বিজেপি 'হিন্দু-মুসলিম' বিভাজনে জিতলে মণিপুর-গোয়াতে অন্য ফল হত, প্রশ্ন উঠছে কংগ্রেসেই
বিজেপি 'হিন্দু-মুসলিম' বিভাজনে জিতলে মণিপুর-গোয়াতে অন্য ফল হত, প্রশ্ন উঠছে কংগ্রেসেই
কংগ্রেসের অভ্যন্তরে বিদ্রোহী জি-২৩ গোষ্ঠী আগেই ছিল, এবার পাঁচ রাজ্যে শোচনীয় পরাজয়ের পর বিদ্রোহের আগুন তীব্র হচ্ছে কংগ্রেসে। ২০১৪ থেকে শেষ ৪৫ টি নির্বাচনে মাত্র হাতে গোনা ৫টি জয় লাভ করেছে কংগ্রেস। বিরোধী হিসেবে মোদী সরকারের সামনে টিকতে পারেনি রাহুল ব্রিগেড। ২০১৯-এর আগে রাফায়েল নিয়ে ইস্যু করতে গিয়ে মুখ থুবড়ে পড়েছে আন্দোলন৷ এমনকি গত বছরের কৃষক আন্দোলনকেও ঠিক সেভাবে কাজে লাগাতে পারেনি কংগ্রেস! ফল ২০১৪ সালে মোদী সরকার দেশে ক্ষমতায় আসার সময় যেখানে ৯টি রাজ্যে ক্ষমতায় জোটে কিংবা একক ক্ষমতায় ছিল কংগ্রেস সেখানেই ২০২২ এ মাত্র ২টি আসনে এসে সীমাবদ্ধ হয়ে পরেছে দেশের প্রাচীন দলটি!

ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে কংগ্রেসের যুবরা!
কংগ্রেসের গান্ধি পরিবারপন্থী নেতারা মাঝেমাঝেই নিজের ব্যর্থতা ঢাকতে বিজেপির হিন্দু-মুসলিম বিভাজনের রাজনীতির কথা সামনে রাখেন৷ সম্প্রতি সে বিষয় নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে কংগ্রেসেরই অভ্যন্তরে! একটি জাতীয় বৈদ্যুতিক সংবাদমাধ্যমকে যুব কংগ্রেসের এক নেতা জানিয়েছেন, 'আমরা এভাবে তর্ক চালিয়ে যেতে পারি না যে বিজেপি হিন্দু-মুসলিম কার্ড বা মেরুকরণ খেলে সব রাজ্যে জিতে যাচ্ছে। এভাবে ভাবতে থাকলে আমরা নিজেদেরই প্রতারিত করব। পাঞ্জাবে মুসলমান কোথায়? উত্তরাখণ্ড, মণিপুর নাকি গোয়াতে? শুধু 'হিন্দু-মুসলিম' তাস নয় এটা তার চেয়ে অনেক বেশি, অনেকটাই অন্য কিছু। আমাদের নেতৃত্বের বিশ্বাসযোগ্যতার অভাব রয়েছে। আমাদের সেই সত্যকে মেনে নিতে হবে। কিন্তু আমাদের দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে দেখতে হবে আমরা কীভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারি!

কংগ্রেসে নেতৃত্বের পরিবর্তন অনিবার্য বললেন শশী থারুর!
কংগ্রেসের অযতম শীর্ষ নেতা শশী থারুর ইতিমধ্যে, নেতৃত্ব সংস্কারের ডাক দিয়েছেন। তিনি সোশ্যাল মিডিয়াতে লিখেছেন, আমরা যারা কংগ্রেসকে বিশ্বাস করি তারা সকলেই সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ক্ষতিগ্রস্থ। কংগ্রেস যেভাবে ভারতের জন্য বারবার লড়াই করেছে এবং যে ইতিবাচক এজেন্ডা দেশবাসীকে অফার করে তা পুনর্নিশ্চিত করার সময় এসেছে৷ এবার আমাদের সাংগঠনিক নেতৃত্বকে এমনভাবে সংস্কার করার প্রয়োজন যা কংগ্রেসের ধারণাগুলিকে পুনরুজ্জীবিত করবে এবং জনগণকে অনুপ্রাণিত করবে। একটি জিনিস পরিষ্কার - আমাদের সফল হতে হলে পরিবর্তন অনিবার্য।

কী বলছেন গুলাম নবী আজাদ?
অন্যদিকে কংগ্রেসের এই পরাজয়ে অন্যতম প্রবীন কংগ্রেস নেতা গুলাম নবী আজাদ সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, 'আমি হতবাক, রাজ্যের পর রাজ্যে আমাদের পরাজয় দেখে আমার হৃদয় রক্তক্ষরণ করছে। সিডব্লিউসি-র সদস্য গুলাম নবী আজাদ আরও বলেছেন। আমরা আমাদের পুরো তারুণ্য এবং জীবন পার্টিকে দিয়েছি। আমি নিশ্চিত যে পার্টির নেতৃত্ব সমস্ত দুর্বলতা এবং ত্রুটিগুলি বিবেচনা করবে যা আমার সহকর্মীরা এবং আমি বেশ কিছুদিন ধরে বলে আসছি।'












Click it and Unblock the Notifications