‘আত্মনির্ভর’ হচ্ছে ভারত, এপ্রিল থেকে রাজ্যগুলিতে কত মাস্ক, পিপিই, ভেন্টিলেটর সরবরাহ হল জানুন
‘আত্মনির্ভর’ হচ্ছে ভারত, এপ্রিল থেকে রাজ্যগুলিতে কত মাস্ক, পিপিই, ভেন্টিলেটর সরবরাহ হল জানুন
ইতিমধ্যেই দেশে করোনা পরিস্থিতি বেশ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। উত্তরোত্তর বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। ইতিমধ্যেই দেশে আক্রান্তের সংখ্যাও ৬ লাখ ছাড়িয়েছে। এর আগেও পিপিই, মাস্কের অভাব থাকায় কেন্দ্রের দিকে আঙুল তুলেছিল বিভিন্ন রাজ্যের সরকার। এরমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক সূত্রে খবর, ১লা এপ্রিলের পর থেকে বিভিন্ন রাজ্যগুলিতে বিপুল পরিমাণে মাস্ক, পিপিই কিট সরবরাহ করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

২ কোটি এন ৯৫ মাস্ক, ১.১৮ কোটি পিপিই কিট, ১১,০০০ ভেন্টিলেটর প্রদান
শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানায়, বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গুলিতে সরকারের তরফে বিনামূল্যে প্রায় ২ কোটি এন৯৫ মাস্ক, ১.১৮ কোটি পিপিই কিট, ১১,০০০ ভেন্টিলেটর সরবরাহ করা হয়েছে। এছাড়াও স্বাস্থ্য মন্ত্রক কর্তৃক প্রকাশিত বিবৃতিতে আরও বলা হয়, রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারও নিরলস ভাবে কোভিড-১৯ রোধ, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা কাজ করে চলেছে।

মেক ইন্ডিয়া প্রকল্পের হাত ধরে দেশেই তৈরি হয়েছে ভেন্টিলেটর
পাশাপাশি, মেকইন্ডিয়া প্রকল্পের হাত ধরে দেশেই শুরু হয়েছে ভেন্টিলেটর তৈরির কাজ। সেখানে প্রস্তুত ১১,৩০০ ভেন্টিলেটর ইতিমধ্যেই বিভিন্ন রাজ্য, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল, ও কেন্দ্রীয় সংস্থার উদ্দেশ্যে প্রেরণ করা হয়েছে বলে খবর। যারমধ্যে ৬,১১৫ টি ভেন্টিলেটর ইতিমধ্যেই বিভিন্ন হাসপাতালে ব্যবহার করাও শুরু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এছাড়াও, কেন্দ্র সরকারের তরফে বিভিন্ন রাজ্যগুলিতে প্রায় ১.০২ লক্ষ অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রেরণ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক।

করোনাকালে কতটা আত্মনির্ভর হল ভারত?
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মহামারীর শুরুতে করোনার চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় বেশিরভাগ পণ্যই দেশে উৎপাদিত হচ্ছিল না। ফলত বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অভাব দেখা দিয়েছিল সেইসব পণ্যের। এরপর, স্বাস্থ্য, বস্ত্র, ফার্মাসিউটিক্যালস, শিল্প ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য বিভাগ বা ডিপিআইআইটি,এবং প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা বা ডিআরডিও এবং অন্যান্যদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশীয় শিল্পকে প্রয়োজনীয় উৎপাদন ও সরবরাহের জন্য উৎসাহ দেওয়া হয়। ফলস্বরূপ পরবর্তীতে "আত্মনির্ভর ভারত '' এবং ''মেকইন ইন্ডিয়া''র প্রকল্পের উপর বেশি জোর দেওয়া হয় বলেই জানিয়েছে ভারত সরকার। এখন দেশেই উৎপন্ন হচ্ছে চিকিৎসার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম।

করোনার লড়াইয়ে বিশ্বকে পথ দেখাতে চলেছে ভারত
এদিকে চিকিৎসার প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের পাশাপাশি ভ্যাক্সিন তৈরিতেও বেশ খানিকটা এগিয়ে আছে ভারত। সারাদেশে আক্রান্তের সংখ্যা ৬ লক্ষ ছাড়িয়েছে, সকলেই চাতকের মত চেয়ে আছে ভ্যাক্সিনের আশায়। এরমাঝেই দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি সম্ভাব্য করোনার টিকা কোভ্যাক্সিনের ট্রায়াল ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। সব ঠিকঠাক থাকলে ১৫ই আগস্টের মধ্যেই আসতে পারে করোনার টিকা এমনটাই জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ।












Click it and Unblock the Notifications