‘গরু জাতীয় পশু হলে দেশে কোনও সন্ত্রাসবাদীর জন্ম হতো না’
ভারতে সন্ত্রাসবাদের বাড়বাড়ন্তের পিছনে জাতীয় পশু হিসাবে বাঘকেই এবার কাঠগড়ায় তুললেন পেজাভার মঠের শ্রী বিশেস্ব তীর্থ স্বামীজী। বাঘকে জাতীয় পশু হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়ার ফলেই মূলত সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ড অত্যধিক পরিমাণে বেড়েছে বলে মত তার।

বাঘের বদলে গরুকে করা হোক জাতীয় পশু
বাঘের বদলে প্রেম এবং নির্দোষিতার প্রতীক গরুকে যদি আমরা জাতীয় পশু হিসাবে স্বীকৃতি দিতাম তাহলে দেশে কোনও সন্ত্রাসবাদীর জন্মই হতো বলে জোরদার সওয়াল করেন বিশেষ তীর্থ স্বামীজী। মঙ্গলবার কর্ণাটকের উদুপীতে সাধুদের সমাবেশে 'সন্ত সমাগম' চলাকালীন বক্তব্য রাখতে গিয়ে এমনটাই দাবি করতে দেখা যায় তাকে।
পাশাপাশি প্রবীণ 'অন্তর্দৃষ্টি' সম্পন্ন এই সাধু মনে করেন ভারতে গোহত্যা বন্ধ করতে কেন্দ্র সরকারের আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। গরু সংরক্ষণের পাশাপাশি গঙ্গা নদীর শুদ্ধিকরণও সাধারণ মানুষের আর একটি প্রাথমিক লক্ষ্য হওয়া উচিত।
অভিন্ন নাগরিক বিধির পক্ষে সওয়াল
এদিনের সমাবেশে তাকে সাড়া দেশের জন্য ইউনিফর্ম সিভিল কোড বা অভিন্ন নাগরিক বিধি চালু করার ব্যাপারেও সওয়াল করতে দেখা যায়। এদেশের প্রতিটি নাগরিকের সমানাধিকারের প্রশ্নে অভিন্ন নাগরিক বিধি চালুর বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে বলেও মনে করেন তিনি। হিন্দু সাধুরা যাতে মুসলিম ও খ্রিস্টানদের ধর্মগুরুদের সাথে একসাথে প্রচার পর্বে অংশ নিতে পারে তার জন্য অভিন্ন নাগরিক বিধি চালু ব্যাপারে ঐক্যমত্যে পৌঁছানোর প্রয়োজন রয়েছে বলে মত তার।
'বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য দায়ী আমিষ খাবারের অভ্যাস'
এই সাধু সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে যোগগুরু বাবা রামদেব বিশ্ব উষ্ণায়নের অন্যতম কারণ হিসাবে আমিষ খাবারের অভ্যাসকে দায়ী করেন। গো হত্যার বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রণয়নের উপরেও জোর দিতে দেখা যায় তাকে। পাশাপাশি বাবর,ঔরঙ্গজেব এবং আকবরের সময়েও গরু জবাই নিষিদ্ধ ছিল বলে জানান তিনি। এই সাথে সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে তিনি আহ্বান জানিয়ে বলেন, "অন্যান্য মাংস না থাকলে কমপক্ষে গরুর মাংস খাওয়া বাদ দিন"।
৩৭০ ধারা বিলোপের পর এবার লক্ষ্য পাক অধিকৃত কাশ্মীর
পরিয়ার শ্রী পালিমার মঠের সাধু তথা এদিনের সমাবেশের সভাপতি শ্রী বিদ্যাধিষ তীর্থকে এদিন কেন্দ্র সরকারের ৩৭০ ধারা বিলোপের প্রশংসা করতে দেখা যায়। তিনি বলেন সাড়া দেশ দেখেছে কিভাবে ৩৭০ ধারা বাতিলের মাধ্যমে কাশ্মীরকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, তাই এবার আমাদের পরবর্তী লক্ষ্য পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের উপর থাকা উচিত।












Click it and Unblock the Notifications