অভিযুক্ত সরকারি কর্মীদের রক্ষা করতে বিজেপি শাসিত এই রাজ্যে নতুন আইন
সরকারি কর্মী, বিধায়ক, মন্ত্রীদের বাঁচাতে বিতর্কিত আইন প্রণয়ন করল রাজস্থান সরকার। সরকার অনুমতি না দিলে এঁদের বিরুদ্ধে ওঠা ব্যক্তিগত কোনও অভিযোগের তদন্ত করা যাবে না।
সরকারি কর্মী, বিধায়ক, মন্ত্রীদের বাঁচাতে বিতর্কিত আইন প্রণয়ন করল রাজস্থান সরকার। সরকার অনুমতি না দিলে এঁদের বিরুদ্ধে ওঠা ব্যক্তিগত কোনও অভিযোগের তদন্ত করা যাবে না। এমন কি সংবাদ মাধ্যম যদি কোনও অভিযোগ করে তাহলে তা অপরাধ বলে গণ্য হবে।

সরকারি কর্মীদের জন্য বিধিনিষেধ শুরুমাত্র তাদের সরকারি কাজের সঙ্গে সম্পর্ক যুক্ত। এই আইন বর্তমান সরকারি কর্মীদের সঙ্গে পূর্বতন সরকারি কর্মীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
রাজস্থান সরকার সেপ্টেম্বরের ৭ তারিখে একজিকিউটিভ অর্ডারের মাধ্যমে ক্রিমিনাল প্রোসিডিওর কোডে পরিবর্তন করেছে অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে।
সম্ভবত সোমবার বিধানসভায় এই আইন পাশ করানো হবে। যেখানে ২০০ আসনের মধ্যে বিজেপির বিধায়কের সংখ্যা ১৬২।
সরকারি কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়েরের জন্য পুলিশের অধিকারের ওপর কোনও প্রভাব পড়ছে কিনা, তা এখনও পরিষ্কার নয়।

এতদিন পর্যন্ত কোনও মন্ত্রী, বিধায়কের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ যদি কোনও ব্যবস্থা না নিত, তাহলে কোনও একজন সাধারণ ব্যক্তি আদালতে যেতে পারতেন। নতুন আইনের বলে আদালতকে তদন্তের নির্দেশ দিতে ছয় মাস অপেক্ষা করতে হবে। না হলে, এই ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত করতে গেলে সরকারের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে। আর যদি ছয় মাসের মধ্যে সরকারি তদন্তের অনুমতি না দেয়, তাহলে সময়সীমা পার হয়ে গেলে তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করা যাবে।
এই ধরনের একটি প্রস্তাব এখনও রাজ্যসভার কাছে পেন্ডিং রয়েছে। ২০১৩ সালে মনমোহন সিং সরকার একই ধরনের উদ্যোগ নিয়েছিল। মূলত সৎ সরকারি কর্মীদের রক্ষা করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।
যদিও রাজস্থান সরকারের বর্তমান পদক্ষেপ মনমোহন সরকারের থেকেও একধাপ এগিয়ে। এখানে বিষয়টি নিয়ে কোনও লেখালেখিও করা যাবে না। আইন ভঙ্গ করলে সাংবাদিকদের দুই বছরের জেল পর্যন্ত হতে পারে।












Click it and Unblock the Notifications