দক্ষিণ চিন সাগরে চিনের আগ্রাসান নিয়ে সরব ভারত! উদ্বেগ বাড়ল বেজিংয়ের
দক্ষিণ চিন সাগরে ক্রমশ আগ্রাসন বাড়াচ্ছে চিন। যা নিয়ে বারবার একাধিক দেশ বার্তা দিয়েছে। কিন্তু তাতে কার্যত স্পিকটি নট সে দেশ। এই অবস্থায় পালটা দিল ভারত।
S. Jaishankar: একবছরের বেশি সময় হয়ে গিয়েছে। এখনও চলছে ইউক্রেন যুদ্ধ। এই অবস্থায় শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে সহমত ভারত-অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা এবং জাপান। শুক্রবার QUAD - এর বৈঠকে মুখোমুখি হয় ভারত সহ এই সমস্ত দেশের বিদেশমন্ত্রীরা। আর সেই বৈঠকে এই ইস্যুতে একমত তাঁরা।

শুধু তাই নয়, দক্ষিণ চিন সাগরের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশে চিনের লাগাতারা আগ্রাসন নিয়েও আলোচনা হয় এই বৈঠকে। যা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
ভারতের হয়ে এই সম্মেলনে অংশ নেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেখানে আমেরিকা, জাপান এবং অস্ট্রেলিয়ার বিদেশমন্ত্রীরাও ছিলেন। সেখানেই চিন সাগরে চিনের আগ্রাসন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এছাড়াও বিতর্কিত অঞ্চলে চিনে সামরিক উপস্থিতির বিরোধীতা করেছে ভারত।
সম্প্রতি চিনের বিদেশমন্ত্রী Qin Gang- এর সঙ্গে বৈঠক হয় বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের। আর এরপরেই বেজিংয়ে কার্যকলাপে বিরোধীতা করে নয়াদিল্লি। অস্ট্রেলিয়া, জাপান এবং আমেরিকার সঙ্গে হাত মিলিয়ে দক্ষিণ চিন সাগর এবং পূর্ব চিন সাগরে চিনা কার্যকলাপের বিরোধীতা করেছে ভারত।
অস্ট্রেলিয়া, জাপান এবং আমেরিকার বিদেশমন্ত্রীদের সঙ্গে একেবারে মুখোমুখি এই বিষয়ে জয়শঙ্করের আলোচনা হয়েছে বলে খবর। QUAD - এর প্রতিনিধিদের এই বৈঠকের মাধ্যমে চিনের কাছে একটা বার্তা গিয়েছে বলেও মনে করা হচ্ছে।
বৈঠকের পর এক যৌথ বিবৃতিতে তাঁরা জানিয়েছেন, সামুদ্রিক অঞ্চলে শান্তি এবং সুরক্ষা বজায় রাখলে উন্নয়ন সম্ভব হয়। এমনকি এতে আন্তজাতিক আইনকেও মান্যতা দেওয়া হয়। পাশাপাশি সার্বভৌমত্য রক্ষা হয় বলেও উল্লেখ করা হয়েছে ওই বিবৃতিতে। শান্তি পরিস্থিতি নষ্ট হয় এমন কোনও কাজ বরদারস্ত করা হবে না বলেও দেশগুলির যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে।
বিশেষত অন্য দেশের কোস্ট গার্ডের ভেসেল পাঠিয়ে যদি অশান্তি তৈরির চেষ্টা হয়। তাহলে তা গভীর উদ্বেগের কারণ হবে বলেও ইল্লেখ করা হয়েছে ওই বিবৃতিতে। অস্ট্রেলিয়া, জাপান, ফিলিপিন্সের মতো চিনের প্রতিবেশী দেশগুলি প্রবল প্রতিবাদ জানাচ্ছে দক্ষিণ চিন সাগরে সামরিক কার্যকলাপ নিয়ে। আর তাতে কর্ণপাত করছে না বেজিং। ভারত এবং আমেরিকা এই বিষয়ে রীতিমত উদ্বিগ্ন। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত চিন স্পিকটি নট।
শুধু চিনকেই নয়, এই বৈঠক থেকে কড়া বার্তা গিয়েছে রাশিয়ার কাছেও। কারণ ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনের উপর আঘাত হেনেছে রাশিয়া। আর এই বিষয়টি তুলে এনেই তাঁদের বার্তা দেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications