এক টাকায় ইডলি বিক্রি করছেন ‘ইডলি আম্মা’, আপ্লুত হয়ে টুইট করলেন মহম্মদ কাইফ
প্রত্যেকদিন সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে এই লকডাউনের সময় কিভাবে গরীব–দরিদ্ররা নিজেদের জীবন অতিবাহিত করছেন তার চিত্র উঠে আসছে। করোনা ভাইরাসের এই মহামারিতে দু’বেলা অন্ন জোগাড় করাও এক যন্ত্রণার বিষয় হয়ে উঠেছে তাঁদের কাছে, প্রত্যেক জিনিসের দামই এখন আকাশ ছোঁয়া। সরকারের ওপর নির্ভর করা ছাড়া আর কোনও উপায় নেই সমাজের এই স্তরের মানুষের। যদিও লকডাউনের কোনও প্রভাব পড়েনি ৮৫ বছরের বৃদ্ধার ব্যবসার ওপর। তামিলনাড়ুর বাসিন্দা কে কমলাথল আজও অত্যন্ত কম টাকায় বিক্রি করছেন ইডলি, চালিয়ে যাচ্ছে তাঁর ইডলি ব্যবসা।

'ইডলি আম্মা’ হিসাবে পরিচিত এই বৃদ্ধা গত ৩০ বছর ধরে তাঁর এই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং তিনি তাঁর এক টাকার ইডলির জন্য বিখ্যাত। কমলাথল চান না যে কোনও গরীব ক্ষুধার্ত থাকুক এবং তাঁর লোকসান হওয়া সত্ত্বেও তিনি ইডলির দাম বাড়াননি।
K Kamalathal ji, an 85-year-old woman, from Tamil Nadu who is selling idlis for just ₹1 for the last 30 years. Even in the lockdown, despite the losses, she says, “Many migrant labourers are stuck here.”
— Mohammad Kaif (@MohammadKaif) May 11, 2020
Her selfless service is an inspiration !🙏🏼 pic.twitter.com/jtH1TQRiU0
জানা গিয়েছে যে নোভেল করোনা ভাইরাসের প্রকোপের পর থেকেই ওই বৃদ্ধা কঠিনতার সম্মুখিন হয়েছেন। কিন্তু তবুও তিনি না দমে গিয়ে পরিযায়ী শ্রমিকরা যাঁরা তাঁর দোকানে এলেছেন তাঁদের ইডলি খাইয়ে সহায়তা করেছেন। তবে এই সমস্যার মধ্যে বহু মানুষ ইডলি তৈরির সরঞ্জাম তাঁকে দিয়েছেন যাতে তিনি এক টাকায় ইডলি বিক্রি করে যেতে পারেন।
প্রাক্তন ক্রিকেটার মহম্মদ কাইফ কমলাথলের প্রচেষ্টায় আপ্লুত হয়ে টুইটে লেখেন, 'কে কমলাথল জি, ৮৫ বছরের বৃদ্ধা তামিলনাড়ুর, যিনি একটাকায় ইডলি বিক্রি করছেন গত ৩০ বছর ধরে। লকডাউনের সময়ও লোকসান সত্ত্বেও তিনি জানিয়েছেন বহু পরিযায়ী শ্রমিক এখানে আটকে রয়েছেন। তাঁর এই নিঃস্বার্থ পরিষেবা সত্যিই অনুপ্রাণিত করে।’ গত বছর কমলাথলের গল্প সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে প্রচারিত হয়। এমনকী মহিন্দ্রা গ্রুপের চেয়ারম্যান বৃদ্ধারল গল্প শেয়ীআর করে লেখেন, 'কঠিনতার সম্মুখীন হয়েও কমলাথলের মতন যাঁরা কাজ করেন তাঁরা সত্যিই শ্রেষ্ঠ মানুষ। আমি লক্ষ্য করেছি তিনি এখনও কাঠের উনুন ব্যবহার করেন। যদি কেউ তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে চেনেন তবে আমি খুশি হয়ে তাঁর ব্যবসায় বিনিয়োগ করব এবং তাঁকে একটি এলপিজি গ্যাআস কিনে দেব।’
কমলাথল জানিয়েছেন, ১৫ বছর আগে জিনিসপত্রের দাম বাড়ার কারণে তিনি ইডলির দাম ৫০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে এক টাকা করেছেন। তিনি বলেন, 'ব্যবসায় লাভ করা আমার লক্ষ্য নয় কিন্তু মানুষ এসে খায় সেই জন্যই আমি কাজ করি।’












Click it and Unblock the Notifications