স্বাধীনতা দিবস ২০২০: ফিরে দেখা নারীশক্তির লড়াইয়ে সরোজিনী নাইডুর অবদান
স্বাধীনতা দিবস ২০২০: ফিরে দেখা নারীশক্তির লড়াইয়ে সরোজিনী নাইডুর অবদান
দেশ স্বাধীনতার ৭৩ বঠর সম্পন্ন করেছে। আর স্বাধীনতা দিবসের উদযাপনের এই সপ্তাহে দেশ গড়ার একাধিক কারীগড় তথা একাধিক কাহিনীকে তুলে ধরছে 'ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা'। কখনও সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপটে , কখনওবা দেশের ইতিহাসের কাহিনীতে দেশের উন্নয়ন ও দেশ গড়ার একাধিক কাহিনী লুকিয়ে রয়েছে। সেই সমস্ত কাহিনীকে তুলে ধরা হচ্ছে। আজ দেখা যাক সরোজিনী নাইডুকে নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।

সরোজিনী নাইডু সম্পর্কে কিছু তথ্য
অধুনা বাংলাদেশের মুন্সিগঞ্জে পৈতৃক বাড়ি ছিল সরোজিনী নাইডুর। ১৮৭৯ এ হায়দরাবাদ জন্ম হয় সরোজিনীর। 'নাইটঅ্যাঙ্গেল অফ ইন্ডিয়া' সরোজিনী মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। চট্টোপাধ্যায় পরিবারের মেয়ে সরোজিনী ছোট থেকেই বাড়িতে রাজনীতি ও শিক্ষার যোগ দেখেছেন। যা কেমব্রিজে তাঁর শিক্ষাগ্রহণের সময়ও বেশ প্রভাব ফেলতে শুরু করে তাঁর জীবনে।

স্বাধীনতা আন্দোলনে নাইডু
এরপর ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের হাত ধরে সরোজিনী নাইডু স্বাধীনতা আন্দোলনে যোগ দেন। এই আন্দোলনের হাত ধরে মহাত্মা গান্ধী থেকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পর্যন্ত বহু নামী ব্যক্তিত্বের সংস্পর্শে আসেন তিনি।

দেশের জন্য আন্দোলন ও সরোজিনী
সরোজিনী নাইডু জাতীয় কংগ্রেসের মহাত্মা গান্ধীর সঙ্গে একাধিক আন্দোলনে লড়েছেন। এরপর অসহযোগ আন্দোলনের সময় ১৯৩০ সালে গ্রেফতার হন তিনি। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় পর পর ২ বার ব্রিটিশ সরকার সরোজিনীকে বন্দি করে।

দেশের প্রথম মহিলা রাজ্যপাল
দেশের সংবিধান তৈরির ইতিহাস যখন বাস্তবের মাটিতে ছিল, তখন তার সঙ্গী ছিলেন সরোজিনী। তিনি দেশের কনস্টিটিউয়েন্ট অ্যাসেম্বলিতে ছিলেন। পাশাপাশি দেশের প্রথম মহিলা রাজ্যপাল হওয়ার গর্বও তাঁর মুকুটে ওঠে। স্বাধীনভারতে উত্তরপ্রদেশের প্রথম রাজ্যপাল হন সরোজিনী নাইডু।

রাজনীতিতেও সমান দক্ষতা
ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম সভানেত্রী হয়েছিলেন সরোজিনী। মহিলা হিসাবে কংগ্রেসের মতো বহু দশক প্রাচীন দলের ইতিহাসে সেই অধ্যায় অন্যতম গর্বের অধ্যায়। এভাবই ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত আমৃত্যু দেশকে নিজের সেবা দান করে এসেছেন সরোজিনী। যিনি বিবাহ সূত্রে নাইডু পদবী পেলেও, বঙ্গতনয়া হিসাবে চিরকালই বাঙালি জনজাতিকে অনুপ্রেরণা দিয়ে এসেছেন।












Click it and Unblock the Notifications