সংকটকে সুযোগে পরিণত করেছে ভারত! করোনাকালে অর্থনীতি নিয়ে মন্তব্য নির্মলা সীতারমনের

এপ্রিল-জুন মাসেও জিডিপির ২৩.৯ শতাংশ হ্রাস হয়েছে, যার কারণ করোনা ভাইরাস অতিমারীর প্রকোপে থমকে পড়া অর্থনীতির চাকা। টান ছ'মাসেরও বেশি সময় ধরে চলতে থাকা এই পরিস্থিতির জেরে মুখ থুবড়ে পড়েছে অর্থনীতি। এহেন পরিস্থিতি যে দেশের অর্থনীতি কঠোর চ্যালেঞঅজের মুখে দাঁড়িয়ে তা মেনে নিয়েছেন স্বয়ং অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন।

বিরোধীদের আক্রমণের সামনে দাঁড়িয়ে কেন্দ্র

বিরোধীদের আক্রমণের সামনে দাঁড়িয়ে কেন্দ্র

এই পরিস্থিতিতে ক্রমাগত বিরোধীদের আক্রমণের সামনে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রকে ডিফেন্ড করতে হয়েছে অর্থমন্ত্রীকে। তবে সেসব আক্রমণকে দূরে সরিয়ে রেখে দেশের অর্থনীতিকে ঠিক পথে ফেরাতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন নির্মলা সীতারমন। আর এই অবস্থাতেই তিনি জানিয়েছেন যে মন্দা কাটাতে সরকার দরাজ হস্তেই খরচ করবে। কোনও কার্পণ্য করা হবে না।

দেশের অর্থনীতিকে পথে ফেরানোর জন্য যথেষ্ট মোদীর প্যাকেজ?

দেশের অর্থনীতিকে পথে ফেরানোর জন্য যথেষ্ট মোদীর প্যাকেজ?

তবে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যেই প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছিল, তা কি দেশের অর্থনীতিকে পথে ফেরানোর জন্য যথেষ্ট? এই প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন স্তরে। অর্থমন্ত্রী এই প্রশ্নের জবাবে এবার জানিয়ে দিলেন, যদিও বা সরকার এখনই অতিরিক্ত তহবিল ঘোষণা করার বিষয়ে কোনও পর্যালোচনা করেনি, তবে প্রয়োজনা আরও প্যাকেজ ঘোষণা করতে পিছপা হবে না কেন্দ্র।

সংকটের সময়কে ভারত সুযোগের ক্ষণে পরিণত করছে

সংকটের সময়কে ভারত সুযোগের ক্ষণে পরিণত করছে

নির্মলা সীতারমনের বক্তব্য, এই সংকটের সময়কে ভারত সুযোগের ক্ষণে পরিণত করছে। আর এতেই ধীরে ধীরে অর্থনীতির চাকা গতি পাবে বলে তাঁৎ আশা। তাঁর স্বীকারোক্তি, ছয় মাসে সত্যিই চ্যালেঞ্জগুলি সেভাবে কমেনি। তবে এই চ্যালেঞ্জের প্রকৃতি বদলেছে এবং মন্ত্রক এই সময়ে অনেকটাই দ্রুততার সঙ্গে কাজ করছে।

আশার আলো দেখিয়ে যা বললেন অর্থমন্ত্রী

আশার আলো দেখিয়ে যা বললেন অর্থমন্ত্রী

নির্মলা বলেন, 'অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বিশেষত পরিষেবা খাতে বিরূপ প্রভাব ফেলেছে করোনা ভাইরাস।' তবে আশার আলো দেখিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, 'পরিযায়ী শ্রমিকরা শিল্পে ফিরে আসছেন। এদিকে নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে রফতানি কমেছে। তবে সেই পণ্যের ক্ষেত্রে বিদেশী চাহিদার থেকে দেশীয় চাহিদা বেশি বেড়েছে।'

গ্রামাঞ্চলে করোনা এতটা ছড়িয়ে পড়তে পারেনি

গ্রামাঞ্চলে করোনা এতটা ছড়িয়ে পড়তে পারেনি

অর্থমন্ত্রী চলমান করোনা অতিমারী নিয়ে বলেন, 'করোনা রুখতে যে প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা আরও অনেকদিন চালিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আমি এখন এই প্রেক্ষিত থেকেই দেখছি ব্যাপারটা যে আরও কতদিন চলবে। তবে ভালো খবর হল গ্রামাঞ্চলে করোনা এতটা ছড়িয়ে পড়তে পারেনি। তাই কাজের পরিবেশ ফিরে এসেছে সেখানে যা অর্থনীতির জন্য স্বস্তিদায়ক।'

পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে

পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে

অর্থমন্ত্রী এরপর বলেন, 'এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে। শ্রমিকরা কাজে যোগদান করছে। ইন্ডাস্ট্রিও বিনিয়োগ করা শুরু করছে। কয়েকটি কোর ইন্ডাস্ট্রি থেকে খবর পেলাম যে চিনে আমাদের দেশের স্টিলের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়াও টেক্সাইল শিল্পও ধীরে ধীরে সর্বাধিক কর্মক্ষমতা নিয়ে কাজ শুরু করেছে।' অবশ্য তিনি মেনে নেন যে হসপিটালিটি, হোটেল, টুরিস্টস স্পটের ক্ষেত্রগুলি বিশাল ক্ষতির মুখ দেখেছে।

কৃষকদের অতিরিক্ত ২০০০ টাকা

কৃষকদের অতিরিক্ত ২০০০ টাকা

এদিকে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে যে লকডাউনে যে আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা হয়েছিল তার তিন মাস পেরিয়ে গেলেও সরকার কিছু ব্যয় করতে রাজি নয়। এর প্রেক্ষিতে অর্থমন্ত্রী বলেন, 'কৃষকদের কিন্তু অতিরিক্ত ২০০০ টাকা করে দেওয়া হয়েছে। তা না হলে গ্রামাঞ্চলে অর্থনীতি শক্ত হত না। তাঁরা শস্যদানা, বীজ, ওষুধ এগুলি কিনতে পারত না টাকা ছাড়া। মানুষ তো বলছে গ্রামাঞ্চলে তাঁদের ব্যবসা ভালো চলছে।'

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+