করোনার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা কখন হারিয়ে ফেলছে ব্যক্তি, সমীক্ষায় কী তথ্য উঠে এল
করোনার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা কখন হারিয়ে ফেলছে ব্যক্তি, সমীক্ষায় কী তথ্য উঠে এল
এশিয়ান হেলথকেয়ার ফাউন্ডেশনের সাথে হায়দরাবাদ AIG হাসপাতাল একত্রিত হয়ে একটি গবেষণার ফল প্রকাশ করে। গবেষণায় বলা হয়েছে, অ্যান্টিবডি ক্ষেত্রে করোনা টিকার দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্ব বজায় থাকবে।

গবেষণায় উঠে এল এক নতুন তথ্য। সমীক্ষায় দেখা গেল, করোনা আক্রান্তের প্রায় ৩০ শতাংশ মানুষের ৬ মাস পর্যন্ত অ্যান্টিবডির মাত্রা ছিল 100 AU/ml এর নিচে। করোনা ভ্যাকসিনের ৩০% মানুষ করোনা আক্রান্ত হওয়ার ৬ মাস পর প্রতিরোধ ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে।
AIG হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডাঃ ডি নাগেশ্বর রেড্ডি জানান, বর্তমানে ভ্যাকসিনগুলি দীর্ঘমেয়াদী কিনা, তা এখনও কতটা দীর্ঘমেয়াদী তা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব জানা দরকার। সেই সঙ্গে জন সাধারণের বুস্টারের প্রয়োজন।
তিনি আরও জানান, যে সকল গবেষকরা এই গবেষণায় যুক্ত তাঁদের ১,৬৩৬ জনের মধ্যে SARS-CoV-2-এর IgG অ্যান্টি-S1 এবং IgG অ্যান্টি-S2 অ্যান্টিবডিগুলির পরিমাপ করা হয়েছে। যাদের অ্যান্টিবডির মাত্রা ১৫ AU/ml-এর কম ছিল তাদের অ্যান্টিবডি নেগেটিভ বলে বিবেচিত করা হয়।
রেড্ডি বলেন, সমীক্ষায় দেখা গেছে, অ্যান্টিবডির স্তর করোনার বিরুদ্ধে সর্বনিম্ন স্তর হল 100 AU/ml । এর নীচে অ্যান্টিবডি থাকলে কোনও ব্যক্তি সংক্রমিত হবেন না। গবেষকদের মধ্যে ৯৩% কোভিশিল্ড, ৬.২% কোভ্যাক্সিন ও ১% এর কম স্পুটনিক ভ্যাকসিন পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
তিনি জানান, যে সকল ব্যক্তি ৪০ বছর থেকেও বেশি, যারা উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসের মতো অসুখে ভুগছেন তাঁদের মধ্যে ৬% ব্যক্তির প্রতিরোধের ক্ষমতা অনেক কম। সমীক্ষা থেকে স্পষ্ট যে, বয়স্কদের থেকে অল্প বয়সীদের মধ্যে অ্যান্টিবডির মাত্রা বেশি থাকে।
৪০ বছরের বেশি উভয় লিঙ্গের ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ ব্যক্তিরা SARS-CoV-2 সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ। টিকা নেওয়ার পর ৬ মাস পর বুস্টার ডোজের জন্য অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ % লোকের মধ্যে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ সেই সব ব্যক্তিরা উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ইত্যাদির মত কোমর্বিডিটি অবস্থায় রয়েছেন। যদি সেই সকল ব্যক্তিদের ডবল ডোজ নেওয়া থাকেও তাহলে তাঁদের বুস্টার শট বিবেচনা করে দেওয়া উচিত।












Click it and Unblock the Notifications