India-China standoff: সরে গেল লালফৌজ, সেনা পিছোল ভারতও; লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় বুধেই প্যাট্রোলিং?
India-China LAC Agreement: চুক্তি মেনে লাদাখে সেনা প্রত্যাহার (India- China army disengagement) করল চিন। সেনা পিছিয়ে আনল ভারতও। সোমবার সেনা প্রত্যাহারের কাজ প্রায় শেষ। গালওয়ান সংঘর্ষের (Galwan war) পূর্বের অবস্থান অনুযায়ী চলবে টহলদারি। সব ঠিক থাকলে বুধবারই প্যাট্রোলিং (Patrolling) শুরু করবে দু'দেশের সেনা।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রক (Defense Sources) সূত্রে খবর, দু'তরফেই ভেরিফিকেশন শেষ হতে পারে বুধবার। বৃহস্পতিবার থেকেই পুরোদমে শুরু হতে পারে প্যাট্রোলিং। তার আগে লাদাখের হটস্পট ডেমচক ও ডেপসাং (Depsang and Demchok) থেকে সমস্ত অস্থায়ী সেনা ছাউনি, সরঞ্জাম, অস্ত্রশস্ত্র সরানো হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে।

সূত্রের খবর, কোনওপ্রকার সংঘর্ষ এড়াতে লালফৌজকে (Chinese Army) আগাম বার্তা দিয়ে রাখছে ভারতীয় সেনা (Indian Army)। ডেপসাং ও ডেমচকে প্যাট্রোলিংয়ের আগে চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মিকে অগ্রিম নোটিস পাঠিয়েছে ভারত।
উল্লেখ্য, চার বছরেরও বেশি সময় ধরে সামরিক অচলাবস্থা কাটতে চলেছে। পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর সরে গেল লালফৌজ। পিছিয়ে এসেছে ভারতীয় সেনাও। ২০২০-এর সংঘর্ষের সময় তৈরি অস্থায়ী সেনা ছাউনি সরিয়ে নিয়েছে চিন। দু'তরফেই মোট ১২টি অস্থায়ী নির্মাণ সরানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
গত সোমবারই ভারত সরকারের বিদেশ মন্ত্রকের সচিব বিক্রম মিসরি জানান, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে আলোচনার পর ভারত ও চিন সীমান্তে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর টহলদারি নিয়ে ঐক্যমতে পোঁছেছে দুই দেশ। সেনা প্রত্যাহারের বিষয়েও দু'দেশ সহমত অবস্থান পোষণ করেছে বলে দাবি করেন তিনি। যার জেরে চার বছরেরও বেশি সময় ধরে সামরিক অচলাবস্থার অবসান ঘটতে চলেছে বলে জানান তিনি।
রাশিয়ার কাজানে ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও সারেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) ও চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (Xi Jinping)। ভারত ও চিনের সাম্প্রতিক চুক্তিকে সেই বৈঠকেও সমর্থন করেন দুই রাষ্ট্রনেতা। ২০২০ সালে গালওয়ানে সংঘর্ষে তলানিতে পৌঁছেছিল ভারত ও চিনের সম্পর্ক। তাতেই এবার বরফ গলার ইঙ্গিত।












Click it and Unblock the Notifications