ভারতে ফোর্সড লেবার ১.১ কোটি! আধুনিক দাসত্বে শীর্ষে ভারত, রিপোর্টে চাঞ্চল্য
জোর করে শ্রমে ইন্ধন জোগাচ্ছে বিশ্বের ২০ টি ধনী দেশ। এছাড়াও আনুমানিক ৫ কোটি মানুষের অর্ধেকের বেশি রয়েছেন আধুনিক দাসত্বের অধীনে। আর ভারত রয়েছে এই তালিকার শীর্ষে। প্রকাশিত এমনই এক প্রতিবেদনে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
প্রতিবেদনটি ওয়াক ফ্রি ফাউন্ডেশনের। তারা জানিয়েছে, ২০ টি ধনী দেশের মধ্যে ছটি দেশের আধুনিক দাসত্বের হার সব থেকে বেশি। এইসব দেশগুলিতে হয় জোর করে শ্রমে নিয়োগ করা হচ্ছে কিংবা জোর করে বিবাহে বাধ্য করা হচ্ছে।

এক কোটি দশ লক্ষ নিয়ে এই তালিকার শীর্ষে রয়েছে। ভারত। তারপরেই রয়েছে চিন। সেখানে আধুনিক দাসত্বের মধ্যে থাকা মানুষের সংখ্যা ৫৮ লক্ষ। রাশিয়ায় ১৯ লক্ষ, ইন্দোনেশিয়ায় ১৮ লক্ষ, তুরস্কে ॥১৩ লক্ষ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সংখ্যাটা ১১ লক্ষের মতো।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আধুনিক দাসপ্রথা যেসব দেশে সব থেকে কম, সেগুলি হল সুইৎজারল্যান্ড, নরওয়ে, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন, ডেনমার্ক, বেলজিয়াম, আয়ারল্যান্ড, জাপান এবং ফিনল্যান্ড। তবে এইসব দেশগুলিতেও বেশি আর্থিক উন্নয়ন, লিঙ্গ সমতা, সামাজিক কল্যাণ এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার পরেও বহু মানুষ এই ধরনের কাজে লিপ্ত হয়ে পড়ছেন।
গত সেপ্টেম্বরে রাষ্ট্রসংঘের ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশন এবং ইন্টার ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন অ্যান্ড ওয়াক ফ্রি-র রিপোর্ট অনুসারে ২০২১ সালের শেষে সারা বিশ্বে ৫ কোটি মানুষ রয়েছেন আধুনিক দাসত্বে। এর মধ্যে ২ কোটি ৮০ লক্ষ জোর পূর্বক শ্রমে এবং ২ কোটি ২০ লক্ষ জোর পূর্বক বিবাহে বাধ্য হয়েছেন।
ওয়াক ফ্রি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা তথা পরিচালক গ্রেস ফরেস্ট এক বিবৃতিতে বলেছেন, আধুনিক দাসত্ব সব ক্ষেত্রেই ছড়িয়ে পড়েছে। যা রয়েছে আমাদের পোশাক, ইলেকট্রনিক্স এবং খাবারের মধ্যে। এটি বিশ্বব্যাপী সাল্পাই চেনেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছেন।

জি ২০ গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলি বার্ষিক ৪৬৮ মিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করে। যার মধ্যে রয়েছে ইলেকট্রনিক্স, গারমেন্টস, পাম অয়েল, সোলার প্যানেল, টেক্সটাইলস। এই সবকিছুর সঙ্গেই যুক্ত ফোর্সড লেবার বা জোরপূর্বক শ্রম। অস্ট্রেলিয়া ভিত্তিক সংগঠনের রিপোর্টে বলা হয়েছে, এককোটি লোককে কাজ করতে বা বিয়ে করতে বাধ্য করা হয়েছে। প্রভাব পড়েছে কোভিড মহামারীরও।
২০২১ সালের শেষের দিকে আধুনিক দাসপ্রথার সব চেয়ে বেশি প্রবণতা দেখা গিয়েছে, উত্তর কোরিয়া, সৌদি আরব এবং তুরস্কের মতো দেশগুলিতে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ফোর্সড লেবার সরবারহ শৃঙ্খলের প্রতি পর্যায়েই ঘটে থাকে।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, বেশির ভাগ জি ২০ গোষ্ঠী ভুক্ত দেশ তাদের আমদানি করা পণ্যে এবং তারা যেসব কোম্পানির সঙ্গে কাজ করে তাদের সাপ্লাই চেনে আধুনিক দাসপ্রথার বিরুদ্ধে লড়াই করতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।
প্রসঙ্গত উল্লেখ করা প্রয়োজন ২০১৫-তে রাষ্ট্রসংঘে বিশ্ব নেতারা যে লক্ষ্যগুলি রেখেছিলেন, তার মধ্যে ছিল ২০৩০ সালের মধ্যে আধুনিক দাসপ্রথা, ফোর্সড লেবার এবং মানব পাচারের মতো ঘটনার অবসান ঘটানো হবে। তারপরেও আধুনিক দাসত্বের মধ্যে বসবাসকারী মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে সেই লক্ষ্য অর্জন আরও দূরে সরেছে।
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত












Click it and Unblock the Notifications