গালওয়ানের পরও শান্ত থাকেনি ভারত-চিন সীমান্ত, ঘটেছে দুটি সংঘর্ষ, বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ্যে
২০২০ সালে গালওয়ান প্রদেশে ভারত-চিন সংঘর্ষের জেরে উত্তপ্ত হয়েছিল সীমান্তের কূটনীতি। যা দিল্লি-বেজিং সম্পর্কেও প্রভাব ফেলে। এরপর মাঝে কয়েক বছর উফর থেকে ভারত-চিন সীমান্ত শান্ত দেখালেও ভিতরে ভিতরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে দুই দেশের সেনাদের মধ্যে। এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য এবার প্রকাশ্যে চলে এল।
গালওয়ান সংঘর্ষের পর আরও অন্তত দু'বার ভারত ও চিনা সেনা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে বিগত এই কয়েক বছরে। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলএসি) বরাবর ভারত ও চিন সৈন্যদের মধ্যে সংঘর্ষের অন্তত দুটি অজানা ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর কর্মীদের বীরত্বের পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বিষয়টি সামনে এসেছে।

সেনাবাহিনীর ওয়েস্টার্ন কমান্ড, যার সদর দফতর চণ্ডীমন্দিরে রয়েছে, তার ইউটিউব চ্যানেলে বীরত্ব পুরস্কার প্রদানের সময় একটি বক্তব্যের ভিডিও ১৩ জানুয়ারী আপলোড ককরা হয়েছিল। বিতর্ক তৈরি হতেই। কিন্তু সোমবার এটি নিষ্ক্রিয় করেছে।
একটি সর্বভারতীয় ইংরেজি সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, ২০২০ সালে গালওয়ানের সংঘর্ষের পর আরও যে দু'টি সংঘর্ষ হয়েছিল, সেগুলি ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২২ সালের নভেম্বরের মধ্যে কোনও এক সময়ে হয়েছিল। উল্লেখ্য, গালওয়ান সংঘর্ষের আগে থেকেই সীমান্ত নিয়ে চিনা সেনার সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ভারত।
বিগত কয়েক বছর ধরে ভারত-চিন সীমান্ত পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত। গালওয়ান থেকে অরুণাচলপ্রদেশ। মাঝে মধ্যেই অশান্ত হয়ে উঠছে দুই দেশের সীমান্ত। আর অরুণাচলপ্রদেশ নিয়ে দিল্লি-বেজিংয়ের কূটনৈতিক সম্পর্ক বেশ তলানিতে। দুই দেশই একে অপরের বিরুদ্ধে বিবৃতি পাল্টা বিবৃতি দিয়েছে বেশ কয়েকবার।
এর আগে ২০২২ সালের ৯ ডিসেম্বর অরুণাচলের তাওয়াঙে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করার চেষ্টা করেছিল চিনা সেনা। ভারতীয় জওয়ানরা চিনা সেনার সেই আগ্রাসনকে রুখে দিয়েছিল। এই আবহে যেভাবে ভারতীয় সেনার পক্ষ থেকেই দুটি অজানা সংঘর্ষের কথা প্রকাশ করা হল তা কিন্তু দিল্লির কাছে স্বস্তিদায়ক নয়।
’
মোদী সরকারের আমলেই ভারত-চিন সংঘাত নতুন মোড় নেয়। লাদাখ, প্যাংগং, গালওয়ান ও উত্তরপূর্ব সীমান্ত নিয়ে দুই দেশের মধ্যে একের পর এক সংঘাত হয়েছে। ২০২০ সালে তা নতুন মাত্র পায়। সেই বছর ৫ এবং ৬ মে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে ভারত ও চিন সেনা। লাদাখে প্যাংগং ট্রোসোয় ওই সংঘর্ষে প্রাণ হারান বেশ কয়েক জন ভারতীয় সেনা। চিনের তরফে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি ছিল।












Click it and Unblock the Notifications