Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

পণের চাহিদা মেটাতে না পারায় বধূর শরীরে HIV সংক্রামিত সিরিঞ্জ ফোটাল শ্বশুরবাড়ির লোকজন!

ফের বর্বরচিত ঘটনার সাক্ষী হলউত্তরপ্রদেশ। পণের টাকা না দিতে পারায় পুত্রবধূর সাথে নির্মম ঘটনা ঘটাল শ্বশুরবাড়ির লোকজন। উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুরের ঘটনা।

যা জানা যাচ্ছে, ৩০ বছর বয়সী এক মহিলার শ্বশুরবাড়ির লোকজন তার বাবা-মাযৌতুকের দাবি পূরণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় তাকে এইচআইভি সংক্রামিত সিরিঞ্জ দিয়ে ইঞ্জেকশন দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠছে। আদালতের নির্দেশে পুলিশ ইতিমধ্যে এফআইআর দায়ের করেছে।

sad


সাহারানপুরের একটি আদালত পুলিশকেভুক্তভোগী মহিলার স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুসারে, গাঙ্গোহ থানায় মহিলার স্বামী (৩২), ভগ্নিপতি (৩৮), শ্যালিকা (৩৫), এবং শাশুড়ির (৫৬)-এর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০৭(খুনের চেষ্টা), ৪৯৮এ (স্বামী বা তার আত্মীয়দের দ্বারা মহিলার উপর নিষ্ঠুরতা), ৩২৩(স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করা), ৩২৮ (বিষ প্রয়োগের মাধ্যমে ক্ষতি করা), ৪০৬ (অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ), এবং যৌতুক সংক্রান্ত ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সাহারানপুরের এসপি (গ্রামীণ) সাগর জৈন জানান, "আমরা ঘটনাটি খুবই গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছি এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে"।

মহিলার বাবা আদালতে জানান, তিনি ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে মেয়ের বিয়ে দেন এবং বিয়েতে প্রায় ৪৫ লক্ষ টাকা খরচ করেন। বরের পরিবারকে একটি সাব-কমপ্যাক্ট এসইউভি এবং ১৫ লক্ষ টাকা নগদ দেওয়া হয়েছিল, তবুও তারা আরও ১০লক্ষ টাকা ও একটি বড় এসইউভি দাবি করে।

বাবার অভিযোগ, "বিয়ের দিন থেকেই আমার মেয়েকে হয়রানি করা হত। তারা তাকে অপমান করত এবং বলত যে তারা তাদের ছেলের অন্যত্র বিয়ে দেবে। ২৫ মার্চ, ২০২৩-এ তাকেশ্বশুরবাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় এবং তিন মাস পর গ্রাম পঞ্চায়েতের হস্তক্ষেপে তাকে আবার পাঠানো হয়। কিন্তু ফের তার উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু হয়"।

২০২৪ সালের মে মাসে মহিলারশ্বশুরবাড়ির লোকেরা তাকে জোর করে একটি এইচআইভি সংক্রামিত সিরিঞ্জ দিয়ে ইঞ্জেকশন দেয়,যার ফলে তার স্বাস্থ্যের দ্রুত অবনতি ঘটে। পরে মেডিকেল পরীক্ষায় তার এইচআইভি পজিটিভ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়, অথচ তার স্বামী এইচআইভি-নেগেটিভ বলে পাওয়া যায়।

নির্যাতিতার বাবা অভিযোগ করেছেন, "যখন আমরা পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতে গিয়েছিলাম, তখন গাঙ্গোহ থানার এসএইচও রোজেন্ট ত্যাগী আমাদের বলেন প্রথমে উচ্চ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে। এরপর আমরা সাহারানপুরের এসএসপি রোহিত সিং সাজওয়ানের কাছে গেলে তিনিও অভিযোগ নিতে অস্বীকার করেন"।

শেষ পর্যন্ত ন্যায়বিচারের আশায় পরিবার আদালতের শরণাপন্ন হয়, যেখানে বিচারক পুলিশকে অবিলম্বে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দেন। যদিও আদালতের নির্দেশে মামলা দায়ের করা হয়েছে, তবুও গাঙ্গোহ থানার এসএইচও ত্যাগী পুলিশি গাফিলতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

এই ঘটনাটি ফের একবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল দেশে এখনও কীভাবে পণপ্রথার নির্মম শিকার হচ্ছেন মহিলারা। আপাতত এই ঘটনায় পুলিশ এখন তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে, এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে তারা।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+