মৎস্যজীবী হত্যাকাণ্ডে পাকিস্তানকে চরম বার্তা, ১০ পাক নৌসেনার বিরুদ্ধে মামলা ভারতের
মৎস্যজীবী হত্যাকাণ্ডে পাকিস্তানকে চরম বার্তা, ১০ পাক নৌসেনার বিরুদ্ধে মামলা ভারতের
জলসীমান্তে ভারতীয় মৎস্যজীবীকে গুলি করে হত্যা করার ঘটনায় ফুঁসছে ভারত। ইতিমধ্যেই ১০ পাকিস্তানি নৌসেনার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গুজরাতের নভি বন্দর থানা ১০ পাকিস্তানি নৌসেনার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। শনিবার বিকেলে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে ভারতীয় মৎস্যজীবীকে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে আরও এক মৎস্যজীবী। ইতিমধ্যেই ঘটনাটি নিয়ে কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে।

ভারতীয় মৎস্যজীবীকে গুলি করে হত্যা
গত শনিবার গুজরাত উপকূল থেকে মাছ ধরতে গিয়েছিস সাত মৎস্যজীবীদের একটি দল। আরব সাগরের গভীরে চলে গিয়েছিল তাঁদের নৌকা। অভিযোগ পাকিস্তানের জলসীমান্তে ঢুকে পড়েছিল ভারতীয় মৎস্যজীবীদের নৌকা। জলে যেহেতু কাঁটাতারের বেড়া থাকে না। তাইজলসীমান্ত স্পষ্ট বোঝা যায় না। নিয়ম মত নৌসেনার তরফে সতর্ক করা হয়। কিন্তু পাক নৌসেনা সেটা না করে এলোপাথারি গুলি চালাতে শুরু করেছিল। তাতে নৌকার মধ্যেই এক মৎস্যজীবীর মৃত্যু হয়। নৌকার যে চালক তার গায়ে গুলি লাগে। আশঙ্কা জনক অবস্থায় গুজরাতের হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তিনি।

পাক নৌসেনার বিরুদ্ধে মামলা
এই ঘটনায় অত্যন্ত রুষ্ট ভারত। নিয়ম না মেনে সতর্ক না করেই মৎস্যজীবীদের উপর গুলি চালানোর ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে রাজনৈতিক মহল। প্রতিবাদে পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনাও শুরু হয়েছে।এদিকে নৌকাটি ফিরে আসার পর গুজারাতের নবি বন্দর থানায় পাক নৌসেনার ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। দিলীপ নান্টু, সোলাঙ্কি নামে এক আহত মৎস্যজীবীর এই অভিযোগ দায়ের করেছে বলে জানা গিয়েছে। যে মৎস্যজীবী মারা গিয়েছেন তিনি মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে।

মৃত্যু মৎস্যজীবীর
মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা শ্রীধর রমেশ চামরে। বয়স ৩২ বছর। নৌকা ভাড়া করে সাত মৎস্যজীহীকে নিয়ে আরব সাগরে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন তাঁরা। ভারতের জলসীমা বুঝতে না পেরে সেটা পেরিয়ে পাকিস্তানের জলসীমার মধ্যে ঢুকে পড়েছিল তাঁদের নৌকা। তখনই পাক নৌসেনা তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করেন। তাতে এক জন মৎস্যজীবীর মৃত্যু হয়। আহত হয়েছেন আরেকজন। গুলি চালানোর সময় কেবিনে বসেছিলেন সেই শ্রীধর। তখনই তাঁর গায়ে গুলি লাগে। সঙ্গে সঙ্গে মারা যান শ্রীধর।

পাকিস্তানের দাবি
ঘটনার পর পাকিস্তানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ভারতীয় মৎস্যজীবীদের নৌকা বেআইনি ভাবে তাঁজদের জলসীমান্তে প্রবেশ করেছিল। তাঁদের সতর্ক করা হলেও ভারতীয় মৎস্যজীবীরা নাকি শোনেননি। তারপরেই সেখানে প্রহরারত নৌসেনা জওয়ানরা গুলি চালায়। অর্থাৎ পাকিস্তানের দাবি নৌসেনা নিয়ম মেনে তাঁদের সতর্ক করেছিলেন এবং তারপর গুলি চালিয়েছিলেন। ভারতের পক্ষ থেকে অবশ্যএই দাবি অস্বীকার করা হয়েছে। ঘটনার তীব্র নিন্দা শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহলে।












Click it and Unblock the Notifications