পর্যটক হারিয়েছে গোয়ার সমুদ্রতট, আর পর্যটকদের ‘গুঞ্জন’ শুনতে পাচ্ছেন না 'শ্যাক' মালিকরা
গোয়ার সমুদ্র সৈকতে পর্যটক খুনের পরই একাধিক বিষয় সামনে আসছে। গোয়ার বীচে যে আদপেও পরিস্থিতি ভালো নয়, সেই বিষয়টিই এবার সামনে চলে এল। গোয়ার সমুদ্র সৈকত লাগোয়া যে শ্যাক গুলি রয়েছে, সেই শ্যাক-এর মালিকদের কথায়, গোয়ার বীচ তার জৌলূস হারিয়েছে। যার জন্যে এবছর উৎসবের মরসুমেও পর্যটকদের আনাগোনা সেই ভাবে চোখে পড়েনি। ব্যবসায়ীদেরকে মন্দার মুখই দেখতে হয়েছে।
পর্যটন বিভাগ এই বছরের আগস্টের প্রথম দিকে সমুদ্রতটে অস্থায়ী শ্যাক স্থাপনের লাইসেন্স জারি করা সত্ত্বেও, উপকূলীয় অঞ্চলে শ্যাক-এর দখল তুলনামূলকভাবে কম ছিল, এমনটাই বলছেন শ্যাকের মালিকরা।

গোয়া শ্যাক ওনার্স ওয়েলফেয়ার সোসাইটির প্রেসিডেন্ট ক্রুজ কার্ডোজো এদিন বলেন, "ক্রিসমাস আগে বেশ ব্যস্ত সময় ছিল। আমরা আরও বেশি পর্যটক আশা করেছিলাম এবছরও। যদিও গত কয়েকদিন ধরে মানুষের ভিড় বেড়েছে, কিন্তু আগে যা থাকতো, এখন তাঁর কিছুই নেই"।
বিদেশী পর্যটক এবং পর্যটকরা যারা বেশি ব্যয় করেন তারা মূলত শ্যাকে আসেননি। ওজরান সৈকতে, দখল মাত্র ৩০ শতাংশ। লোকেরা সম্ভবত থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা এবং ভিয়েতনাম যেতে পছন্দ করছে, যা তুলনামূলকভাবে সস্তা ট্যুর হয়ে গিয়েছে বর্তমান সময়ে। তাই গোয়া আসতে রাজি নয় কেউই; এমনটাই মনে করছেন শ্যাকের মালিকরা।
সমুদ্র সৈকতে গড়ে ওঠা শ্যাক গুলি সাধারণত বাঁশ, কাঠের খুঁটি এবং খেজুর পাতার মতো পরিবেশ বান্ধব উপাদান দিয়ে তৈরি করা হয়। সরকার গোয়ান আবাসিক বেকার ব্যক্তিদের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩১ মে পর্যন্ত শীর্ষ পর্যটন মৌসুমে সমুদ্র সৈকতে এই "অস্থায়ী" শ্যাকগুলি পরিচালনা করার অনুমতি দেয়।
একটা সময় ছিল যখন এই শ্যাক গুলি গোয়াতে বিদেশী দর্শনার্থীদের জন্য একটি প্রধান আকর্ষণ ছিল। কার্ডোজোর কথায়, "গত কয়েক বছর ধরে দেশীয় পর্যটকদের শ্যাক পরিদর্শনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু তারা যদি খরচ না করে, তাহলে লাভ কী? আমাদের ক্লায়েন্ট আলাদা। কিছু পর্যটক অন্য রাজ্য থেকে জীপে করে গোয়া আসেন। তারা হোটেল বুক করে না এবং সৈকতে একদিন কাটিয়ে চলে যায়। আমরা তাদের কাছ থেকে খুব বেশি ব্যবসা পাই না"।
পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৩ সালে ৮০ লাখেরও বেশি অভ্যন্তরীণ দর্শনার্থী এসেছিলেন গোয়ার বীচে। অথচ গতবছরই অর্থাৎ ২০২৪ সালে সেই সংখ্যাটা কমে হয় ৪.৫ লক্ষ। আর এতেই বোঝা যাচ্ছে, কি হারে গোয়ার বীচে কমেছে পর্যটকের সংখ্যা।
কোভিড মহামারীর সময় যখন সরকারের পক্ষ থেকে বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়, সেই সময় বেশ ভালোই পর্যটক টেনেছিল গোয়ার এই শ্যাক গুলি। ব্যবসা লাভের মুখ দেখেছিল। কিন্তু রাশিয়া- ইউক্রেন এবং পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধগুলি বিশ্বের এই অংশে আসা বিদেশী পর্যটকদের সংখ্যা ধীরে ধীরে হ্রাস করতে থাকে। আর একটা সময় গিয়ে দেশীয় পর্যটকের সংখ্যাও কমে যায় গোয়ায়। স্বাভাবিক ভাবেই লোকসান ছাড়া আর কিছুই হচ্ছে না শ্যাক মালিকদের।
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত












Click it and Unblock the Notifications