রাজৌরিতে স্কুলে তিলক পরে যাওয়ার জন্য ছাত্রীকে বেধড়ক মারলেন শিক্ষক, কিন্তু কেন
স্কুলে তিলক পরে যাওয়ায় এক হিন্দু স্কুল ছাত্রীকে বেধড়ক মারধর করল এক স্কুল শিক্ষক। ঘটনাটি ঘটেছে জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরি জেলায়। ইতিমধ্যে শিক্ষককে স্কুল থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করে দিয়েছে। প্রশ্ন শুধুই কী তিলক পরার জন্য ছাত্রীকে এমনভাবে মারধর করা হয়?

ছাত্রীর পরিবার সূত্রের খবর, নবরাত্রির জন্য স্কুলে তিলক পরে গিয়েছিল তাঁদের মেয়ে। তারপর সেই ছাত্রীকে মারতে শুরু করেন শিক্ষক। শিক্ষকের নাম নিসার আহমেদ। যদিও পুলিশ ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। বিদ্যালয় থেকে এখন শিক্ষকে রাজৌরি জেলার ডেপুটি কমিশনারের আদেশে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, কোনও কারণ ছাড়া একটি শিশুকে আঘাত অপরাধের সমান। তাই ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩২৩, ৩২৫, ৩৫২ ও ৫০৬ ধারার অধীনে একজন ব্যক্তিকে শাস্তির জন্য দায়ী করা হতে পারে। আবার, জুভেনাইল জাস্টিস যেটিকে শিশু সুরক্ষা আইনের আওতায় ফেলা হয়। সেই আইন অনুসারে ২হাজারের ধারা ২৩ মানে যে ধারায় যে ব্যক্তি শিশু নির্যাতন বা যার বিরুদ্ধে শিশুকে আঘাত করার অভিযোগ রয়েছে, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে ৬ মাস জেল পর্যন্ত হতে পারে। সেই সঙ্গে হতে পারে জরিমানাও।
ঘটনায় নিসার আহমেদ, শিক্ষককে পরের নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ইতিমধ্যে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করছে, এবং শিশুকে কেন মারধর করা হল, শুধুই কী তিলক পরার জন্য এমন আচরণ শিক্ষকের, নাকি এর পিছনে আর অন্য কোনও ঘটনা লুকিয়ে আছে।
ঘটনা প্রসঙ্গে রাজৌরির সিনিয়র পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী জানান, আমার শিশুকে মারার অভিযোগ পেয়েছি। তাঁকে তিলক পরার জন্য মারধর জন্য শিক্ষক মারধর করেছে। সেই সঙ্গে ছাত্রীটিকে কিছু আপত্তিকর শব্দও বলা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আমরা বিষয়টির তদন্ত শুরু করে দিয়েছি।












Click it and Unblock the Notifications