Independence Day 2023: নিরাপত্তায় মুড়েছে লালকেল্লা, বসানো হয়েছে ফেসিয়াল রেকগনিশন ক্যামেরাও
আর মাত্র কয়েক ঘন্টার অপেক্ষা! তারপরেই দেশবাসী ৭৬ তম স্বাধীনতা দিবস পালন করবেন। দেশজুড়ে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। বিশেষ দিনের আগেই রাজধানী দিল্লিতে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিবছর ১৫ অগাস্ট দিল্লির লালকেল্লা থেকে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, চলতি বছরেও তিনি ভাষণ দেবেন।
এই বিশেষ দিনে লালকেল্লার চারপাশে নিরাপত্তায় যেন কোনও ফাঁক না থাকে তার জন্য দশ হাজারের বেশি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বসানো হয়েছে এক হাজার ফেসিয়াল রেকগনিশন ক্য়ামেরা, অ্যান্টি ড্রোন সিস্টেম। গত দুই বছরে যেমন কোভিড বিধি ছিল চলতি বছরে কিন্তু কোনও করোনার বিধি থাকবে না।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হরিয়ানার নুহ ও আশেপাশের অঞ্চলের অশান্তির কথা মাথায় রেখে এমন কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পুলিশের স্পেশাল কমিশনার দীপেন্দ্র পাঠক জানিয়েছেন, চলতি বছরে লালকেল্লার চারপাশে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ বাহিনীও। থাকবে না কোনও কোভিড বিধি। লালকেল্লায় বসানো হয়েছে অ্য়ান্টি-ড্রোন সিস্টেম।
তিনি আরও জানান, চলতি বছর নিরাপত্তার কারণে এক হাজার ফেসিয়াল রেকগনিশন ক্য়ামেরা ও ভিডিয়ো অ্যানালিটিক সিস্টেম বসানো হয়েছে। সন্ত্রাসীদের হামলা রোখার জন্য ডিফেন্স গান, স্নাইপারও লালকেল্লার বিভিন্ন জায়াগায় মোতায়েন করা হয়েছে।
পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলিতে গোয়েন্দাদের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশী টহল আরও বাড়ানো হয়েছে। অতিরিক্ত পিকেট মোতায়েন করা হয়েছে। কোনও অশান্তিমূলক ঘটনা যেন না ঘটে সেদিকে বিশেষ নজরদারি রাখা হবে।
যতক্ষণ পর্যন্ত স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান শেষ না হবে ততক্ষণ লালকেল্লার চারপাশে 'নো কাইট ফ্লাইং জোন’ হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে। অনেক জায়গাতেই ১৫৩ ঘুড়ি আটকাবার ক্যাচার রাখা হয়েছে। লালকেল্লার চারপাশে বাসিন্দাদের বলা হয়েছে, তাঁরা যেন অনুষ্ঠান শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘুড়ি না ওড়ান।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বক্তব্য রাখছিলেন সেই সময় একটি ঘুড়ি তাঁর সামনে এসে পড়েছিল, তিনি কিন্রু সেই সময়েও তাঁর বক্তব্যে স্থির ছিলেন।
দিল্লি পুলিশ কিন্তু ইতিমধ্যে হোটেল, গেস্ট হাউস, পাকিংলট, রেস্তোরা চেক করা শুরু করে দিয়েছেন, যাতে কোনও রকম কোথাও অপরাধমূলক ঘটনা না ঘটে সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে।
স্বাধীনতা দিবসের আগে অনুপ্রবেশ ও চোরাচালানকারী কাজ না হওয়ার জন্য সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী (BSF) ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে ১১ অগাস্ট থেকে ১৭ অগাস্ট পর্যন্ত সতর্ক থাকারও নিদেশ দিয়েছেন। বিএসএফদের সীমান্তে কঠোর নজরদারি বজায় রাখবে হবে। পুলিশ কিন্তু ইতিমধ্যে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে শুরু করে দিয়েছেন।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাও আঁটোসাঁটো করা হয়েছে।সারা বছর সীমান্তে বিএসএফ নজর দেন, তবুও এই বিশেষ দিনগুলোতে সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী থেকে আরও বেশি নজরদারিতে রাখতে হবে। এই বিশেষ দিনের জন্য প্রচুর পুলিশ বাড়ানো হয়েছে। নিরাপত্তার ব্যবস্থা আরও বাড়আনো হয়েছে। প্রতি বছরের মতো এই বছরও ১৫ অগাস্ট তেরঙার রঙে মেতে থাকতে দেখা যাবে ভারতকে। তারপর আবার এক বছরের অপেক্ষার পাল্লা।












Click it and Unblock the Notifications