ভারতে প্রলয় আসন্ন, দেশ ভাসবে ভয়াবহ বন্যায়, সতর্কবাণী পরিবেশবিদেরা
এশিয়ায় বন্যা ও ঝড়ের কারণে সবচেয়ে বেশি মানুষ আগামিদিনে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। বিশেষ করে চিন, ভারত, বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ায় এর প্রভাব পড়বে সবচেয়ে বেশি।
আবহাওয়ার পরিবর্তনের ফলে সারা পৃথিবীই ভয়াবহ ক্ষতির সম্মুখীন হতে চলেছে। বিশেষ করে প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকা ও এশিয়ার দেশগুলির ক্ষতির সম্ভাবনা অনেক বেশি। নতুন রিপোর্টে এমন সতর্কবাণীই শুনিয়েছেন পরিবেশবিদেরা। বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে দক্ষিণ ভারতে চাল উৎপাদন অন্তত ৫ শতাংশ হ্রাস পাবে।
একইসঙ্গে আবহাওয়ার পরিবর্তন বিভিন্ন দেশের উন্নতিতে বাধা হয়ে দাঁড়াবে ও জীবনের মান কমিয়ে দেবে। এই রিপোর্ট দিয়েছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক ও পোস্টড্যাম ইনস্টিটিউট ফর ক্লাইমেট ইমপ্যাক্ট রিসার্চ।

বলা হয়েছে, এশিয়ায় বন্যা ও ঝড়ের কারণে সবচেয়ে বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। বিশেষ করে চিন, ভারত, বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ায় এর প্রভাব পড়বে সবচেয়ে বেশি। পরিস্থিতি খুব খারাপ হলে এই শতকের শেষে ভারত, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান মিলিয়ে ১৩ কোটি মানুষকে উপকূলবর্তী এলাকায় বিপদের মুখে পড়তে হবে।
উত্তর ভারতে চাল ও অন্যান্য খাদ্যশস্যের উৎপাদন যেমন বাড়বে, তেমনই দক্ষিণে উৎপাদন কমে আসবে। ২০৩০ সালে তা ৫ শতাংশ কমলেও ২০৫০ সালে প্রায় ১৫ শতাংশ ও ২০৮০ সালে ১৭ শতাংশ খাদ্যশস্যের উৎপাদন কমে যাবে দক্ষিণ ভারতে।

সারা পৃথিবীতে বেড়ে চলা বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে ও ভারতে বিশেষ করে অত্যধিক জনসংখ্যা এবং অন্যান্য নানা কারণে উপকূলবর্তী এলাকাগুলি অনেকদিন ধরেই ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করেছে। সমুদ্রের জলে ভেসে যাওয়ার সমূহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বিশ্বের বহু বড় শহরের। দশবছর আগে বন্যায় যত সম্পত্তির নষ্ট হয়েছে তার অন্তত দশগুণ বেশি সম্পদ আগামিদিনে নষ্ট হবে বলে আশঙ্কা করছেন বিজ্ঞানীরা।
বিজ্ঞানীদের মতে ২০৫০ সাল নাগাদ পৃথিবীর যে ২০টি বড় শহর বিশ্ব উষ্ণায়নের পাশাপাশি অন্যান্য প্রাকৃতিক কারণে প্রবল ক্ষতির মুখে পড়বে, তার মধ্যে ১৩টি শহরই এশিয়ার। এর মধ্যে ভারতের মুম্বই, কলকাতা, চেন্নাই, সুরাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ শহর রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications