মোদী ক্যাবিনেটের বৈঠক! কৃষি সমবায় এবং সীমান্তবর্তী গ্রাম নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত
চিন প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় শক্তি বাড়াচ্ছে। তাদের দখলে থাকা এলাকায় বসতিও তৈরি করছে। এবারা চিনের সঙ্গে টক্কর দিতে সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিকে নিয়ে নয়া সিদ্ধান্ত নিল মোদী মন্ত্রিসভা।
বুধবার ছিল মোদী ক্যাবিনেটের বৈঠক। সেই বৈঠকে মন্ত্রিসভা একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৈঠকের পর তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর বলেছেন, সরকার সমবায়কে শক্তিশালী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই লক্ষ্যে আগামী ৫ বছরে দু-লক্ষ কৃষি সমবায় ক্রেডিট সোসাইটি এবং ডেয়ারি ও মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি তৈরি করার লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে।

ভাইব্রান্ট ভিলেজ প্রোগ্রাম
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর বলেছেন, দেশের সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিতে শক্তিশালী করতে ভাইব্রান্ট ভিলেজ প্রোগ্রামে অনুমোদন দিয়েছে মোদী সরকার। এই প্রকল্পের অধীনে দেশের উত্তর সীমান্তের গ্রামগুলির পরিকাঠামোর উন্নয়ন করা হবে। এর জন্য ৪৮০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

৫ রাজ্যের জন্য পরিকল্পনা
অনুরাগ ঠাকুর এর বিস্তারিত জানাতে গিয়ে বলেছেন, লাদাখ, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, সিকিম এবং অরুণাচল প্রদেশের মোট ১৯ টি জেলার ২৯৬৬ টি গ্রামের রাস্তা এবং অন্য পরিকাঠামো শক্তিশালী করা হবে। তিনি বলেছেন, এই প্রকল্প বর্তমানে চালু সীমান্ত এলাকা উন্নয়নের যে প্রকল্প রয়েছে, তার থেকে ভিন্ন হবে। এর পুরো খবর কেন্দ্রীয় সরকার বহন করবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও বলেছেন, সরকার উল্লিখিত রাজ্যগুলির সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিতে নিশ্চিত জীবিকার ব্যবস্থা করতে চায়।

লাদাখে টানেল তৈরিতে অনুমোদন
এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে আরও যে প্রকল্প গুরুত্ব পেয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে লাদাখে সিঙ্গুলনা টানেল তৈরিতে অনুমোদন। এর ফলে সেখানে প্রায় ৪.৮ কিমি দৈর্ঘ্য সব আবহাওয়া চলাচলকারী রাস্তা তৈরি হবে। যেটি তৈরি করতে খরচ হবে প্রায় ১৬০০ কোটি টাকা। এই টানেল তৈরি হলে এলাকায় সেনাবাহিনীর কৌশলগত যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে।

আইটিবিপির নতুন ব্যাটেলিয়ন
এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ভারত-চিন সীমান্তে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর মোতায়েন থাকা আইটিবিপির জন্য আরও ৯৪০০ কর্মী নিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে। এক্ষেত্রে সাতটি নতুন ব্যাটেলিয়ন তৈরি করা হবে। তাছাড়া অপারেশনাল বেস তৈরি করা হবে। এছাড়া প্রতিবন্ধীদের সহযোগিতার জন্য, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে মৌ স্বাক্ষরের জন্য অনুমোদন দিয়েছে। এর ফলে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলেই মনে করছে বিশ্লেষকরা।












Click it and Unblock the Notifications