IAEA-র রাশিয়ার বিরুদ্ধে নেওয়া প্রস্তাবে 'হ্যাঁ' বা 'না' নয় ভারতের
IAEA-র রাশিয়ার বিরুদ্ধে নেওয়া প্রস্তাবে 'হ্যাঁ' বা 'না' নয় ভারতের
আবারও একবার আমেরিকা রাশিয়ার মধ্যে সরাসরি কোনও পক্ষ বাছা থেকে বিরত থাকল ভারত৷ বৃহস্পতিবার রাশিয়ার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার একটি প্রস্তাবে ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকল ভারত। রাষ্ট্রসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ সংস্থার প্রধান, রাফায়েল গ্রসি বুধবার রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের সঙ্গেই পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চারপাশে যুদ্ধের বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। তারপরই এই রেজুলিউশন নিয়ে এসেছে আইএইএ। ২৬টি দেশ এই রেজুলেশনের পক্ষে এবং দুটি এর বিপক্ষে ভোট দিয়েছে এবং ৫টি দেশ কোনও রকম ভোট দেওয়া থেকে বিরত থেকেছে৷

চিন এবং রাশিয়া ইউক্রেনের পরিস্থিতির সুরক্ষার প্রভাব সম্পর্কিত এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে। ভারত, পাকিস্তান, সেনেগাল, ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ আফ্রিকা ভোট দানে বিরত ছিল। অন্যদিকে রাষ্ট্রসংঘে চিনের স্থায়ী প্রতিনিধি ওয়াং কুন এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন এবং চিনের অবস্থান স্পষ্ট করার জন্য ভোটের পরে একটি ব্যাখ্যামূলক বিবৃতিওৃপ্রকাশ করেছেন।
ওয়াং কুন জানিয়েছেন যে এই রেজোলিউশনটি স্পষ্টতই আইএইএ-এর ম্যান্ডেটকে অতিক্রম করেছে এবং অনেক রাজনৈতিক সংঘাতের সূচনা করেছে, যা একটি পেশাদার আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসাবে পরিচিত আইএইএ-এর স্বাধীনতাকে ক্ষুন্ন করেছে। সমস্ত দলের গঠনমূলক পুনর্বিবেচনার পরামর্শ বিবেচনা না করেই প্রাসঙ্গিক দেশগুলির পক্ষে জোরপূর্বক রেজোলিউশনটিকে ভোটে ঠেলে দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয় তাই চিন এর বিপক্ষে ভোট দিয়েছে।
সঙ্গেই চিনের রাষ্ট্রদূত জোর দিয়েছেন যে উজবেকিস্তানের পারমাণবিক সুরক্ষার দায়িত্বগুলি সক্রিয়ভাবে সম্পাদন করতে তারা সংস্থাটিকে সমর্থন করে এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে শান্ত এবং সংযত থাকার আহ্বান জানায়। যদিও এই বিষয়ে ভারতের চুপ থাকা নিয়ে তোপ দেগেছে আমেরিকা। মার্কিন কূটনীতিকদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে এই প্রস্তাবে সমর্থন না জানিয়ে, ভোট দেওয়া থেকে বিরত থেকে আসলে ভারত রাশিয়াকেই সমর্থন করছে৷
এর আগেও রাষ্ট্রসংঘের হিউম্যান রাইটস কমিশনে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ভোট দেওয়া থেকে বিরত থেকেছে ভারত। দেশের এই অবস্থানের কড়া সমালোচনা করেছে ইউএসএ৷ আমেরিকার বক্তব্য যে ভারতের সমানে সুযোগ ছিল রাষ্ট্রসংঘে ইউক্রেনকে সমর্থন করার কিন্তু ভারত তা হারিয়েছে৷ স্বাভাবিকভাবেই রাশিয়ার সমর্থক ভারতের বিরুদ্ধে কোনও অর্থনৈতিক অবরোধ নেওয়া উচিৎ হবে কিনা না সেটি ভেবে দেখা শুরু করেছে আমেরিকা, এরকমটাই মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ।












Click it and Unblock the Notifications