লাদাখে ভারত-চিন সীমান্তে কি বড় যুদ্ধ আসন্ন! সরকারি সূত্র কী বলছে
লাদাখের বুকে চিনের আগ্রাসনের জেরে ক্রমাগত তাপ উত্তাপের মাত্রা চড়ছে। এদিকে, ভারতে ক্রমেই করোনার প্রকোপ বাড়ছে। এমন এক পরিস্থিতিতে ১৩০ কোটির দেশের মানুষ রীতিমতো উদ্বিগ্ন। কৌতূহলের জেরে অনেকের মুখেই প্রশ্ন, যে আদৌ কি চিন-ভারত বড় যুদ্ধ শুরু হতে চলেছে? এই প্রশ্নের উত্তর এবার এল সরকারি সূত্রের তরফে।

লাদাখে ভারত-চিন দ্বন্দ্ব
লাদাখের বুকে যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খুলে দিল্লির উচ্চপদস্থ সরকারি মহলের সূত্র জানিয়েছে, লাদাখ সংঘাত যেকোনও মুহূর্তে যেকোনও দিকে যেতে পারে। তবে তা বড় কোনও যুদ্ধ হিসাবে ধরা দেবে না।

এখনও পর্যন্ত কী পরিস্থিতি?
দিল্লি সূত্রের দাবি, চিন সেনা মোতায়েনের পরিমাণ বাড়ালে, কোনও লক্ষ্য নির্দিষ্ট করে যুদ্ধের মেজাজে এগোচ্ছে না। তবে এগোলেই চিনকে যোগ্য জবাব দিতে ছাড়বে না ভারত। এখনও পর্যন্ত সীমান্তে যা পরিস্থিতি তাতে চিন খোঁচা দেওয়া ছাড়া কোনও বড় পদক্ষেপ নেওয়ার পরিস্থিতিতে নেই বলে সূত্রের দবি।

চিনকে বিশ্বাস করা যায় না
দিল্লির সূত্রের দাবি, সাউথব্লক কিছুতেই চিনকে বিশ্বাস করতে পারছে না । চিন আগে জানায়, রাতের দিকে তারা কোনও পদক্ষেপ আপাতত নেবে না। তেমনই ভারতও রাতে লাদাখে কোনও পদক্ষেপ নেবে না বলে জানায়। এরপরই সোমবার রাতে ভারতের দিকে তাক করে এগিয়ে আসে লালফৌজ। এমন পরিস্থিতিতে ঝুঁকি নিতে নারাজ দিল্লি।

যদি সীমনা পার করে, তাহলেই অস্ত্রের জবাব!
এক ভারতীয় সংবাদমাদ্যমের খবর অনুযায়ী, দিল্লিসূত্রের দাবি,
চিন যদি সীমান্ত পার করে তা রেড লাইন পারের সমান হবে। চিনকে কোনও মতেই ছেড়ে কথা বলতে রাজি নয় ভারত। ফলে প্যানগং বরাবর ভারতও ,সেনা মোতায়েনের পরিমাণ বাড়াচ্ছে।

যুদ্ধ ও আলোচনা
৫০ হাজার ট্রুপ, ১৫০ টি যুদ্ধবিমান নিয়ে লাদাখ সীমান্তে চিন আগ্রাসন দেখাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ভারতও দাপটের সঙ্গে চিন সীমান্তে সেনা মোতায়েন করে চলেছে। এই পরিস্থিতিতে ভারত চাইছে আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে। পেশী শক্তি বা অস্ত্র শক্তির জোরে শান্তি আনতে রাজি নয় ভারত।












Click it and Unblock the Notifications