বাংলাদেশে হামলার রেশ গাজিয়াবাদে, মারধর-ভাঙচুরের পর আগুন
সোমবার, পাঁচ অগাস্ট শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে আগরতলা হয়ে গাজিয়াবাদে ভারতীয় বিমান বাহিনীর এয়ার বেসে নামেন। তারপর থেকে তিনি সেখানে এসপিজি নিরাপত্তায় রয়েছেন। তবে সেদিন থেকেই বাংলাদেশের বিভিন্নি জায়গায় হিন্দুদের ওপর আক্রমণ সংগঠিত হয়েছে। আক্রমণ চলছে আওয়ামি লিগের সঙ্গে জড়িতে নেতা-কর্মীদের বাড়ি ও কার্যালয়ে।
তবে সেই গাজিয়াবাদে বসবাসকারী মুসলিমদের রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি বলে বস্তি ভাঙচুর ও আগুন লাগানোর ঘটনা ঘটেছে। এমনই সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে। এখানেই শেষ হয় বস্তি ভাঙচুরের পরে আগুন লাগানোর ঘটনাও ঘটে। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহতও হয়েছেন। গাজিয়াবাদের এই ঘটনায় অভিযুক্ত হিন্দু রক্ষা দল।

পুলিশ এই ঘটনায় হিন্দু রক্ষা দলের জাতীয় সভাপতি পিঙ্কি চৌধুরী-সহ সহযোগীদের বিরুদ্ধে এফআইআর নথিভুক্ত করে তদন্ত শুরু করেছে। গাজিয়াবাদের ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে অভিযু ক্তদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে, তদন্ত চলছে, ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গাজিয়াবাদের ঘটনাটি ঘটেছে কবিনগর এলাকায়। মধুবন বাপুধাম থানা এলাকার অন্তর্গত সঞ্জয় নগর বস্তিতে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে লাঠি হাতে বস্তি এলাকায় পৌঁছেছেন বেশ কয়েকজন। তারপর সেখানকার লোকজনকে মারধর করে বস্তি ভাঙচুর করে আগুন লাগানো হয়।
ঘটনার সময় হিন্দু সংগঠনের নেতারা অভিযোগ করেন, বাংলাদেশে হিন্দুদের হত্যা করা হচ্ছে, হিন্দু মহিলাদের ধর্ষণ করা হচ্ছে। সেখানে হিন্দুরা নিরাপদ নয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে হামলাতকারীদের শান্ত করার চেষ্টা করলেও বিক্ষুব্ধ জনতা ভাঙচুর চালিয়ে যায়।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি গুলধর রেলস্টেশনের কাছে ফ্রি হোল্ড কলোনির পিছনে অবস্থিত। কবিরনগরের এসিপি অভিষেক শ্রীবাস্তব জানিয়েছেন, তদন্তে দেখা গিয়েছে সেখানে বসবাসকারী কেউই বাংলাদেশি নন। গাজিয়াবাদ পুলিশ ১৯১(২), ৩৫৪, ১১৫(২), ১১৭(৪), ২৯৯, ৩২৪(৫) ধারায় মামলা দায়ের করেছে।
এদিকে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় হিন্দুদের ওপরে হামলার পর নিরাপত্তার দাবিতে শাহবাগে মিছিল করেন। তাঁদের সম্পত্তির ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণের দাবিও তাঁরা করেছেন।












Click it and Unblock the Notifications