কোভিড ১৯-এর জেরে দারিদ্রতার শিকলে আবদ্ধ হবে দেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ!
করোনার থাবা যত জাঁকিয়ে বসছে ভআরতে, ততই দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা তলানিতে গিয়ে ঠেকার উপক্রম হয়েছে। আর এর জেরে সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দিনমজুররা। তবে সাধারণ মধ্যবিত্তরাও এই পরিস্থিতিতে শান্তিতে নেই। যা পরিস্থিতি, তাতে খুব শিগগিরই দেশে বহু মানুষ চাকরি হারাতে চলেছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

প্রভাব পড়বে ৪০ কোটি ভারতীয়র উপর
ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশন সম্প্রতি এক রিপোর্ট পেশ করে জানাচ্ছে যে করোনার জেরে চলতে থাকা লকডাউনের জেরে ক্রমেই ভারতে দারিদ্র সীমা ছুঁয়ে ফেলবে ৪০ কোটি মানুষ। ১৩০ কোটি মানুষের দেশে এই হারে মানুষ যদি গরিব হয়ে যায় তাহলে অর্থনীতি ধসে পড়বে অচিড়েই। এছাড়া আইএলও আরও জানিয়েছে যে বিশ্বজুড়ে গরিব হয়ে পড়তে পারে ২৭০ কোটি মানুষেরও বেশি।

চাকরি হারাবে বহু মানুষ
সম্প্রতি সিআইআই-এর দ্বারা এক সমীক্ষা করা হয়। তাতে সিআইআই-এর সঙ্গে যুক্ত দেশের সমস্ত বড় বড় সংস্থার সিইও-দের প্রশ্ন করে জানতে চাওয়া হয় যে লকডাউন পরবর্তী সময়ে চাকরি থাকা নিয়ে তাঁদের মতামত। সেই প্রশ্নের জবাবেই ৫২ শতাংশ সিইও উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন যে লকডাউনের পর নিশ্চিত ভাবে অনেক মানুষ চাকরি হারাবে।

তলানিতে ঠেকবে জিডিপি বৃদ্ধির হার
এদিকে এই পরিস্থিতিতে দেশের আর্থিক প্রবৃদ্ধির হার যে কমবে তা একপ্রকার জানা কথা ছিল। আর সেই বিষয়ের উপরই রিপোর্ট পেশ করল দেশের বৃহত্তম ব্যাঙ্ক এসবিআই। বর্তমান পরিস্থিতির নিরিখে আগের পূর্বাভাস থেকে ফের ভারতের জিডিপিতে কাটছাঁট করল এসবিআই। প্রবৃদ্ধির হার কমিয়ে মাত্র ২.৬ শতাংশ করে দিল এসবিআই। পাশাপাশি জানুয়ারি থেকে মার্চ মাসের ত্রৈমাসিকে ভআরতের প্রবৃদ্ধির হার ২.৫ শতাংশ হবে বলে জানিয়েছে এসবিআই।

রেকর্ড ছুঁয়েছে বেকারত্ব
সদ্য প্রকাশিত এক রিপোর্টে সেন্টার ফর মনিটরিং ইকনমি নামে মুম্বইয়ের এক সংস্থা জানিয়েছে, দেশে কর্মরতদের সংখ্যা কমেছে। সেই সঙ্গে কমেছে নতুন নিয়োগের সংখ্যা। লেবার পার্টিসিপেশন রেট নামে একটি সূচক ব্যবহার করে এই রিপোর্টটি তৈরি করেছে সংস্থাটি। সিএমই জানিয়েছে, দেশে এই প্রথমবার এলপিআর সূচক নেমেছে ৪২ পয়েন্টের নীচে। এর জেরে বর্তমানে দেশে বেকারত্বের হার ৮.৭ শতাংশ ছুঁয়েছে যা গত ৪৩ মাসের মধ্যে সর্বাধিক।












Click it and Unblock the Notifications