হারানো না গেলেও ভ্যাকসিনেই কাবু করোনা, আইসিএমআর-এর গবেষণায় চাঞ্চল্যকর তথ্য
ভ্যাকসিনেই (vaccine) কাবু করোনা (coronavirus)। পুরোপুরি না হলেও এখানেই আশার আলো দেখছেন আইসিএমআর (icmr)-এর গবেষকরা। টিকাপ্রাপ্তদের করোনা আক্রান্ত হওয়ায় সমীক্ষা চালানো হয়েছিল। সেখানে দেখা গিয়েছে ১০ জনের মধ্যে একজন আক
ভ্যাকসিনেই (vaccine) কাবু করোনা (coronavirus)। পুরোপুরি না হলেও এখানেই আশার আলো দেখছেন আইসিএমআর (icmr)-এর গবেষকরা। টিকাপ্রাপ্তদের করোনা আক্রান্ত হওয়ায় সমীক্ষা চালানো হয়েছিল। সেখানে দেখা গিয়েছে ১০ জনের মধ্যে একজন আক্রান্তকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে অন্য কোনও অসুবিধার জন্য। কিন্তু তাঁদেরকে অক্সিজেন কিংবা আইসিইউতে দিতে হয়নি।

সংক্রমণ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ভ্যাকসিনের
করোনার সংক্রমণ কমাতে, বলা ভাল রোগের তীব্রতা এবং মৃত্যু কমাতে ভ্যাকসিন যথেষ্টই কার্যকরী। সংবাদ মাধ্যমকে এমনটাই জানিয়েছেন আইসিএমআর-এর মহামারী বিজ্ঞান এবং সংক্রমক রোগ বিভাগের প্রধান সমীরণ পাণ্ডা। তিনি বলেছেন, সাধারণভাবে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, ৩ থেকে ৫ শতাংশ আক্রান্তের ক্ষেত্রে হাসপাতালে অক্সিজেন দিতে হচ্ছে, ২ শতাংশকে ভেন্টিলেটরে দিতে হচ্ছে।

দ্বিতীয় তরঙ্গের সময়েই গবেষণা
সারা দেশে দ্বিতীয় তরঙ্গ চলার সময়েই গবেষণাটি করা হয়। যার ফল প্রকাশিত হয়েছে শুক্রবার। সেৎানে গবেষণাকারীরা ১৭ রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে ৬৭৭ জনকে বেছে নিয়েছিলেন। যাঁরা টিকাকরণের পরেও আক্রান্ত হয়েছিলেন। এঁদের মধ্যে ৮৫ জন একটি ভ্যাকসিন নেওয়ার পরে এবং বাকি ৫৯২ জন দুটি ভ্যাকসিন নেওয়ার পরে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ৯.৮ শতাংশ অর্থাৎ ৬৭ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করার প্রয়োজন হয়েছিল। এঁদের মধ্যে থেকে তিনজনের মৃত্যু হয়। শতাংশের নিরিখে যা ০.০৪%। এই ফলাফল থেকে গবেষকরা দাবি করছেন, টিকাকরণ হাসপাতালে ভর্তি এবং মৃত্যুর হারকে কমাতে সাহায্য করছে। গবেষণাকারীরা সারা দেশে ২৫ মে থেকে ১৪ জুনের মধ্যে টেলিফোনেই আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন।

বেশির ভাগেরই ডেল্টার সংক্রমণ
এইসব আক্রান্তদের বেশিরভাগেরই ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ হয়েছিল। ৪৪৩ জনের ( ৮৬.৬৯%) সংক্রমণ ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের, যা কিনা গতবছর এইদেশেই প্রথম দেখা যায়। একমাত্র উত্তরাংশকে বাদ দিয়ে দেশের প্রায় সর্বত্রই ডেল্টা জাপিয়ে বেড়াচ্ছে। দেশের উত্তরাংশে আল্ফার প্রভাব বেশি দেখা গিয়েছে।

৬৭৭ জনের ৬০৪ জনই নিয়েছিলেন কোভিশিল্ড
যে ৬৭৭ জনের ওপরে গবেষণা চালানো হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে ৬০৪ জন নিয়েছিলেন কোভিশিল্ড, ৭১ জন কোভ্যাক্সিন এবং দুজন চিনের তৈরি সাইনোফার্ম। এই সব আক্রান্তদের গড় বয়স ছিল ৪৪ বছর। ৪৪১ জন ছিলেন পুরুষ। কোমর্বিডিটিস ছিল ১৫৪ জনের (২৩%)। এর মধ্যে টাইপ টু ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ছাড়াও হৃদরোগ, কিডনি এবং ফুসফুসের রোগীরাও ছিলেন।












Click it and Unblock the Notifications