৫০০ বছর পরে রাম জন্মভূমি পুনরুদ্ধার করা গেলে, সিন্ধু নয় কেন, প্রশ্ন যোগী আদিত্যনাথের
যদি ৫০০ বছর পরে রাম জন্মভূমি পুনরুদ্ধার করা যায়, তবে বর্তমানে পাকিস্তানে থাকা সিন্ধুপ্রদেশও ফিরিয়ে নেওয়া যেতে পারে। লখনৌতে দুদিনের জাতীয় সিন্ধি কনভেনশনে এমনটাই বলেছেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।
মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, লখনৌ থেকে অযোধ্যা খুব বেশি দূরে নয়। ৫০০ বছর পরে অযোধ্যায় তৈরি হচ্ছে ভগবান রামের বিশাল মন্দির। সেখান থেকে মাত্র আড়াই ঘন্টার দূরত্বে কাশী বিশ্বনাথ ধাম। তিনি প্রশ্ন করেছেন, ছয় বছর আগে কী ছিল? প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নির্দেশনায় মন্দিরটি আলোকিত হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, কেউ যদি বিন্ধ্যবাসিনী ধাম এবং তারপর প্রয়াগরাজ ভ্রমণ করেন, তাহলে অনুভব করবেন ঐতিহ্যের প্রতি অনুভূতি থাকা উচিত। যদি ৫০০ বছর পরে রাম জন্মভূমি ফিরিয়ে নেওয়া যায়, তাহলে সিন্ধু ফিরিয়ে নিতে পারব না এমন কোনও কারণ নেই।
১০টি দেশ এবং ভারতের ১০ টি রাজ্যের ২২৫ জনের বেশি প্রতিনিধি লখনৌয়ের জাতীয় সিন্ধি কনভেনশনে অংশ নিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, সিন্ধি সম্প্রদায়ের তাদের ইতিহাস সম্পর্কে বর্তমান প্রজন্মকে বলার প্রয়োজন রয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেছেন ১৯৪৭ সালের দেশভাগ ছিল দুঃখজনক। এটা এড়ানো এবং বন্ধ করা যেত। একজনের একগুঁয়েমির কারণে দেশকে দেশভাগের ট্র্যাজেডি প্রত্যক্ষ করতে হয়েছে। যে কারণে লক্ষ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়। ভারতের জায়গার একটা বড় অংশ পাকিস্তানে পরিণত হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সিন্ধি সম্প্রদায় ভারতের একটি অংশ হয়ে উঠেছে। তিনি বলেছেন এটি ভারতের বাইরে ছিল না। কারণ এটি অখণ্ড ভারতের অংশ ছিল। এি সম্প্রদায় দুর্ভাগ্যজনকভাবে দেশভাগের শিকার হয়। বাধা-বিপত্তি সত্ত্বেও তারা যাত্রা চালিয়ে যেতে পারেন বলেও মন্তব্য করেন যোগী আদিত্যনাথ।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই সম্প্রদায় সব থেকে বেশি যন্ত্রণা ভোগ করেছে, কারণ তাঁদের মাতৃভূমিকে ফেলে আসতে হয়েছে। তিনি বলেন, সন্ত্রাসের রূপে আজও আমাদের দেশভাগের ট্র্যাজেডির খেসারত বহন করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, কোনও সভ্য সমাজ কখনই সন্ত্রাস, চরমপন্থা বা কোনও ধরনের নৈরাজ্যকে স্বীকৃতি দিতে পারে না। মানবতার কল্যাণের পথে এগিয়ে যেতে হলে অশুভ প্রবৃত্তি দূর করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications