করোনা সঙ্কটে গণ পরিবহন নয়, নিউ নর্মালে হিড়িক পড়েছে পুরনো গাড়ি–বাইক কেনার
করোনা সঙ্কটে গণ পরিবহন নয়, নিউ নর্মালে হিড়িক পড়েছে পুরনো গাড়ি–বাইক কেনার
করোনা ভাইরাস সঙ্কটের মধ্যেই নিউ নর্মালে মানুষ স্বাভাবিক জীবনে ফেরার চেষ্টা করছে। ওয়ার্ক ফ্রম হোমের পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি–বেসরকারি দপ্তর খুলে গিয়েছে। তবে গণ পরিবহনে সেই সুরক্ষা বা পরিচ্ছন্নতা কোথায়, যা এখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। তাই ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা ও সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে ভারতীয়রা গণ পরিবহন ও ক্যাব ব্যবহারের চেয়ে নিজস্ব গাড়ি ও বাইক কিনছেন।

অবশ্য এর পাশাপাশি এও দেখা গিয়েছে যে করোনা আবহে অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা দেখা দেওয়ায় গ্রাহকরা নতুন গাড়ি কেনার থেকে বিরত থাকছেন। বরঞ্চ দেখা গিয়েছে, শেষ কয়েক মাসে মারুতি সুজুকি ও মাহিন্দ্রা অ্যান্ড মাহিন্দ্রার মতো গাড়ি বিক্রির শীর্ষ সংস্থা, এছাড়া ওএলএক্স ও কুইকারের মতো বিভিন্ন জিনিস বিক্রির ই–কমার্সে সেকেন্ড ক্লাস গাড়ির চাহিদা বাড়ছে।
মারুতি সুজুকি ইন্ডিয়া লিমিটেডের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর শশাঙ্ক শ্রীবাস্তব এ প্রসঙ্গে বলেন, 'সস্তা বিকল্প হিসাবে এখন মানুষ ব্যবহার করা গাড়ি কিনতে চাইছে। কারণ মহামারির কারণে মানুষ এখন গণ পরিবহনে চড়তে চাইছেন না। যে কারণে ব্যবহার করা পুরনো গাড়ি নিয়ে খোঁজখবর ও কেনার চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে।’ ভারতের সবচেয়ে বড় গাড়ি তৈরির সংস্থা মারুতি সুজুকি ট্রু ভ্যালুতে ব্যবহার করা গাড়ি বিক্রি হয়। শ্রীবাস্তব জানিয়েছেন যে এ বছরের অগাস্ট–সেপ্টেম্বর মাসে সেকেন্ড হ্যান্ড গাড়ি নিয়ে খোঁজখবরের পর্যায় গত বছর একই সময়ের তুলনায় বেড়ে গিয়েছে ২৪ শতাংশ।
মাহিন্দ্রা অ্যান্ড মাহিন্দ্রার পুরনো গাড়ি বিক্রির শাখা মাহিন্দ্রা ফার্স্ট চয়েজেও একই প্রবণতা দেখা দিয়েছে। মাহিন্দ্রা ফার্স্ট চয়েজের এক আধিকারিক আশুতোষ পাণ্ডে বলেন, 'এ বছর গাড়ি কেনার চাহিদা বেড়েছে। তবে সেকেন্ড ক্লাস গাড়ি কিনতে চাইছেন সকলে। গত বছরের তুলনায় এ বছর জুলাই–সেপ্টেম্বর মাসে ১০–১৫ শতাংশ বিক্রি বেড়েছে।’ তিনি এও বলেন, 'প্রত্যেক গাড়ির জন্য গ্রাহকদের আগ্রহ বেড়েছে ৩০ শতাংশ বেশি। গ্রাহকরা ফোন করছেন। ডিলারসরাও টেস্ট ড্রাইভের ব্যবস্থা করছেন সম্ভাবনাময় গ্রাহকদের জন্য।’












Click it and Unblock the Notifications