UNGA-তে পাকিস্তানের নিন্দা ভারতের! দখল করা জায়গা খালি করার আহ্বান
রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদে ফের একবার ভারতের আক্রমণের মুখে পাকিস্তান। ভারত কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে কঠোর সমালোচনা করেছে। পাকিস্তানকে আক্রমণ করতে গিয়ে ভারত সারা বিশ্বের সামনে ফের একবার পাকিস্তানের স্বরূপ তুলে ধরে বলেছে, পাকিস্তান একটি সন্ত্রাসবাদী রাষ্ট্র। পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদীদের আশ্রয় দেয়। পাশাপাশি তারা মুম্বই হামলার সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি।
রাষ্ট্রসংঘে ভারতীয় মিশনের প্রথম সেক্রেটারি এবং একজন তরুণ কূটনীতিক পেটাল গেহলট বলেছেন, ভারতের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন ও বিদ্বেষপূর্ণ প্রচারা ছড়াতে এই প্ল্যাটফর্ম অপব্যবহার করার ক্ষেত্রে পাকিস্তান একটি অভ্যাসগত অপরাধী।

রাষ্ট্রসংঘের সদস্য রাষ্ট্র এবং সংস্থাগুলি ভাল করেই জানে যে পাকিস্তান মানবাধিকার বিষয়ে তার দুর্বল রেকর্ড থেকে আন্তর্জিতাক সম্প্রদায়ের মনোযোগ সরানোর জন্য এটি করে থাকে। রাষ্ট্রসংঘে ভারতীয় মিশনের প্রথম সেক্রেটারি বলেন, ভারত পুনরায় বলছে, যে জম্মু ও কাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ভারতের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।
তিনি আরও বলেন জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়গুলি ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। আর এইসব ব্যাপার নিয়ে পাকিস্তানের মন্তব্য করার কোনও অধিকার নেই। পাকিস্তানকে নিশানা করে ভারতীয় কূটনীতিক বলেন, বিশ্বের সব থেকে খারাপ মানবাধিকারের রেকর্ড রয়েছে পাকিস্তানে। সেখানকার সংখ্যালঘু আর মহিলাদের অধিকার নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।
পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সরকারি হিংসার একটি উদাহরণ তুলে ধরে ভারতের প্রতিনিধি বলেন, ফয়সালাবাদের জেরানওয়ালায় সংখ্যালঘু খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে বড় আকারের হিংসা চালানো হয়েছিল। সেখানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপাসনাস্থল এবং বাড়ি ঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
ভারত পাকিস্তানকে জবাব দিতে গিয়ে বলেছে, ওদের পাক অধিকৃত কাশ্মীর খালি করা উচিত। দক্ষিণ এশিয়ার শান্তির জন্য, পাকিস্তানকে যে পদক্ষেপ নিতে হবে, তা হল, প্রথমে আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদ বন্ধ করা। দ্বিতীয়ত ভারতের যেসব এলাকা জোর করে দখল করে রেখেছে তা খালি করে দেওয়া। তৃতীয়ত পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে হিংসা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধ করা।












Click it and Unblock the Notifications