চরম দারিদ্র প্রায় দূর করে ফেলেছে ভারত! মোদী জমানার প্রশংসায় আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার

একটা সময়ে দারিদ্র (poverty) আর ভারত (india) ছিল প্রায় সমার্থক। কিন্তু বর্তমান সময়ে ভারত চরম দারিদ্রকে প্রায় দূর করে ফেলতে পেরেছে। রাষ্ট্রের সরবরাহ করা খাদ্যের মাধ্যমে ৪০ বছরের মধ্যে চরম দারিদ্র সর্বনিম্ন স্তরে নামিয়ে

একটা সময়ে দারিদ্র (poverty) আর ভারত (india) ছিল প্রায় সমার্থক। কিন্তু বর্তমান সময়ে ভারত চরম দারিদ্রকে প্রায় দূর করে ফেলতে পেরেছে। রাষ্ট্রের সরবরাহ করা খাদ্যের মাধ্যমে ৪০ বছরের মধ্যে চরম দারিদ্র সর্বনিম্ন স্তরে নামিয়ে আনতে পেরেছে ভারত। আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের (IMF) সাম্প্রতিক প্রকাশিত রিপোর্টে এমনটাই উল্লেখ করা হয়েছে।

আইএমএফ-এর রিপোর্ট তৈরি করেছেন তিন ভারতীয়

আইএমএফ-এর রিপোর্ট তৈরি করেছেন তিন ভারতীয়

দেশের চরম দারিদ্র নিয়ে আইএমএফ-এর হয়ে রিপোর্ট তৈরি করেছেন তিন ভারতীয় অর্থনীতিবিদ সুরজিৎ ভাল্লা, অরবিন্দ ভিরমানি এবং করণ ভাসিন। রিপোর্টে বলা হয়েছে ভারতে চরম দারিদ্রের মধ্যে বসবাসকারী মানুষের সংখ্যা মোট জনসংখ্যার ১ শতাংশেরও কম। মহামারী পরিস্থিতিতেও এই হিসেব স্থিতিশীল ছিল বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, ভর্তুকি বিশেষ করে রেশনে খাদ্যদ্রব্য বন্টনে সুফল পাওয়া গিয়েছে।
প্রসঙ্গত ভারতে মহামারী শুরু হওয়ার পরেই, চমর দারিদ্র যাতে না বাড়ে এবং তা নিচুর দিকেই রাখা যায়, তার জন্য রেশনে বিনামূল্যে খাদ্য বন্টন শুরু করে কেন্দ্রীয় সরকার। যা বেশ উপকারে লেগেছে।
উল্লিখিত রিপোর্টে লেখকরা বলেছেন, ভারতের খাদ্যে ভর্তুকি ব্যবস্থা মহামারীর বড় আঘাতকে শুষে নিয়েছিল। এরপরেও নিম্ন দারিদ্রের হারে বলা যায়, ভারত চমর দারিদ্র দূর করতে পেরেছে। লেখকরা বলেছেন, ভর্তুকির প্রভাব পড়েছে দারিদ্রের ওপরে। বিনামূল্যে খাদ্য সরবরাহ করা ছাড়াও নগদ হস্তান্তরও দারিদ্র হ্রাসে সাহায্য করেছে বলে জানিয়েছে তাঁরা।

 ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে ব্যবধান বাড়ছে

ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে ব্যবধান বাড়ছে

এমন একটা পরিস্থিতিতে এই রিপোর্ট এল, যখন বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন রিপোর্টে বলা হয়েছে এশিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ ভারতে ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে ব্যবধান ক্রমেই বাড়ছে। এব্যাপারে করোনা মহামারী পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

বিশ্ব ব্যাঙ্কের নিরিখে চরম দারিদ্রের সংজ্ঞা

বিশ্ব ব্যাঙ্কের নিরিখে চরম দারিদ্রের সংজ্ঞা

বিশ্ব ব্যাঙ্কের নিরিখে ভারতে চরম দারিদ্রের একটা সংজ্ঞা রয়েছে। যেসব মানুষের ক্রয় ক্ষমতা ১.৯ ডলারের কম, তাঁরাই পড়ছেন চরম দারিদ্রের শ্রেণিতে। ২০১৯-এ করোনা মহামারী শুরু হওয়ার আগে ভারতে চরম দারিদ্রের অধীনে ছিলেন প্রায় ০.৮% মানুষ। এব্যাপারে আইএমএফ-এর রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে ২০২২-এর ৫ এপ্রিল।

২০২০-তে শুরু প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ যোজনা

২০২০-তে শুরু প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ যোজনা

২০২০-তে করোনা লকডাউন শুরু হওয়ার পরেই মোদীর নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ যোজনা শুরু করে। যেখানে ২৫ কেজি খাদ্যশস্যের বাইরেও বিনামূল্যে মাথাপিছু ৫ কেজি করে খাদ্যশস্য দেওয়া শুরু হয়। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, যদি এই খাদ্যশস্যকে দামে রূপান্ত করা যায়, তাহলে তা প্রায় ৭৫০ টাকার মতো হয়। জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা আইনে প্রায় ৮০ কোটি মানুষ এই সুবিধার আওতায় রয়েছেন। ইতিমধ্যেই সরকার এই প্রকল্পকে সামনের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বর্ধিত করেছে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+