Military Exercise: পূর্ব সেক্টরের চিন সীমান্তে ব্যাপক মহড়া শুরু করল ভারত! সঙ্গী রাফালে-সুখোই
Military Exercise: পূর্ব সেক্টরের চিন সীমান্তে ব্যাপক মহড়া শুরু করল ভারত! সঙ্গী রাফালে-সুখোই
দেশের পূর্ব সেক্টরে বড় মহড়া শুরু করল ভারত। এদিন থেকে শুরু হওয়া মহড়ায় অংশ নিয়েছে ভারতীয় বিমান বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় এয়ার কমান্ড।
এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধের ক্ষমতা এবং কৌশল পরীক্ষা করতেই দুদিনের অনুশীলন।

তাৎপর্যপূর্ণ মহড়া
গত নয় ডিসেম্বর চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মির অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং সেক্টরে অনুপ্রবেশের চেষ্টা ব্যর্থ করে দেয় ভারতীয় সেনা। তারপরে সীমান্তে উত্তেজনা কমাতে দুদেশের মধ্যে ফ্ল্যাগ মিটিং-ও হয়। সেই পরিস্থিতিতে পূর্ব সেক্টরে এই মহড়া যথেষ্টই তাৎপর্যপূর্ণ। তবে এই মহড়া অনেকদিন আগে থেকেই পরিকল্পিত বলে দাবি করা হয়েছে সূত্রের তরফে। যদিও ভারতের এই মহড়ায় সতর্কিত চিন। তারা শিগাৎসে বিমানবন্দরে যুদ্ধ বিমান মোতায়েন করেছে।
|
নজরদারি চালাচ্ছে চিনও
ভারতের প্রতিরক্ষা মহড়ায় বসে নেই চিনও। তারাও দূরপাল্লার বনজরদারি ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চালাচ্ছে বলে টুইটে মন্তব্য করেছেন গোয়েন্দা বিশ্লেষক হিসেবে পরিচিত ড্যামিয়েন সাইমন। এর আগে অবশ্য সীমান্তে চিনে অনুশীলন ভারতকে তাদের ফাইটার জেটগুলিকে নিজেদের আকাশসীমার মধ্যে নজরদারিতে বাধ্য করেছিল।

কৌশল যাচাইয়ে মহড়া
এদিন থেকে যে মহড়া শুরু হয়েছে, তা হচ্ছে কমান্ড স্তরে। এর অধীনে দেশের প্রতিরক্ষায় যা যা রয়েছে, তার সবই সক্রিয় অংশগ্রহণ করছে। সূত্রের খবর অুযায়ী এক বিশেষ পরিস্থিতিতে কৌশল যাচাই করতে ইস্টার্ন এয়ার কমান্ড মহড়া চালাচ্ছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের হাসিমারায় থাকা রাফালে এবং সুখোই বিমান অংশগ্রহণ করছে। সূত্রের তরফে আরও বলা হয়েছে, এই মহড়ার উদ্দেশ্য হল, কত দ্রুত আক্রমণাত্মক প্রতিরক্ষা কৌশল ভারত নিতে পারে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মহড়ায় দেশের পূর্ব কমান্ডের ঘাঁটিগুলির মধ্যে তেজপুর, ছাবুয়া, জোড়হাট, পানাগড় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে।

দু-দেশের স্নায়ু যুদ্ধ
২০২০ থেকে ভারত-চিনের মধ্যে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় উত্তেজনা বেড়েছে। যে কারণে সতর্ক রয়েছে ভারতীয় বিমান বাহিনী। চিনের হুমকির বিরুদ্ধে লড়াই করতে ভারতীয় বিমান বাহিনীর অপারেশনাল কাঠামোতে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে।
অন্যদিকে এইবছরের মাঝামাঝি সময় থেকে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর চিনের যুদ্ধ বিমানের কার্যকলাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। যার জেরে দুদেশের বিমান বাহিনীর মধ্যে স্নায়ু যুদ্ধও দেখা দিয়েছে। তবে দুদেশের চুক্তি অনুযায়ী প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা থেকে ১০ কিমির মধ্যে কোনও সশস্ত্র যুদ্ধবিমান কিংবা হেলিকপ্টার আনা যাবে না। তবে লজিস্টিক সাপোর্টের জন্য হেলিকপ্টারের সীমা এক্ষেত্রে এক কিমি।












Click it and Unblock the Notifications