থার্ড ওয়েভ আছড়ে পড়ার আগেই স্বস্তির খবর! একদিনে এক কোটি মানুষকে ভ্যাকসিন দিয়ে নয়া রেকর্ড ভারতে
গোটা দেশে যখন করোনার তৃতীয় স্রোতের আশঙ্কা রীতিমতো মাথা চাড়া দিতে শুরু করে দিয়েছে, তখনই মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেশ তোপ জানিয়েছেন, এক সাম্প্রতিক গবেষণায় তাঁদের কাছে রিপোর্ট এসেছে যে অক্টোবর শেষ হতেই মহারাষ্ট্রে ক
গোটা দেশে যখন করোনার তৃতীয় স্রোতের আশঙ্কা রীতিমতো মাথা চাড়া দিতে শুরু করে দিয়েছে, তখনই মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেশ তোপ জানিয়েছেন, এক সাম্প্রতিক গবেষণায় তাঁদের কাছে রিপোর্ট এসেছে যে অক্টোবর শেষ হতেই মহারাষ্ট্রে করোনার তৃতীয় স্রোত আছড়ে পড়বে।

শুধু মহারাষ্ট্রে নয়, গবেষকরা বলছেন, সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে গোটা দেশেই করোনার থার্ড ওয়েভ আছড়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন। যদিও এই সময়টা খুব গুরুত্বপূর্ণ বলছেন ডাক্তাররা। তবে এই অবস্থা থেকে একমাত্র মুক্ত মিলবে দ্রুত ভ্যাকসিন দেওয়ার মাধ্যমে। আর সেই কারনে দ্রুত ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ চলছে।
শুক্রবার গোটা দেশে এক কোটি মানুষকে আজকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মান্ডভিয়া এই বিষয়ে টুইট করে জানিয়েছেন। শুধু তাই নয়, এজন্যে দেশের মানুষকে ধন্যবাদ পর্যন্ত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শুধু তাই নয়, দেশের মানুষকে কুদশ-ও জানিয়েছেন তিনি।
উল্লেখ্য, এর আগে একদিনে ৮৫ লক্ষ মানুষকে করোনার ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছিল। এবার সেই রেকর্ড ছাপিয়ে গিয়েছে। কার্যত এটি একটি রেকর্ড!
যেখানে তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে সেখানে একদিনে এতমানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়ার বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে দেখছেন চিকিৎসকরা। অন্যদিকে সরকারের তরফে জানানো হয়েছে একদিনে এত মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়া কার্যত রেকর্ড হিসাবে দেখা হচ্ছে। একসঙ্গে এত মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়ার পর গোটা দেশে ভ্যাকসিনেশন কভারেজ ৬২ কোটির উপর পৌঁছে গিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত কয়েকমাস ধরে ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ চলছে। শুরুর দিকে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী সহ করোনার বিরুদ্ধে যারা একেবারে সামনে থেকে লোড়াই করছেন তাঁদের ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ হয়। এরপর দেশের মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।
সরকারের তরফে ঠিক কতজনকে আজ শুক্রবার ভ্যাকসিন দেওয়া হিয়েছে সেই সংক্রান্ত একট তথ্য সামনে নিয়ে আসা হয়েছে। সেই তথ্য অনুযায়ী আজ ৩৫৫ স্বাস্থ্যকর্মীকে করোনার ফাস্ট ডোজ দেওয়া হয়েছে। 23846 জনকে ভ্যাকসিনের দ্বিতী ডোজ দেওয়া হয়েছে।
ফ্রন্ট লাইন ওয়ার্কাসের ক্ষেত্রে ১১৪৮ জনকে প্রথম এবং 84499 জন দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী ১৮ বছর থেকে ৪৪ বছর পর্যন্ত 4441298 মানুষ করোনার ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নিয়েছেন। এবং ওই বয়সে 1067732 মানুষকে করোনার সেকেন্ড ডোজ দেওয়া হিয়েছে। ৪৫ থেকে ৫৯ বছর বয়সের মানুষের কথা বলা হলে এই বয়সের 1086667 মানুষকে করোনার প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে।
760696 মানুষকে করোনা সেকেন্ড ডোজ দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে আজ 6007654 মানুষকে করোনার প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে। আর 2336159 মানুষকে করোনার সেকেন্ড ডোজ দেওয়া হয়েছে। যা অবশ্যই ভালো দিক বলছেন ডাক্তাররা।
উল্লেখ্য, ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের সমস্ত মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ শেষ করা হবে বলে জাইয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই মতো যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ চলছে।












Click it and Unblock the Notifications