উত্তরপ্রদেশে প্রথম দফায় ভোট লড়বেন ১৫ জন নিরক্ষর প্রার্থী
উত্তরপ্রদেশে প্রথম দফায় ভোট লড়বেন ১৫ জন নিরক্ষর প্রার্থী
উত্তরপ্রদেশ আছে উত্তরপ্রদেশেই, ভোটের প্রথমদফার প্রার্থী তালিকায় চক্ষু চড়কগাছ হওয়ার সামিল! বড় সংখ্যায় ফৌজদারী মামলা, ধর্ষণের মতো অভিযোগ, নিরক্ষর, শুধু সই করতে পারা কী নেই এই প্রথমদফার এই প্রার্থী তালিকায়! উত্তরপ্রদেশ ইলেকশন ওয়াচ অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মসের প্রকাশিত প্রতিবেদনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি রইল ওয়ানইন্ডিয়া বাংলার পাঠকদের জন্য।

১৫ জন প্রার্থী নিরক্ষর!
১০ ফেব্রুয়ারি প্রথম দফায় উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে ইলেকশন ওয়াচ অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রির্ফম প্রকাশিত প্রতিবেদনে প্রার্থীদের একধিক তথ্য তুলে ধরা হল৷ প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে যে প্রথম দফার ২৩৯ জন প্রার্থী তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা পঞ্চম থেকে এবং দ্বাদশ শ্রেনীর মধ্যে বলে ঘোষণা করেছেন। প্রার্থী তালিকায় ৩০৪ জন প্রার্থী স্নাতক বা তার উপরে শিক্ষাগত যোগ্যতা রয়েছে বলে ঘোষণা করেছেন। তালিকায় সাতজন প্রার্থী ডিপ্লোমা হোল্ডার এবং ৩৮ জন প্রার্থী নিজেদেরকে শুধুমাত্র শিক্ষিত বলে ঘোষণা করেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৫ জন প্রার্থী নিরক্ষর এবং ১২ জন প্রার্থী তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রকাশ করেননি!

ফৌজদারী মামলা রয়েছে ১৫৭ জনের বিরুদ্ধে!
উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন ২০২২-এর প্রথম পর্বে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ১৫৭ জন প্রার্থীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে বলে ইলেকশন ওয়াচ অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে৷ এই তালিকায় ১২১ জনের বিরুদ্ধে গুরুতর আইনি অভিযোগ রয়েছে৷ ১০ ফেব্রুয়ারি উত্তরপ্রদেশের ১১টি জেলার ৫৮টি নির্বাচনী এলাকায় অনুষ্ঠিত হবে প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচন। যেখানে প্রার্থী রয়েছেন মোট ৬২৩ জন। যাঁদের মধ্যে ৬১৫ জনের নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা থেকে এই তথ্য বিশ্লেষণ করেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি৷

এরএলডি প্রার্থীর বিরুদ্ধে রয়েছে ধর্ষণেরও অভিযোগ!
রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে প্রথম দফার নির্বাচনপর প্রার্থী তালিকায় কমপক্ষে ১২ জন প্রার্থীর বিরুদ্ধে মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধ সম্পর্কিত মামলা রয়েছে। এরকমই একজন প্রার্থী হলেন বুলন্দশহর থেকে আরএলডি প্রার্থী মোহাম্মদ ইউনুস, যাঁর বিরুদ্ধে আইপিসির ৩৭৬ ধারায় ধর্ষণের মতো গুরুত্বর মামলা রয়েছে৷ অন্যদিকে, মীরাটের সিওয়ালখাস কেন্দ্রে এবং আগ্রার খেরগড়ের প্রতি ছ'জন প্রার্থীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে, যেখানে হাপুরের ঢোলনা, গাজিয়াবাদের লোনি, শামলির থানা ভবন এবং মিরাট নির্বাচনী এলাকায় পাঁচজন প্রার্থীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলির পরিপ্রেক্ষিতে, সমাজবাদী পার্টি (সপা) সবচেয়ে বেশি (প্রায় ৭৫ শতাংশ) অপরাধের অভিযুক্তদের প্রার্থী করেছে৷












Click it and Unblock the Notifications