বালাকোট স্ট্রাইকের পরের দিন দেশের হেলিকপ্টারকেই গুলি! সামরিক আদালতে দোষী সাব্যস্ত বাঙালি IAF অফিসার
হঠাৎই সেনাবাহিনীর এমআই হেলিকপ্টারে গুলি। তাতে ২০১৯-এ মৃত্যু হয়েছিল ছয় বিমান বাহিনীর কর্মী একজন সাধারণ নাগরিকের। শ্রীনদরে বিমান বাহিনীর স্টেশনের কাছে এই ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় অভিযুক্ত এক গ্রুপ ক্যাপ্টেনের বিচার হয় সামরিক আদালতে। এরপর গ্রুপ ক্যাপ্টেন সুমন রায় চৌধুরীকে বরখাস্ত করার সুপারিশ করেছে সামরিক আদালত।
এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, বিমান বাহিনীর সামরিক আদালতে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর লঙ্ঘনের জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয় সুমন রায় চৌধুরীকে। সেই সময় শ্রীনগরে বিমান বাহিনীর চিফ অপারেশনস অফিসার পদে ছিলেন সুমন রায় চৌধুরী। তিনিই হেলিকপ্টারটিকে গুলি করার আদেশ দিয়েছিলেন।

তবে বিমান বাহিনীর সামরিক আদালতে বিচারের পর বিষয়টি এখন সুপারিশের পর্যায়েই রয়েছে। এর বাস্তবায়নের জন্য বিমান বাহিনীর প্রধানকে নির্দেশ দিতে হবে। বিমান বাহিনীর ওই আধিকারিক আদেশের বিরুদ্ধে আদালতে আবেদন করলে পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্ট সেই সুপারিশের ওপরে স্থগিতাদেশ দিয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছিল পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বালাকোটে ভারতীয় বিমান বাহিনীর হামলার একদিন পরে। সেই সময় পাকিস্তানের দিক থেকে হামলার ভয় ছিল। হেলিকপ্টারটি ওড়ার ১০ মিনিটের মধ্যে ভেঙে পড়ে। সেই সময় এলাকার বিমানঘাঁটি এবং সামরিক কেন্দ্রগুলিতে কড়া সতর্কতা জারি ছিল।

এই মামলায় উইম কমান্ডার শ্যাম নাইথানির বিরুদ্ধেও অভিযোগ উঠেছিল। সেই সময় তিনি সিনিয়র এয়ার ট্রাফিক অফিসার ছিলেন। তিনি একাধিক অভিযোগ থেকে মুক্ত হলেও একটি অভিযোগে তাঁকে তিরস্কার করা হয়। প্রসঙ্গত ২০১৯-এর অক্টোবরে বিমান বাহিনীর তৎকালীন প্রধান স্বীকার করে নিয়েছিলেন ভুলের কথা।
অন্যদিকে নটি অভিযোগের মধ্যে পাঁচটিতে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন সুমন রায় চৌধুরী। যার মধ্যে রয়েছে বিমান বাহিনীর সদর দফতরের জারি করা নির্দেশ লঙ্ঘন। তবে এমআই ১৭ হেলিকপ্টারটি আইএফএফ চালু না করেই উড়েছিল। হেলিকপ্টারটিকে নামানোর জন্য ইজরায়েলি স্পাইডার সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications