হাওয়ালার মাধ্যমে আর্থিক তছরুপ, ফাঁস ৯০৩ কোটি টাকার দুর্নীতি
হায়দরাবাদে সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ হাওয়ালা দুর্নীতির জন্য গ্রেফতার করল তিন জনকে। দিল্লি ও মুম্বই দুই মেট্রো শহর থেকে গ্রেফতার করা হয় এঁদের। পুলিশে এই র্যাকেটের জন্য আগেই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল।
যার সঙ্গে এই ঘটনা ঘটে তাঁর থেকে ১.৬ লক্ষ টাকার প্রতারণা করা হয়েছিল। লোক্সাম নামে একটি অ্যাপের মাধ্যমে এই প্রতারণা করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। তদন্ত করে পুলিশ জানতে পেরেছে যে যার সঙ্গে ওই আর্থিক প্রতারণা হয়েছে তাঁর টাকা রাখা হয়েছিল ইন্দাস ব্যাঙ্কে, জিনডাই টেকনোলজি প্রাইভেট লিমিটেডের নামে।

কে খুলেছিল অ্যাকাউন্ট?
এই অ্যাকাউন্টটি খুলেছিল বীরেন্দ্র সিং নামে। জ্যাক নামে এক চিনা ব্যক্তির কথায় ওই অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছিল। ওই ব্যক্তি ওই অ্যাকাউন্ট খুলেছিল বলে জানা গিয়েছে। আরও একটি সংস্থা এই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে ওই সংস্থার নাম বেনটেক নেটওয়ার্ক প্রাইভেট লিমিটেড। তবে ফোন নম্বর ব্যাবহার করা একটাই। বেনটেকের যে অ্যাকাউন্ট ব্যাবহার করা হত দিল্লি থেকে। এই অ্যাকাউন্ট ব্যাবহার করত সঞ্জয় কুমার নামে এক ব্যক্তি। সেই কাজ করত লি ঝৌনজাউ নামে আরও এক চিনার কথায়।
সঞ্জয় নামে ওই ব্যক্তি আরও ১৫টি এমন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলেছিল। যা ব্যাবহার করত চু-চুন ইউ নামে এক ব্যক্তি কে আদতে তাইওয়ানের বাসিন্দা। তাকে মুম্বই থেকে গ্রেফতার করা হয়।

কোথায় যেত সেই টাকা?
যে টাকা নানা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে রাখা হত তা ফোরেক্স এক্সচেঞ্জে পাঠানো হত তারপর তা একদম ক্যাশ টাকা হয়ে তা চলে আসত। এই কাজ করতে প্রত্যেকবার অর্থ পরিবর্তনের যা আরবিআইয়ের নিয়ম আছে তা বার বার লঙ্ঘন করা হত।

হাওয়ালার মাধ্যমে
তদন্তে জানা গিয়েছে যে এই যে আর্থিক তছরুপের ঘটনা তা পুরোটাই হত হাওয়ালার মাধ্যমে। জানা গিয়েছে ৯০৩ কোটি টাকার হদিশ পাওয়া গিয়েছিল। এখনও পর্যন্ত ১.৯১ কোটি টাকা বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

হাওয়ালার মাধ্যমে টাকা তছরুপ
এর আগে কলকাতায় ইডির আধিকারিকরা এক মৎস্য ব্যবসায়ীর বাড়িতে গিয়ে হাওয়ালার মাধ্যমে টাকা তছরুপের খোঁজ পায়। অভিযোগ মাছের ব্যবসার আড়ালে কোটি কোটি টাকার হাওলা কারবারি করত সে। দমদম এবং বাইপাসের একাধিক জায়গায় বাড়ি রয়েছে তার। সবকটি বাড়িই ওই মাছ ব্যবসায়ীর ছিল। অশোকনগরের মাছ ব্যবসায়ী সুকুমার মৃধা বাংলাদেশের বাসিন্দা। উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরে তিনটি জায়গায় একসঙ্গে অভিযান চালান ইডির আধিকারীকরা। তাঁর বিরুদ্ধে ১০ হাজার কোটি টাকা জালিয়াতির অভিযোগ এমনকী সাতটি ভুয়ো সংস্থার নামে টাকা তোলা হত। এমন কী ব্যাঙ্ক থেকে ৩০০ কোটি টাকা বেআইনি লেনদেন হত বলে খবর মেলে।












Click it and Unblock the Notifications