষেপ গৃহিত হবে।












Click it and Unblock the Notifications