গাঁজায় আসক্ত স্বামী! হাইকোর্টে অভিযোগ ঐশ্বর্যার, বিচ্ছেদ আসন্ন
তাঁর স্বামী গাঁজায় আসক্ত। এছাড়াও তাঁকে উৎপীড়নও করেন। নিজের স্বামী বিহারের প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী তেজপ্রতাপ যাদবের বিরুদ্ধে আদালতেএমনটাই জানালেন স্ত্রী ঐশ্বর্যা রাই।
তাঁর স্বামী গাঁজায় আসক্ত। এছাড়াও তাঁকে উৎপীড়নও করেন। নিজের স্বামী বিহারের প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী তেজপ্রতাপ যাদবের বিরুদ্ধে আদালতে এমনটাই জানালেন স্ত্রী ঐশ্বর্যা রাই। তেজপ্রতাপ যাদবের অন্য পরিচয়ও রয়েছে। তিনি বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদবের বড় ছেলে। এর আগে তেজপ্রতাপ বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা দায়ের করেছিলেন। তারই পাল্টা ২৬ ধারায় আদালতের কাছে আবেদন জানালেন স্ত্রী ঐশ্বর্যা। মহিলা সুরক্ষা আইন ২০০৫-এর অধীনে পারিবারিক আদালতের কাছে সুরক্ষাও চেয়েছেন তিনি।

ঐশ্বর্যা তাঁর অভিযোগে দাবি করেছেন, বিয়ের পরেই তিনি জানতে পারেন, তেজপ্রতাপ নেশাগ্রস্ত। ড্রাগ নিতেই অভ্যস্ত সে। নিজেকে ভগবান শিবের অবতার বলেও দাবি করেছিল সে। আদালতের করা অভিযোগে ঐশ্বর্যা বলেছেন, তেজপ্রতাপ ভগবান কৃষ্ণ ও রাধার মতো পোশাক পরতে ভাল বাসতেন। বিয়ের পর তিনি আবিষ্কার করেন, তেজপ্রতাপ দেবদেবীদের পোশাকে সজ্জিত হতে ভাল বাসেন। এখানেই শেষ নয়, ড্রাগ নেওয়ার পরে জেপ্রতাপ ঘাঘড়া এবং চোলিও পরেছে। রাধার মতো সজ্জিত হয়েছে।
বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালু যাদব এবং রাবড়ি দেবীর বড় ছেলে তেজপ্রতাপের বিয়ে হয়েছিল ২০১৮-র মে মাসে। ঐশ্বর্য তাঁর অভিযোগে আদালতে বলেছেন, তেজপ্রতাপের বিষয়টি তিনি শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের জানাতে চেষ্টা করেছেন। যদিও এবিষয়ে শ্বশুর বাড়ি থেকে কোনও সাহায্য তিনি পাননি। ঐশ্বর্যের আরও দাবি, বিষয়টি নিয়ে তিনি শাশুড়ি এবং ননদের সঙ্গেও কথা বলেছেন। তেজপ্রতাপের আচরণ সম্পর্কে জানিয়েছেন। তাঁর দাবি সেই সময় তাঁরা জানিয়েছিলেন, তেজপ্রতাপ আর এই ধরনের আচরণ করবেন না। শ্বশুরবাড়ির লোকেরা তাঁকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টাও করেছেন, যদিও তেজপ্রতাপের আচরণে কোনও পরিবর্তন হয়নি।
ঐশ্বর্য দাবি করেছেন, যখন তিনি তেজপ্রতাপকে ড্রাগ বন্ধের জন্য বলেছেন কিংবা দেবদেবীর মতো পোশাক পরতে বারণ করেছেন, সেই সময় তিনি( তেজপ্রতাপ)
বলেছেন, গাঁজা তো ভগবান শিবের প্রসাদ। তাতে তিনি কীভাবে না করবেন। ঐশ্বর্য আরও বলেছেন, তেজপ্রতাপের মন্তব্য ছিল রাধাই কৃষ্ণ আর কৃষ্ণই রাধা। আদালতে করা অভিযোগে ঐশ্বর্য বলেছেন, শ্বশুর বাড়িতে থাকার চেষ্টা করলেও, তেজপ্রতাপ এবং তার পরিবার প্রতিদিনই তাঁর(ঐশ্বর্য) ওপর শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতন চালিয়েছে।
বিয়ের ৫ মাস পর ২০১৮-র নভেম্বরে তেজপ্রতাপ বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা দায়ের করেছিলেন।












Click it and Unblock the Notifications