INDIA in Manipur: রাজনীতি করতে নয়, মানুষের কষ্ট ভাগ করে নিতেই মণিপুরে ‘ইন্ডিয়া’র সাংসদরা
রাজনীতি করতে নয়, পরিস্থিতির মূল্যায়ন করতেই বিরোধী মহাজোট 'ইন্ডিয়া'র সাংসদরা মণিপুরে এসেছেন। বিরোধী মহাজোটের ২৬টি দলের মধ্যে ১৬ প্রধান দলের ২১ জন সাংসদরা মণিপুর পরিদর্শনে এসেছেন। তাঁরা রাজ্যে দুদিন থেকে সংঘর্ষে জর্জরিত এলাকা ঘুরে দেখবেন।
সম্প্রতি বিরোধী ২৬টি দল এক মঞ্চে এসে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টাল ইনক্লুসিভ অ্যালায়েন্স বা ইন্ডিয়া গড়েছে। সেই জোটের পক্ষ থেকেই হিংসা-কবলিত মণিপুরে ২০ সদস্যের টিম পাঠানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়। তবে সেখানে যান ২১ জন সংসদ সদস্য। অধীর চৌধুরী এই মর্মে বলেন, "আমরা মণিপুরে রাজনীতি করতে যাচ্ছি না, মণিপুরের মানুষের কষ্ট বোঝার জন্য যাচ্ছি।"

২১ জন নেতার প্রতিনিধি দলে রয়েছেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী, গৌরব গগৈ, ফুলো দেবী নেতাম, কে সুরেশ; তৃণমূলের সুস্মিতা দেব; আপ থেকে সুশীল গুপ্ত, শিবসেনা (ইউবিটি) থেকে অরবিন্দ সাওয়ান্ত, ডিএমকে থেকে কানিমোঝি করুণানিধি, জেডিইউ নেতা রাজীবরঞ্জন সিং ও অনিল প্রসাদ হেগড়ে, সিপিআইয়ের সন্তোষ কুমার, সিপিএমের এএ রহিম।
এছাড়া রয়েছে আরজেডির মনোজকুমার ঝা, সমাজবাদী পার্টির জাভেদ আলি খান, জেএমএম-এর মহুয়া মাজি, এনসিপির মহম্মদ ফয়জল, আইইউএমএলের ইটি মহম্মদ বসির, আরএসপির এনকে প্রেমচন্দ্রন, ভিসিকের ডি রবিকুমার, থিরু থোল থিরুমাবলাভান এবং আরএলডির জয়ন্ত সিং।
ইন্ডিয়া জোটের প্রতিনিধিদের এই মণিপুর সফর প্রসঙ্গে অধীর চৌধুরী বলেন, "আমরা মণিপুরে উদ্ভূত সংবেদনশীল পরিস্থিতির সমাধান খুঁজে বের করার জন্য সরকারের কাছে আবেদন করছি। এটি শুধু আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নয়, সাম্প্রদায়িক হিংসাও রয়েছে। প্রতিবেশী রাজ্যগুলিও প্রভাবিত হচ্ছে। সরকার তার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ।"
অধীরের কথায়, "আমরা মণিপুরের মাটিতে বাস্তব পরিস্থিতি মূল্যায়ন করতে এসেছি। হিংসাত্মক এলাকা পরিদর্শন করব আমরা।" শনিবার সকালে দিল্লি থেকে রওনা হয়ে দুপুরের মধ্যে ইম্ফলে পৌঁছে যান তাঁরা। তাঁরা রাজ্যের পার্বত্য অঞ্চল এবং উপত্যকার হিংস-কবলিত এলাকা পরিদর্শন করবেন দুদিন ধরে।

প্রতিনিধি দলটি রবিবার মণিপুরের গভর্নর আনুসুইয়া উইকির সঙ্গেও দেখা করবে। সংসদ সদস্যরা এ বিষয়ে সংসদে আলোচনা করতে চান। তবে সংসদে আলোচনার অনুমতি না পেলে সাংসদরা সাংবাদিক সম্মেলন করবেন বলে জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোটের প্রতিনিধিরা।
মণিপুর মারাত্মক হিংসা চলছে। মহিলাদের ধর্ষণ করা হচ্ছে, বিবস্ত্র করে রাস্তায় ঘোরানো হচ্ছে। জাতিগত বিদ্বেষ ঝেড়ে ফেলে রাজ্যকে ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা দেওয়ার সময় নেই প্রধানমন্ত্রীর। প্রধানমন্ত্রীর মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থানের মতো নির্বাচনী রাজ্যে যাওয়ার সময় আছে, কিন্তু মণিপুরের জনগণের জন্য তাঁর সময় নেই।












Click it and Unblock the Notifications