ব্রিটেন-কানাডায় হিন্দু মন্দিরে হামলা ও শিখ উগ্রপন্থা! কড়া পদক্ষেপের পথে মোদী সরকার
ব্রিটেন-কানাডায় হিন্দু মন্দিরে হামলা ও শিখ উগ্রপন্থা! কড়া পদক্ষেপের পথে মোদী সরকার
সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনাবলীর ওপরে নজর রাখছে নরেন্দ্র মোদী সরকার। যেখানে দেশের স্বার্থ সরাসরি জড়িত। ব্রিটেন ও কানাডায় হিন্দু মন্দিরের ওপরে হামলার পাশাপাশি শিখ উগ্রপন্থা মাথা চাড়া দিয়েছে। এইসব বিষয় পর্যবেক্ষণ করছে ভারত সরকার। তাদেরকে কড়া বার্তা পাঠানোর আগে বিভিন্ন বিকল্প চিন্তাভাবনা করছে সরকার।

ব্রিটেন-কানাডার অবস্থানে ক্ষুব্ধ ভারত
সাম্প্রতিক সময়ে লিসেস্টারে ভারতীয় সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে হিংসা সংগঠিত হয়েছে। যা নিয়ে ব্রিটেনের কাছে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ভারত সরকার। এছাড়াও সেখানকার নিরাপত্তা সংস্থাগুলি শিখ মৌলবাদীদের মদতপুষ্ট বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনকে সমর্থন করছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে ভারত সরকারের তরফে।
ব্রিটেন ও কানাডায় যে পরিস্থিতি, তাতে ভারত সরকার চুপ না করে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেক্ষেত্রে পাক-আফগান এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ভারতের অবস্থানের কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছে।

কানাডার প্রধানমন্ত্রীই দুই অবস্থান
রাশিয়ার ইউক্রেনের যেসব এলাকায় দখলদারি বজায় রেখেছে, সেখানে গণভোটের আয়োজন করেছে। যার তীব্র নিন্দা করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। তবে তিনি ১৯ সেপ্টেম্বর নিজের দেশের অন্টারিওর ব্রাম্পটনে নিষিদ্ধ 'শিখস ফর জাস্টিস' যে গণভোটের আয়োজন করেছিল, সেই সম্পর্কে কিছু বলেননি। যার নিয়ে নরেন্দ্র মোদী সরকার কানাডা সরকারকে তিনটি কূটনৈতিক বার্তা পাঠিয়েছে। সেখানে ট্রুডো সরকারকে অবৈধ গণভোট বন্ধ করার কথাও বলা হয়েছে।
জবাবে কানাডা সরকার জানিয়েছে তারা ভারতের আঞ্চ লিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বকে সম্মান করে। তারা এই গণভোটকে স্বীকৃতি দেয় নায়। তবে কানাডার প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো যেভাবে ইউক্রেনের এলাকায় রাশিয়ার গণভোটের সমালোচনা করেছিলেন, তেমনই কানাডার শিখদের দ্বারা করা গণভোটের কোনও নিন্দা করেননি।
এব্যাপারে কানাডা সরকার বলেছে, তাদের দেশে শান্তিপূর্ণ এবং আইনগতভাবে ব্যক্তিদের সমবেত হওয়ার এবং তাদের মতামত প্রকাশ করার অধিকার রয়েছে। পাশাপাশি তারা ব্র্যাম্পটন এবং অন্টারিওতে স্বামীনারায়ণ মন্দিরে সাম্প্রতিক ভাঙচুরের ঘটনায় ব্যথিত বলে জানিয়েছে।

দুই দেশ থেকেই শিখ উগ্রপন্থায় সাহায্য
ব্রিটেন ও কানাডা কমনওয়েলথ ভুক্তে এই দুই দেশ থেকেই শিখ উগ্রপন্থায় অর্থ সাহায্য করা হয়। এছাড়াো পঞ্জাবের গ্যাংস্টারদের কেন্দ্রস্থল হয়ে দাঁড়িয়েছে কানাডা। এব্যাপারে ভার ব্রিটেন ও কানাডার পাশাপাশি আমেরিকাকেও জানিয়েছে, ভারত বিরোধী শিখ উগ্রপন্থায় কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ার ঘটনা, তাদের সঙ্গে জড়িত হওয়ার সমান হিসেবেই দেখছে মোদী সরকার।

নজর রাখছেন এস জয়শঙ্কর এবং অজিত দোভাল
দুই দেশের পরিস্থিতির ওপরে নজর রাখছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল। সাম্প্রতিক সময়ে অজিত দোভালের শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা কথা বলা হয়েছে। এব্যাপারে বলা হয়েছে, তিনি সুস্থ এবং ব্রিটেন ও কানাডার পরিস্থিতির ওপরে নজর রাখছেন।












Click it and Unblock the Notifications