বর্ষা এবারও কি বিলম্বিত দেশে? হাঁসফাঁস গরমের মধ্যে কী পূর্বাভাস দিল মৌসম ভবন
বর্ষা এবারও দেরিতে প্রবেশ করবে দেশেষ এমনই পূর্বভাস মিলেছিল স্কাইমেটের তরফে। এবার মৌসম ভবনও জানিয়ে দিল বর্ষা নিয়ে পূর্বাভাস। হাঁসফাঁস গরমের মধ্যে বর্ষা নিয়ে আশা ও আশঙ্কা দুই-ই শোনাল মৌসম ভবন। আবহাওয়া বিদরা জানিয়ে দিয়েছেন এবার স্বাভাবিক বর্ষা হবে।
মৌসম ভবন আগেই জানিয়েছিল এবারও দেশে স্বাভাবিক বর্ষা হবে। তবে কবে বর্ষা প্রবেশ করবে তা নিয়ে কোনো আভাস দেয়নি। এবার দেশে বর্ষা প্রবেশ নিয়ে পূর্বাভাস দিল আইএমডি বা ভারতের কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতর। ঋতুবদলের মাহেন্র্র্বক্ষণ কবে তা জানতে এখন অধীর আগ্রহে দেশবাসী।

দেশে বর্ষা প্রবেশ করে প্রথম কেরল। তারপর তা দেশের অন্য অংশ ছড়িয়ে পড়ে। আর কেরলে প্রবেশ করার পর দক্ষিণবঙ্গে ঢোকে মৌসুমি বায়ু। শুরু হয় দেশজুড়ে বর্ষার বৃষ্টি। সেই বৃষ্টি এবারও স্বাভাবিক হবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া দফতরের আধিকারিকরা।
মে মাসের ঝঞ্ঝা আপাতত কাটিয়ে উঠেছে দেশ। গরমের দাপটের মধ্যেই সাগরে হানা দিয়েছিল সুপার সাইক্লোন মোখা। তবে তা আমাদের দেশে তেমন কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। প্রতিবেশী বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্ত উপকূলে আছড়ে পড়েছিল মেখা। আর এরপর জুনের প্রারম্ভের আভাস পেতেই খবর এসেছে বর্ষারও।

আসলে জুপন এলেই ঋতুবদলের আনন্দ থাকে। গরমের দাবদাহ থেকে স্বস্তির বারিধারা নিয়ে আসে জুনের আগমন। মৌসম ভবন জানিয়ে গিয়েছে এবার বর্ষা খানিক বিলম্বিত হবে। দেশে বর্ষা বা মৌসুমি বায়ু ঢোকার সম্ভাব্য তারিখ ১ জুন। কিন্তু এবার ১ জুন করেল বর্ষা না ঢুকে ৪ জুন ঢুকতে পারে।
এখানে উল্লেখ্য, গত ৫ বছরের মধ্যে একেবারে তারিখ ধরে বর্ষা ঢুকেছে একবারই। ২০১৮ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ৫ বছরে দু-বার বর্ষা ঢুকেছিল আগেই। আর দুবার ঢুকেছিল নির্ধারিত সময়ের পরে। শুধু মাত্র বর্ষা নির্ধারিত ১ জুন ঢুকেছিল ২০২০ সালে।

২০১৮ ও ২০২২ সালে নির্ধারিত সময়ের আগে ২৯ মে দেশে বর্ষা প্রবেশ করেছিল। আর ২০১৯ সালে ৮ জুন ও ২০২১ সালে ৩ জুন ঢুকেছিল বর্ষা। আর পশ্চিমবঙ্গে বর্ষা আসে ১০ জুন। এ বছর কেরলে যেহেতু চারদিন পর বর্ষা ঢুকছে, তেমনই যে এবার পশ্চিমবঙ্গেও বিলম্ব হবে তা ভাবার অবকাশ নেই। বাংলায় সঠিক সময়েও বর্ষা ঢুকতে পারে। তবে তা নির্ভর করবে অনেক কিছু পরিস্থিতির উপর। এখনও তেমন কোনো পূর্বাভাস নেই।












Click it and Unblock the Notifications